বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামি

কলারোয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে গিয়ে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তা

সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের পর ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের একটি আদালত।

শনিবার (২৩ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার সীমান্ত থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক ওই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন রংপুর মহানগর পুলিশের সাবেক সহকারী কমিশনার (এসিপি) মো. আরিফুজ্জামান। তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি।

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) জানায়, আরিফুজ্জামান সাতক্ষীরার কাকডাঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বসিরহাটের স্বরূপনগর উপজেলার বিথারী সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। পরে বিএসএফ সদস্যরা তাকে আটক করে স্বরূপনগর থানা-পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফুজ্জামান স্বীকার করেন, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। নিজের জীবন বাঁচাতেই তিনি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন।

রোববার তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বসিরহাট মহকুমা আদালতে হাজির করে স্বরূপনগর থানা-পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। তার বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টের ১৪এ(খ) ধারা ও ইন্ডিয়ান পাসপোর্ট অ্যাক্টের ১২ ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর—স্বরূপনগর পিএস কেস নং-৫৬৬/২০২৫।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ৪৮ বছর বয়সী আরিফুজ্জামানের বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সাহিপাড়া গ্রামে। তাঁর বাবার নাম আফসার আলী আহমদ।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। ওই দিন বিকেল আড়াইটার দিকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জ চালায়। শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হলেও আবু সাঈদ দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন প্রায় ৫০ ফুট দূর থেকে পুলিশের ছররা গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে হাসপাতালে নেয়ার আগেই মারা যান।

ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন এসিপি আরিফুজ্জামান। এ ঘটনায় দায়ী কর্মকর্তা হিসেবে তার নাম আসামির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে তাঁকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়।

এখন তাকে ভারতে আটক করার মধ্য দিয়ে আবু সাঈদ হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি আবারও আলোচনায় উঠে এলেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী অনির্ধারিত সফরে দিল্লি গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীবিস্তারিত পড়ুন

শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের প্রশ্নে বিশদ ব্যাখা দিলেন ত্রিবেদী

ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে বিশদ ব্যাখ্যাবিস্তারিত পড়ুন

বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি: ইন্টারনেট বন্ধ, সাতশ’র বেশি আটক

ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও গণহারে ভোটারের নামবিস্তারিত পড়ুন

  • ভারত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযানের জন্য প্রস্তুত: রাজনাথ সিং
  • নাশকতার নির্দেশনা ভারতীয় নম্বর থেকে, বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভিডিও পাঠালে ১০ হাজার
  • দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম, অনুমোদন দিল ভারত
  • কলকাতা নিউমার্কেট এলাকার ৮০০ রুপির ঘর এখন ৩ হাজার
  • নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে প্রদীপ না জ্বালানোয় জরিমানা
  • ইন্দিরা পেরেছিলেন, দল-প্রতীক হারিয়ে মমতা কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন?
  • ‘নিজের ফাঁদেই আটকা ভারত’: বাংলাদেশকে পাকিস্তান না ভাবার সতর্কবার্তা শেখর গুপ্তের
  • নভেম্বরে ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • বদলে গেলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের নাম-প্রতীক
  • ‘পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফের‌তের বিষ‌য়ে ভারত সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়‌নি’ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • দিল্লির হাইকমিশনারের অনুমোদন: আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য অপেক্ষায় থাকতে বললেন শামা ওবায়েদ
  • পশ্চিমবঙ্গে অনিয়মের অভিযোগে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ