শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

নড়াইলে ‘ম্যানেজ’ করে চলছে অবৈধ ইটভাটা, পুড়ছে কাঠ

নড়াইল জেলার বিভিন্ন গ্রামে বেশ কয়েকটি অনুমোদনহীন ইটভাটায় কাঠ দিয়ে বছরের পর বছর ধরে ইট পোড়ানো হলেও তা বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে চলছে এসব অবৈধ ইটভাটা। সংশ্লিষ্টদের হাত করে এসব ভাটা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন ভাটা সংশ্লিষ্টরা।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী ইটভাটা স্থাপন করতে হাইব্রিড হফম্যান, জিগ-জ্যাগ, ভার্টিক্যাল শ্যাফট কিলন্ অথবা পরীক্ষিত নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের বিধান রয়েছে। তবে জেলার শিয়রবর, কাঠালতলা, আড়িয়ারা, কালনাঘাট বসুপটি, চৌগাছা, বুড়িখালিসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারের নীতিমালা তোয়াক্কা না করে অনুমোদন ও পরিবেশ অধিফতরের ছাড়পত্র ছাড়াই একাধিক ইটভাটা চলছে। সবগুলো ইটভাটায় লোকালয়ের পাশে এবং ফসলি জমিতে স্থাপন করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শালনগর ইউনিয়নের শিয়রবর গ্রামে হীরা ব্রিকসের মালিক আবুল হাসান মোল্লা প্রতিদিন শতশত মন কাঠ ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করছেন।

ভাটা শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপকালে গেছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে নসিমন, ট্রাক্টর, এবং ঘোড়ার গাড়িতে কাঠ সংগ্রহ করা হয়। আর সেই কাঠ দিয়েই বছরের পর বছর ধরে চলছে এই ইটভাটা।

নড়াইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানায়, লোহাগড়া উপজেলায় ২৫টি ইটভাটা আছে। যার মধ্যে জিকজ্যাক দু’টি, ফিক্সড পাঁচটি, টিন চিমনি আছে সতেরটির। এর বেশিরভাগই চলছে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র ছাড়া।

পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)-এর ১২ ও ৪(২) (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ফসলি জমিতে অথবা ফসলি জমির পাশে ইটভাটা স্থাপন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে লোকালয়ে এবং ফসলি জমিতে স্থাপিত লোহাগড়া উপজেলার এসব ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রশাসন অথবা পরিবেশ অধিদফতরের কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
তারা জানান, যারা ইটভাটা করছেন তারা প্রভাবশালী। এ কারণে ইটভাটার ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হলেও মানুষ ভয়ে কিছু বলছে না।

অনুমোদন ছাড়াই কিভাবে ভাটা চলছে জানতে চাইলে শালনগর ইউনিয়নের শিয়রবর গ্রামে প্রায় ৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থাপিত মেসার্স হীরা ব্রিকসের মালিক আবুল হাসান মোল্লা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করেই ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রতিদিন শতশত মণ কাঠ পুড়িয়ে পরিবেশ ধ্বংস বন্ধে জেলা প্রশাসন কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) আঞ্জুমান আরা বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যহত থাকবে। আমরা প্রতিবছরই অবৈধ ইটভাটা কখনও ভেঙে দিয়ে আসি। কখনও কখনও জরিমানা করি। আমরা গতবছরই তাদের সতর্ক করেছিলাম, এবছর কেউ অবৈধভাবে ভাটা চালু করবে না।’

এরপরও যদি কেউ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ভাটা চালু করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু

বাংলাদেশিদের জন্য প্রায় ২ বছর পর আগামী ২৮ জুন ট্যুরিস্ট ভিসা চালুবিস্তারিত পড়ুন

জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর : প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী মাস (জুলাই) থেকেবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় নবনির্মিত সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পরিদর্শন এবং পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ (O&M) বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় নবনির্মিত সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পরিদর্শন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ এবংবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় স্কুল শিক্ষকদের ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (ToT) কর্মশালা অনুষ্ঠিত
  • মামলা জটে আটকে ৩২৫০০ প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী
  • হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পাঁচ লাখ টাকা দিলেন ডিসি সারওয়ার
  • মিছিলের প্রস্তুতিকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মী আটক
  • একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ
  • কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার
  • আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কিনা সেটি নির্ধারিত হবে আদালতে: ডা. জাহেদ
  • ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ তারেক রহমানকে নিয়ে ভিডিওতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
  • আগামী দুবছর ‘কঠিন’ যাবে, সতর্ক করলেন অর্থমন্ত্রী
  • ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ
  • চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী
  • ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার