সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শার্শায় সাদা ফুলে ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছ

সাদা ফুলে ফুলে ভরে গেছে সজিনার গাছ। থোকায় থোকায় ঝুলছে ফুল। ফুলের পরিমাণ এতোটাই যে গাছের পাতা পর্যন্ত দেখার উপায় নেই। ফুলের গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে মৌমাছি মধু সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। বসন্তের শুরুতে সাদা ফুলে ফুলে ভরে গেছে সজিনার গাছ। রাস্তার পাশে সজিনা ফোটা সাদা ফুল পথচারীদের আকৃষ্ট করছে।

যশোরের শার্শা উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে এ সজিনা বাহিরের জেলায় সরবরাহ করার কথা ভাবছেন চাষিরা। রোগ বালাই কম হওয়ায় এখন বাণিজ্যিক ভাবেও চাষ করা হচ্ছে সজিনা।

এক সময় বাড়ির আশপাশের উঠানে সজিনার গাছ লাগানো হতো। সজিনার চাহিদা বাড়ায় এবং সময়ের পরিক্রমায় কৃষকরা এখন ফসলি জমিতে অনেকে সজিনার চাষ করছেন। পরিকল্পিত ভাবে সজিনার চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

মৌসুমের শুরুতে সজিনা প্রতি কেজি ১০০/১৫০ টাকা দরে বিক্রি হলেও শেষ সময়ে দাম কমে প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৪০/৫০ টাকা। ফাল্গুনের শেষ ও চৈত্রের শুরুতে সজিনার ডাটা খাওয়ার উপযোগী হয়। সাধারণত শাখা কেটে রোপণ করার মাধ্যমে এর বংশ বিস্তার হয়। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে গাছ থেকে সজিনা সংগ্রহ করা যায়। ডাটার পাশাপাশি ফুল, পাতাও সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। সবজি হিসেবে এটি যেমন উপাদেয়, তেমনি এর ভেষজ গুণাবলী অসাধারণ। নানা রোগব্যাধি নিরাময়, রোগ প্রতিরোধ ও শক্তি বৃদ্ধিতে সজিনা অত্যন্ত কার্যকর।

শার্শা উপজেলার যাদবপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম (মন্টু) বলেন, জমির পাশে রাস্তার ধারে কয়েকটি সজিনা গাছ লাগিয়েছি। বাড়িতে খাবার পর অতিরিক্ত সজিনা বাজারে বিক্রি করা হয়। রোগ বালাই কম। খরচ তেমন না হলেও দাম ভাল পাওয়া যায়। প্রতিটি গাছে প্রায় এক থেকে দেড় মণ সজিনা হয়।

উপজেলার মাটিপুকুর গ্রামের আফছার আলী বলেন, সজিনা এখন জমির আইলে ও আবাদি জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে লাগানো হচ্ছে। গাছে ফুল আসার পর এবং সজিনা ধরার পর একটু কীটনাশক স্প্রে করতে হয়। এতে ভালো সজিনা হয়। গাছে যে হারে ফুল আসছে তাতে মনে হচ্ছে সজিনা আসার পর এলাকার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ অন্যান্য জেলাতেও পাঠানো সম্ভব।

উপজেলার লাউতাড়া গ্রামের মুসলিমা বেগম জানান, আগে বাড়ির উঠানে সজিনা গাছ লাগানো হতো। এখন আবাদের জন্য জমিতে লাগানো হচ্ছে। গত বছর বাড়িতে খাবারের পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করেছি। কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভালো সজিনা পাবো।

উপ-সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা প্রতাপ মন্ডল বলেন, আমরা জনগণকে সজিনার গাছ লাগানোর জন্য উৎসাহিত করছি। এবার উপজেলায় বর্তমানে দেশীয় জাতের ১৭ হাজার ৫০টির মতো সজিনা গাছ আছে। গত বছর ছিল ১৫ হাজারের মতো।

তিনি আরো জানান, যেসব এলাকায় সজিনার গাছ নেই সেসব এলাকায় কৃষকদের সজিনার গাছ লাগানোর জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। সজিনার পুষ্টিগুণ অনেক। সরকারি জায়গায় সজিনার গাছ লাগানো হচ্ছে। আগামীতে সজিনার গাছ আরো বৃদ্ধি পাবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মনিরামপুরে বসুন্ধরা-শুভসংঘের উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক আলোচনা সভা

​​হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ : শুভ কাজে, সবার পাশে” স্লোগানকে সামনে রেখে যশোরেরবিস্তারিত পড়ুন

ট্রাভেল পরমিটে দেশে ফিরে অবহেলার শিকার ১৪ বাংলাদেশী

ভারতে বিভিন্ন সময়ে আটক হওয়া ১৪ বাংলাদেশী নারী-পুরুষ ও কিশোর বিশেষ ট্রাভেলবিস্তারিত পড়ুন

মনিরামপুরে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

“আগামী প্রজন্মের জন্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের মনিরামপুরে সরকারেরবিস্তারিত পড়ুন

  • শার্শা বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক
  • মণিরামপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলশিক্ষার্থী নিহত
  • বাংলাদেশে এসেই দুই দেশ এক করার কথা বললেন নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার
  • আমরা মিলেমিশে কাজ করব : ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
  • মনিরামপুরে দুদকের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন
  • নাগরিক সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মনিরামপুর পৌরসভার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা
  • রাজগঞ্জ-পুলেরহাট-ত্রিমোহিনী সড়কে বেপরোয়া যানবাহন : ঝুঁকিতে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা
  • রাজগঞ্জে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ধূমপান: কিশোরদের আসক্তি রোধে কার্যকর উদ্যোগের দাবি
  • শার্শায় বিএনপি নেতার নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
  • বেনাপোলে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ২ ছাত্রলীগ কর্মী আটক
  • অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকের দৌরাত্ম্য: নেংগুড়াহাট-রাজগঞ্জ সড়কে ট্রাক্টরে মাটি পরিবহনে বাড়ছে দুর্ঘটনা ও পরিবেশঝুঁকি
  • ভারত ‘খুনি রাষ্ট্র’ এবং বিএসএফ ‘খুনি বাহিনী’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী