বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

নীরব এক সংগ্রামী আলোকবর্তিকা- এবিএম কাইয়ুম রাজ

সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পথে যিনি অবিচল—তিনি এবিএম কাইয়ুম রাজ। শ্যামনগরের কৈখালী থেকে উঠে আসা এই তরুণ শুধু একজন সাংবাদিক নন, বরং তিনি হয়ে উঠেছেন এলাকার মানুষের আত্মার আত্মীয়, সময়ের দর্পণে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার প্রতিচ্ছবি।

ছোটবেলা থেকেই বই আর বাস্তবতার হাত ধরে যাঁর যাত্রা, সেই কাইয়ুম রাজ নিজের জীবনকে গড়ে তুলেছেন সমাজ ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এক নীরব বিপ্লবী হিসেবে। কৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিষ্পাপ শৈশব থেকে শুরু করে গুমানতলী কামিল মাদ্রাসার কঠোর শিক্ষাজীবন, সবকিছুর পেছনে ছিল একটি লক্ষ্য—মানুষের জন্য কিছু করা।

তিনি এখন দেশের অন্যতম প্রভাবশালী জাতীয় দৈনিক জনকণ্ঠ-এর একজন প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তাঁর পরিচয় শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। প্রভাত বার্তা, দক্ষিণের বার্তা এবং দেশ জনতা’র মতো পত্রিকায় লেখালেখি করে তিনি সমাজের নানা দিক তুলে ধরছেন সাহসিকতার সঙ্গে।

তাঁর কলম শুধু সংবাদ লেখে না, লেখে প্রান্তিক মানুষের না-বলা কষ্ট, প্রতিবাদহীন অন্যায় আর অবহেলিত জনপদের বুকচেরা গল্প। দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের নদীভাঙা জনপদের কষ্টকে তুলে ধরতে গিয়ে কখনো তিনি হয়ে ওঠেন মাঠের কর্মী, কখনো মানবিক সহায়ক, আবার কখনো দুর্নীতির প্রতিবাদে বজ্রকণ্ঠ।

কেবল পেশাগত দায়িত্ব নয়—কাইয়ুম রাজের মধ্যে আছে সমাজের প্রতি এক গভীর দায়বদ্ধতা। শিক্ষার্থীদের সহায়তা, অসহায় পরিবারে খাবার পৌঁছে দেওয়া, কিংবা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো—সবখানেই দেখা যায় তাঁর আন্তরিক অংশগ্রহণ।

তিনি বিশ্বাস করেন, “সাংবাদিকতা কেবল তথ্য জানানোর মাধ্যম নয়, এটি হতে পারে সমাজ বদলের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার।” সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি প্রতিদিন লিখে চলেছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে, প্রান্তিক মানুষের পক্ষে।

এবিএম কাইয়ুম রাজ রাজনীতির মাঠে নেই, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন একজন নীরব আলোকবর্তিকা হিসেবে। যাঁরা তাঁকে চেনেন, বলেন—“এই ছেলেটার চোখে যেমন স্বপ্ন আছে, তেমনি হৃদয়ে আছে মানুষের ব্যথা অনুভব করার ক্ষমতা।”

এই তরুণের নিরলস পথচলা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পরিবর্তনের জন্য বয়স নয়, প্রয়োজন একান্ত ইচ্ছা, সাহসিকতা ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মন। এবিএম কাইয়ুম রাজ হোক বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণা, কলমধারীদের আদর্শ, এবং শ্যামনগরের গর্ব।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরার গ্রাহকরা ১ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হলে বাঁচবে ৩০৪ কোটি টাকা

সাতক্ষীরা জেলায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সাধারণ জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণেরবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নুর ইসলাম নামে এক জেলেরবিস্তারিত পড়ুন

রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে সাতক্ষীরাসহ ১০ জেলা

দেশের আরও ১০ জেলাকে রেল যোগাযোগের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

  • ‎ব্লু ইকোনমি ও সাতক্ষীরা উপকূল ‎
  • শ্যামনগরের মিড-ডে মিলের খাবারবাহী গাড়িতে অগ্রিম উৎপাদন তারিখের বনরুটি, গাড়ি জব্দ
  • শ্যামনগরের গাবুরাতে পরিবারে আয় বৃদ্ধি করতে ১৪ জনকে গরু বিতরণ
  • শ্যামনগরের গাবুরাতে স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকরণ বিতরণ
  • খাল খননের নামে কৃষিজমি নষ্টের অভিযোগে শ্যামনগরে কৃষকদের বিক্ষোভ
  • সুন্দরবনে বনবিভাগের সদস্যদের ছোড়া গুলিতে জেলের মৃ*ত্যুর অভিযোগ
  • সাতক্ষীরায় বিলুপ্তির পথে ধানের গোলা
  • জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে শ্যামনগরের আটুলিয়া ইউনিয়নে বাজেট বৃদ্ধির দাবি
  • শ্যামনগরে বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠনের প্রকল্প অবহিতকরণ সভা
  • সাতক্ষীরার নবাগত ডিসিকে জামায়াতের এমপিদের ফুলেল শুভেচ্ছা: মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • উপকূলীয় শিশু ও যুবদের মাঝে জার্সি বিতরণ ও খেলাধুলার উদ্ধুদ্ধকরণ
  • দেশসেরা সুস্বাদু আমে সয়লাব সাতক্ষীরার বাজার: গোবিন্দভোগ প্রতিমণ ১৬০০ টাকা