শুক্রবার, অক্টোবর ২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

৫০ দেশের জন্য স্থায়ী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর একটি ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী করতে যাচ্ছে, যার আওতায় আফ্রিকার বেশিরভাগ দেশসহ ৫০টি দেশের আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদন করার সময় সর্বোচ্চ ২০,০০০ ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হতে পারে। শুক্রবার অনলাইনে প্রকাশিত একটি ফেডারেল নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত নোটিশটি বি-১ ও বি-২ ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা ব্যবসায়িক ও পর্যটন ভ্রমণের জন্য ইস্যু করা হয়।

“কনস্যুলার কর্মকর্তারা, তাঁদের বিবেচনায়, অন্তর্ভুক্ত অ-অভিবাসী (ননইমিগ্র্যান্ট) ভিসা আবেদনকারীদের ভিসা ইস্যুর শর্ত হিসেবে সর্বোচ্চ ২০,০০০ ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে বলতে পারবেন,” নোটিশে বলা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, “২০২৫ সালের ভিসা বন্ড পাইলট কর্মসূচি, যা পররাষ্ট্র দপ্তর, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এবং ট্রেজারি বিভাগকে একটি ভিসা বন্ড কর্মসূচি পরিচালনার সম্ভাব্যতা মূল্যায়নের জন্য একটি কাঠামো প্রদান করেছিল, পর্যাপ্ত তথ্য সরবরাহ করেছে। সেই তথ্য থেকে বোঝা যায় যে, বন্ডভিত্তিক ভিসাধারীদের নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে ভিসা বন্ড কর্মসূচি একটি কার্যকর হাতিয়ার।”

পাইলট কর্মসূচির আওতায় কনস্যুলার কর্মকর্তারা ৫,০০০, ১০,০০০ অথবা সর্বোচ্চ ১৫,০০০ ডলার পর্যন্ত বন্ড দাবি করতে পারতেন। চূড়ান্ত নিয়মে ৫,০০০ ডলারের বিকল্পটি বাতিল করা হয়েছে এবং সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ বাড়িয়ে ২০,০০০ ডলার করা হয়েছে।

চূড়ান্ত নিয়মটি ৩ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে, যেদিন এটি ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। যেসব ৫০টি দেশের নাগরিকদের ওপর এই কর্মসূচি প্রযোজ্য হবে, তার মধ্যে ৩০টি দেশই আফ্রিকার।

মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এই নীতির উদ্দেশ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার (ভিসা ওভারস্টে) ঘটনা কমানো। তবে অভিবাসন-অধিকারকর্মীরা বলছেন, এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক অনেককেই নিরুৎসাহিত করবে।

অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন দমননীতি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার লঙ্ঘন করছে। একই সঙ্গে এটি জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি করছে এবং বর্ণগত প্রোফাইলিংকে উৎসাহিত করছে। ট্রাম্প এসব পদক্ষেপকে জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারের জন্য প্রয়োজনীয় বলে সমর্থন করেছেন।

ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন কমাতে চান বলে দাবি করলেও, তাঁর প্রশাসন বৈধ অভিবাসনও আরও কঠিন করে তুলেছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

৭ মাসে বিদেশে গেছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী : প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মতো প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও গত সাত মাসে প্রায় ৪ লাখবিস্তারিত পড়ুন

হজযাত্রীদের জন্য এক প্যাকেজে সব সেবা, নতুন উদ্যোগ সৌদি আরবের

২০২৭ সালের হজ মৌসুমে বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য সমন্বিত প্যাকেজ চালুর ঘোষণা দিয়েছেবিস্তারিত পড়ুন

ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও

ভাবুন, বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে গেলেন জামাই হয়ে। কিছুদিন পর দেখলেন, শুধু স্বামীবিস্তারিত পড়ুন

  • আ.লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ সরকার: যুক্তরাষ্ট্র
  • প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে ১১ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ ৩০ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত: মাহদী আমিন
  • জাতিসংঘে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক
  • জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী
  • দেশ মেরামতে সরকার থ্রি-আর কৌশল অনুসরণ করছে : প্রধানমন্ত্রী
  • জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী
  • সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়াই একমাত্র সমাধান: জাতিসংঘে তারেক রহমান
  • নেতানিয়াহু জাতিসংঘের মঞ্চে উঠতেই বাংলাদেশসহ ৭৭ দেশের ওয়াকআউট
  • জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
  • জাতিসংঘে খলিলুর রহমানের দপ্তরের ‘লিগ্যাল অফিসার’ হলেন জাইমা
  • গণমাধ্যম কখনো সরকারের শত্রু বা প্রতিপক্ষ নয়: কাদের গনি চৌধুরী