বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সাজাপ্রাপ্ত ৯ আসামীকে যেতে হলো না কারাগারে, শর্ত পূরণ করায় মুক্তি

গৌর বিশ্বাস, স্কুলে যাওয়ার সুযোগ হয়নি কখনো। জীবনের একটা বিশেষ মূহুর্তে ক্ষনিকের ভুলে জড়িয়েছিলেন মাদকের জগতে। ফলে তার বিরুদ্ধে হয় মাদকের মামলা। বিচারিক আদালতের রায়ে তাকে ৮মাসের সশ্রম কারাদন্ড ও ২হাজার টাকা জরিমানা দন্ডে দন্ডিত করা হয়।

গৌর বিশ্বাসের মতই সাক্ষ্য প্রমানে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আদালত কর্তৃক বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পেয়েছে জিল্লুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, মুন্না বিশ্বাস, আল আমিন মোল্যা, আজাদ কাজী, মনু মোল্যা, শাওন শিকদার, হেদায়েত মোল্যা ও আতিকুর রহমান।

এরা সকলেই নিজ নিজ পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। মাদকের করালগ্রাসে জীবনের দীর্ঘ সময় কেটেছে কোর্টের বারান্দায়, খরচ হয়েছে অর্থ। যখন নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে তখন তারা সাজাপ্রাপ্ত আসামী।

তবে কারাগারে যেতে হয়নি গৌর বিশ্বাসকে। কারাগারে যেতে হয়নি জিল্লুর রহমান বা আজাদদের।

দ্যা প্রবেশন অব অফেন্ডার অর্ডিন্যান্সের ৫ধারায় আদালত তাদের দন্ড স্থগিত রেখে জেলা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্বাবধানে প্রদান করেন। তারা তাদের আপন গৃহে পরিবারের সাহচর্যে অন্যরকম সাজা ভোগ করেছেন। শর্ত ছিল তারা মাদক বা বেআইনী কোন কিছুতে জড়াবেন না, পরিবারের সদস্যদের সাথে ভালো ব্যবহার করবেন।

গৌর বিশ্বাস জীবনে কখনো লেখাপড়া করার সুযোগ পাননি। আদালত তাকে প্রবেশনের শর্ত স্বরূপ লেখাপড়া শিখতে বলেন।
এছাড়া মুন্না বিশ্বাস ও কিছু প্রবেশনারদের ঐতিহাসিক ৭মার্চ নিয়ে রচিত কবিতা, কবি নির্মলেন্দু গুণ রচিত কবিতা “স্বাধীনতা এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হল” মুখস্থ করতে দেন।

যে গৌর একসময় মাদক নিত, সে এখন ভ্যান চালিয়ে জীবীকা নির্বাহ করেন।
গৌর ও জিল্লুরদের মাদকের হাত এখন শ্রমিকের হাত। সেই হাত দিয়েই কঠোর পরিশ্রম করে আজ তারা বেঁচে আছেন।

সাজাপ্রাপ্ত এসকল প্রবেশনাররা প্রবেশনের সকল শর্ত সুচারুরুপে পালন করায় প্রবেশন কর্মকর্তা তাদের মুক্তির ব্যাপারে সুপারিশ করেন।

নড়াইলের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আমাতুল মোর্শেদা বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রবেশন কর্মকর্তার রিপোর্ট ও সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে তাদের চুড়ান্ত মুক্তির আদেশ দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারি আবুল কালাম আজাদ এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ আদালত থেকে ইতোপূর্বে ৬৬জন আসামীকে প্রবেশনে প্রেরণ করা হয়েছে, যাদের মধ্যে প্রবেশনের শর্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করায় ৪০জন প্রবেশনারকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

এসময় তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান- জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট উত্তম কুমার ঘোষ, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর সঞ্জীব কুমার বসু, জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা বাপ্পী কুমার সাহা।

আদালত থেকে ফুল হাতে বের হওয়ার সময় প্রবেশনারদের অনেকেরই চোখে ছিল আনন্দ অশ্রু। কারণ এ ছিল তাদের কাছে অন্যরকম মুক্তি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ভোমরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জলাবদ্ধতা, নতুন ভবন নির্মাণের আবেদন

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৬৫ নম্বর ভোমরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জলাবদ্ধতার কারণে পাঠদানবিস্তারিত পড়ুন

মাসউক’র ভিডব্লিউবি কর্মসূচীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষন জোরদার

মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র (মাসউক) সাতক্ষীরা কর্তৃক ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট’ (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচীরবিস্তারিত পড়ুন

প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান: মাহদী আমিন

আগামী দিনে ক্রীড়াকে প্রাধান্য দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিকবিস্তারিত পড়ুন

  • আগামী বছর চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪টি নতুন বই: শিক্ষামন্ত্রী
  • রাষ্ট্রীয় সম্মানি পাবেন ২ লাখ ৫৬ হাজার ধর্মীয় ব্যক্তি
  • ২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
  • বাংলাদেশ পুলিশের নতুন মুখপাত্র কামারুম মুনিরা
  • কলারোয়ার হিজলদী হাইস্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন
  • গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী
  • ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের সদস্যের সাক্ষাৎ
  • ব্যবসা-বাণিজ্যে এগিয়ে আসতে তরুণদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির
  • বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০২ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিল সরকার
  • চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী
  • সবার জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী
  • হাসানুল হক ইনুর সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল