বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

১০ টাকায় বিক্রি চাষির পটোল, ২৫-৩০ টাকায় কিনছেন ক্রেতা

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ : যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ পাইকারি বাজারে পটোলের দামে চরম ধস নেমেছে। উৎপাদন খরচ তো দূরের কথা, শ্রমিকের মজুরিও উঠছে না বলে অভিযোগ করছেন চাষিরা। অন্যদিকে একই পটোল স্থানীয় খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। ফলে একদিকে যেমন লোকসানের বোঝা বইতে হচ্ছে কৃষকদের, অন্যদিকে অতিরিক্ত দাম গুনতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। এতে কৃষক ও ভোক্তা-উভয় শ্রেণির মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

বৃৎস্পতিবার (২৫ জুন) রাজগঞ্জ পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, মৌসুমের ভরা উৎপাদনের কারণে বাজারে পটোলের ব্যাপক সরবরাহ রয়েছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি হওয়ায় পাইকারি বাজারে কেজিপ্রতি মাত্র ১০-১১ টাকা দরে পটোল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকরা।
স্থানীয় শাহাপুর-রামপুর গ্রামের পটোল চাষি মো. আব্দুর রহমান বলেন,

“এক বিঘা জমিতে পটোল চাষ করতে বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরি মিলিয়ে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। এখন বাজারে মাত্র ১০-১১ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। এই দামে বিক্রি করলে খরচ তো উঠছেই না, উল্টো বড় ধরনের লোকসান গুনতে হচ্ছে।”

একই গ্রামের আরেক চাষি মো. নুর ইসলাম বলেন, “ক্ষেত থেকে পটোল তুলে বাজারে আনতেই খরচ পড়ে যায়। তারপরও বাধ্য হয়ে কম দামে বিক্রি করছি। কৃষকের কষ্টের মূল্য কেউ দিচ্ছে না।”

এদিকে খুচরা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, একই পটোল ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা।

রাজগঞ্জ বাজারের ক্রেতা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “শুনছি কৃষকরা ১০-১১ টাকা কেজি দরে পটোল বিক্রি করছেন। কিন্তু আমরা কিনছি ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে। কৃষক যদি ন্যায্য দাম না পায় আর ক্রেতাকেও বেশি দাম দিতে হয়, তাহলে মাঝখানে কারা লাভবান হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা দরকার।”

আরেক ক্রেতা গৃহবধু রহিমা বেগম বলেন, “সবজির দাম কমেছে বলে শুনি, কিন্তু বাজারে এসে তার কোনো প্রভাব দেখি না। কৃষকও বঞ্চিত, ক্রেতাও বঞ্চিত-এটা দুঃখজনক।”

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, কৃষক ও ভোক্তার মধ্যকার দীর্ঘ বিপণন শৃঙ্খলে একাধিক মধ্যস্বত্বভোগী সক্রিয় থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে উৎপাদক ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং ভোক্তাদেরও গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত দাম।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃষিপণ্যের বাজার ব্যবস্থাপনায় অধিক নজরদারি, সংরক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধি এবং কৃষকদের সরাসরি বাজারজাতকরণের সুযোগ তৈরি করা গেলে এ ধরনের বৈষম্য অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে।

রাজগঞ্জের কৃষক ও সাধারণ ভোক্তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে কৃষক ন্যায্য মূল্য পান এবং সাধারণ মানুষও সাশ্রয়ী দামে কৃষিপণ্য কিনতে পারেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

পারখাজুরা বাওড়ে শাপলা তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃ*ত্যু

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ : যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মশ্বিমনগর ইউনিয়নের হাজরাকাটি গ্রামে পারখাজুরাবিস্তারিত পড়ুন

ক্যানসারে আক্রান্ত তাসলিমার চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তার আবেদন

রাজগঞ্জ প্রতিনিধি : যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ঝাঁপা আলিম মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্রী মোছাঃবিস্তারিত পড়ুন

প্রত্যন্ত গ্রামের মেঠোপথ পেরিয়ে জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে মনিরামপুরের সন্তান ড. আব্দুল আলীম

প্রত্যন্ত গ্রামের মেঠোপথ পেরিয়ে এবার জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে মনিরামপুরের সন্তান ড.বিস্তারিত পড়ুন

  • মনিরামপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলচালক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত
  • যশোরের হরিদাসকাটিতে পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শনে এমপি গাজী এনামুল হক
  • যশোরের মণিরামপুরে ৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল!
  • যশোরের রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে ৮৪ জন উত্তীর্ণ
  • জাতীয় অনূর্ধ্ব-২১ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক রাজগঞ্জের কালাম সিদ্দিকি অলিন
  • মণিরামপুরে পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার
  • গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন
  • মণিরামপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
  • রাজগঞ্জে হোটেলগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও বিক্রি : ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য
  • যশোরের রাজগঞ্জের মোবারকপুরে প্রকাশ্যে জুয়ার আসর! মিলছে না প্রতিকার
  • মণিরামপুরের জালঝাড়া বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মৃ*ত্যু
  • শিশু আরাফাতের জীবন বাঁচাতে মানবিক সহায়তার আবেদন