পরাজয়ে শুরু সিরিজ জয়ে শেষ জিম্বাবুয়ে সফর


সাম্প্রতিক বছরে ক্রিকেটে বাংলাদেশের উন্নতি চোখে পরার মতো। বিশেষ করে ২০১৪ সালের পর থেকে ওয়ানডে ক্রিকেটে শক্তিশালী প্রতিপক্ষে পরিণত হয়েছে টাইগাররা।
সেই হিসেবে আইসিসির তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়েকে বলে কয়েই হারানোর কথা ছিল টাইগারদের। কিন্তু জিম্বাবুয়ে এবারের সফরে গিয়ে ‘মুখ থুবড়ে পড়ে’ টাইগাররা। একমাত্র টেস্টে ব্যাটিং দৈন্যদশার কারণে ইনিংস ও ৮৫ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ।
এরপর শুরু হয় তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। ওয়ানডেতে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠা বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজে হেরে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়ে।
এরপর শুরু হয় তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের সিরিজের প্রথম ম্যাচে হেরে ব্যাকফুটে চলে যায় তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ৫ উইকেটে ১৮৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে ৩৪ রানের জয়ে সিরিজে (১-১) সমতায় ফেরে বাংলাদেশ।
রোববার বুলাওয়ের কুইন্স পার্কে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামিয়ে ৬ উইকেটের জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
রোববার জিম্বাবুয়ের বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান করে জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭২ রান করেন ডিওন মায়ার্স। এছাড়া ৪৭ রান করেন ব্রায়ান বেনেট।
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে দ্বিতীয় ওভারে উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। এরপর দলের হাল ধরেন ব্রায়ান বেনেট। দ্বিতীয় উইকেটে ডিওন মায়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে ৭১ রানের জুটি গড়েন বেনেট। দলীয় ৭৭ রানে ফিফটির কাছাকাছি গিয়ে আউট হন বেনেট। তিনি ৩৮ বলে ৮টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৭ রান করে ফেরেন।
চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৩ রানে ফেরেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ১০৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
দলীয় ৬ রানে ওপেনার মারুমানি আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৮ বলে ৫টি চার আর একটি ছক্কার সাহায্যে ফিফটি পূর্ণ করেন ডিওন মায়ার্স। তিনি দ্বিতীয় ওভারে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংস শেষ হওয়ার মাত্র ২ বল আগে সাজঘরে ফেরেন। তার আগে ৫৩ বলে ৭টি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ৭৩ রান করেন।
১২০ বলে ১৪৪ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোচট খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ফেরেন ওপেনার সাইফ হাসান। এরপর ৫৫ রানের জুটি গড়ে দলীয় ৫৯ রানে ফেরেন পারভেজ হোসেন ইমন।
চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গে ৪৪ বলে ৬৩ রানের জুটি গড়ে ফেরেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তিনি ১৯ বলে ২৪ রান করে ফেরেন।
জয়ের জন্য ইনিংসের শেষ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫ রান। ৬৫ রানে অপরাজিত ছিলেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। আর নতুন ব্যাটসম্যান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
শেষ ওভারের প্রথম বলে সিঙ্গেল রান নিয়ে প্রান্ত বদল করেন তানজিদ তামিম। দ্বিতীয় বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
জয়ের জন্য শেষ ৪ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ৪ রান। ব্যাট হাতে নামেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তিনি ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হন।
জয়ের জন্য শেষ ৩ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৪ রান। ব্যাট করতে নামেন শেখ মেহেদি হাসান। তিনি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
কলারোয়া নিউজে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। (Unauthorized use of news, image, information, etc published by kalaroa News is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.)
একই রকম সংবাদ সমূহ

‘কিসের হাসিনা’, মাঝেমধ্যে আওয়াজ-টাওয়াজ শোনা যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, যারা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী, তাদেরবিস্তারিত পড়ুন

ভারত কেন শেখ হাসিনাকে কথা বলার সুযোগ দিল, প্রশ্ন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
ভারতের নয়াদিল্লিতে এক প্রেস মিটে দেশটিতে আশ্রিত মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত বাংলাদেশের সাবেকবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত কেমন সম্পর্ক চায়, সেই সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে সুসম্পর্ক বজায় রাখতেবিস্তারিত পড়ুন


