শনিবার, জুন ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আমার মনটা টুঙ্গিপাড়ায় পড়ে আছে: প্রধানমন্ত্রী

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শিশু-কিশোরদের অনুষ্ঠানে যেতে না পেরে আফসোস করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, দূরে আছি এটা ঠিক। আমার মনটা কিন্তু টুঙ্গিপাড়ার মাটিতেই পড়ে আছে। অবশ্যই খুব তাড়াতাড়িই টুঙ্গিপাড়ার আসব। তোমাদের সঙ্গে দেখা হবে, তোমরা ভালো থেক সুস্থ থেক সেই দোয়া করি।

বুধবার সকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২১ উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে টুঙ্গিপাড়ায় অবস্থিত শিশু-কিশোরদের বক্তব্য শোনেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দূরে আছি এটা ঠিক। তবে তোমরা তো জানো ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি বলে দূরে থাকলেও অন্তত চোখের দেখাটা তো দেখতে পারছি, কথা বলতে পারছি তাই না? ডিজিটাল বাংলাদেশ না হলে তো আর এটা করতে পারতাম না। তো তোমরা টুঙ্গিপাড়ায় আছো, আর আমি এইটুকু বলতে পারি আমার মনটা টুঙ্গিপাড়ায়, হয়তো আমি এখানে বসে আছি। আমাদের রাষ্ট্রীয় কাজের জন্য। কিন্তু সব সময় ১৭ই মার্চ আমি টুঙ্গিপাড়ায় থাকি, আমি আমার ছোট বোন রেহেনাও আছে। আমাদের দুজনেরই থাকার কথা, যেহেতু আমাদের অনেক বিদেশি অতিথি অনেক অনুষ্ঠান। মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ঢাকায় এসেছেন তাকে নিয়ে অনুষ্ঠান হচ্ছে, সে কারণে আসতে পারলাম না। অবশ্যই খুব তাড়াতাড়ি টুঙ্গিপাড়ায় আসবো। তোমাদের সঙ্গে দেখা হবে তোমরা ভালো থাকো সুস্থ থাকো সেই দোয়া করি।

শিশুদের জীবনকে সুন্দর ও রঙিন করে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ছোট শিশুদের জীবন আরও রঙিন, আরও সুন্দর, আরও সার্থক করে গড়ে তুলতে চাই। সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আমি এটাই চাই, আজকের শিশুরা সুন্দরভাবে গড়ে উঠবে, জীবনটাকে সুন্দর করবে।

করোনাভাইরাস মহামারীর স্কুল-কলেজে যেতে না পারায় শিশুরা যে কষ্টে আছে, সেটা উপলব্ধি করার কথাও জানান শেখ হাসিনা। ‘আমি বলব, তোমরা ছোট্ট সোনামনিরা, তোমরা ঘরে বসে পড়াশোনা কর এবং সেই সাথে খেলাধুলাও করবে। আমরা এটাই চাই যে খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা এগুলো একান্তভাবে অপরিহার্য। তোমরাই তো ভবিষ্যৎ, তোমরাই এদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, করোনার এই প্রাদুর্ভাব কেটে যাবে। স্কুল আমরা তখনই খুলে দেব। তোমরা স্কুলে যেতে পারবে। সেই সঙ্গে খেলাধুলাও তোমরা করতে পারবে এবং এখনও করতে পার।

বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধের পাবলিক প্লাজার বকুলতলা চত্বরে মহিলা ও শিশু বিয়ষক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসার সভাপতিত্বে এই শিশু-কিশোর সমাবেশ হয়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

৮ লাখ ৫২ হাজার ১৫৭ কোটি টাকার ছায়া বাজেট দিলো এনসিপি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ‘বাংলাদেশ ২.০: সংস্কার, কর্মসংস্থান ওবিস্তারিত পড়ুন

মার্কিন ভিসা প্রার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

মার্কিন ভিসার জন্য আবেদনকারী অনভিবাসী ভিসা প্রার্থীদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রোফাইলের প্রাইভেসিবিস্তারিত পড়ুন

সীমান্তের বাইরে আছে ‘বন্ধু-অংশীদার, প্রভু নয়’: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সীমান্তের বাইরে আছে ‘বন্ধু-অংশীদার, প্রভু নেই’ বলেন মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।বিস্তারিত পড়ুন

  • প্রতিরক্ষা ও এভিয়েশনে একসঙ্গে কাজ করবে ঢাকা-আঙ্কারা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকাকে নীরব এলাকা ঘোষণা
  • বিটিভি, সময় টিভি ও টি স্পোর্টসে দেখা যাবে বিশ্বকাপের খেলা
  • দৌলতদিয়ায় ফেরি থেকে পড়ে যাওয়া বাস উদ্ধার
  • জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আ.লীগের উত্থাপিত প্রশ্ন নাকচ জাতিসংঘের
  • ডিএনডি বাঁধ নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা
  • বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়
  • সংসদ সদস্যদের ‘কার্যপ্রণালি বিধি ওরিয়েন্টেশন’ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
  • পদত্যাগ ইস্যুতে নিজের অবস্থান তুলে ধরলেন দীপেন দেওয়ান
  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কাজ কী?
  • এখনও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল
  • প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করেই হচ্ছে আগামীর বাজেট: অর্থমন্ত্রী