শনিবার, অক্টোবর ৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ড. ইউনূসের বাণিজ্যচুক্তি কি বাংলাদেশকে চাপে ফেলছে?

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দেশে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য একতরফা ও বৈষম্যমূলক, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে মার্কিন পণ্যের জন্য বড় বাজারে পরিণত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল খাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা সীমিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রাজধানীতে এক সমাবেশে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, এই চুক্তি কার্যকর হলে দেশে কর্মসংস্থান সংকট তৈরি হতে পারে। সংসদে আলোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে চুক্তিটি প্রত্যাখ্যানের দাবি জানান তিনি।

অন্যদিকে অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মন্তব্য করেন, এই চুক্তির প্রভাব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ৬ হাজার ৭১০টি পণ্যে শুল্কছাড় দেবে, বিপরীতে বাংলাদেশ পাবে ১ হাজার ৬৩৮টি পণ্যে সীমিত সুবিধা। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এসব পণ্যের বাস্তব রপ্তানি খুবই কম। ফলে সম্ভাব্য সুবিধার তুলনায় বাংলাদেশের রাজস্ব ক্ষতির ঝুঁকি বেশি।

এ ছাড়া ধাপে ধাপে শুল্ক প্রত্যাহারের ফলে সরকারের রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে বিপুল পরিমাণ মার্কিন কৃষিপণ্য, জ্বালানি ও সামরিক সরঞ্জাম আমদানির বাধ্যবাধকতার কথাও উঠে এসেছে।

চুক্তিতে এমন কিছু ধারা রয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশ অন্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ বিবেচনায় নিতে বাধ্য হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ভবিষ্যতে চীন, রাশিয়াসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

গবেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সমান সুযোগে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে দেশীয় শিল্প খাত চাপে পড়তে পারে। একই সঙ্গে ভর্তুকি ও নীতিগত সহায়তার ক্ষেত্রেও সরকারের সক্ষমতা সীমিত হয়ে যেতে পারে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের স্বাধীন নীতিনির্ধারণে বাধা তৈরি করতে পারে। আর সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের মতে, এটি একটি বৈষম্যমূলক চুক্তি, যা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তি কার্যকর করতে হলে দুই দেশের সংসদের অনুমোদন প্রয়োজন। তাই নতুন সরকারের উচিত সময় নিয়ে এর বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা করা এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক অংশগুলো পুনরায় আলোচনার মাধ্যমে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে দায়িত্ব পাওয়া নতুন সরকার আগামীবিস্তারিত পড়ুন

শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের প্রশ্নে বিশদ ব্যাখা দিলেন ত্রিবেদী

ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে বিশদ ব্যাখ্যাবিস্তারিত পড়ুন

ট্রাম্পের নৈশভোজের উচ্ছ্বসিত ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আসা বিশ্বনেতাদের সম্মানে আয়োজিতবিস্তারিত পড়ুন

  • শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে এক মঞ্চে মেলানিয়া ট্রাম্প ও জুবাইদা রহমান
  • ভোটে নির্বাচিত সরকারকেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • অনলাইনে বিবাহ নিবন্ধনে অনিয়ম, বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ কমবে : আইনমন্ত্রী
  • নিজ বাসভবনের ছাদের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২শ’ ইউনিট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : মীর শাহে আলম
  • অপতথ্য রোধে তরুণদের সচেতন হতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
  • ৩ মাসের মধ্যে গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়ার টার্মিনাল চুনকুটিয়ায় স্থানান্তর হবে : ডিএমপি কমিশনার
  • বিডি নিউজের সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যু
  • জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার
  • তিন মাসের মধ্যে কিশোর গ্যাং উৎখাত করা হবে: চিফ হুইপ
  • দলীয় পরিচয়ে অপকর্মে জড়ালে কোনো ছাড় নয়: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
  • বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনের সময় বাড়ল
  • ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে এবার বিএনপি থেকে পদত্যাগের নির্দেশ