মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

পহেলা বৈশাখের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’, প্রথম পর্যায়ে ৯ ইউনিয়নে

কৃষকদের জন্য বহুল আলোচিত ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম আগামী পহেলা বৈশাখের মধ্যে চালু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন-উর রশীদ। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পাইলট প্রকল্প শুরু করা সম্ভব হবে এবং পরবর্তীতে তা সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কৃষক কার্ড চালু নিয়ে গঠিত কমিটির সভা শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। সভায় কৃষিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষক কার্ডের সর্বশেষ অগ্রগতি কি জানতে চাইলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করছি যে ইনশা আল্লাহ আমরা ট্রেনে। আগামী পহেলা বৈশাখের মধ্যে শুরু করার চিন্তা করছি এবং আশা করি পারব।

এটা কি আপনারা সারাদেশে করবেন, না কোনো পাইলট বেসিসে করবেন? আপনার কতটা উপজেলা চালু করবেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু হবে। প্রথম পর্যায়ে ৯টা উপজেলায় মধ্যে যাবে। ৯টা উপজেলার ৯টা ইউনিয়নের কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি নির্বাচিত উপজেলার নির্দিষ্ট ইউনিয়নে পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

এই কার্ডের মাধ্যমে কি কি সুবিধাগুলো পাবে কৃষকরা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, প্রান্তিক ও একেবারে ক্ষুদ্র কৃষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হবে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। শুরুতে প্রান্তিক কৃষকদের কিছু বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে, যা অনেকটা ফ্যামিলি কার্ডের আদলে পরিচালিত হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃষক কার্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো—উৎপাদন, ভোক্তা, কৃষিজমি, কৃষিপণ্য ও বিভিন্ন জাতের তথ্যকে একটি নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থার আওতায় আনা। এর ফলে কৃষকরা সহজে সরকারি সহায়তা পাবেন এবং সরকারের কাছেও কৃষি খাতের সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য থাকবে।

কৃষকরা কি বিনামূল্যে সার ও বীজ পাবেন এই কার্ডে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিনামূল্যে সার ও বীজ দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে একেবারে দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষেত্রে এ সুবিধা দেওয়া হবে কি না—তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে আজকের সভায় বিস্তারিত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গেছে।

কাদের প্রকৃত কৃষক হিসেবে চিহ্নিত করবেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, যারা সরাসরি উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত—তারাই এই প্রকল্পে কৃষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। প্রকৃত ও সক্রিয় কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য ডাটাবেজ তৈরি করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

একই রকম সংবাদ সমূহ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ জেহাদের পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর পুলিশের গুলিতে শহীদ কে.বিস্তারিত পড়ুন

চারদিনের সফরে ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

চারদিনের সফরে আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরেবিস্তারিত পড়ুন

রাষ্ট্রের সংকট সমাধানে তরুণদের প্রশ্ন ও মতামত জরুরি: রিজভী

সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকট চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করতে তরুণদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশ অন্য দেশের অংশীদার হতে চায়, নির্ভরশীল নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী, বাস্তবায়নে সহায়তার আশ্বাস
  • বাংলা কিউআরে বছরে ২ লাখ কোটি টাকা বাড়তি রাজস্বের সম্ভাবনা
  • উড্ডয়নের পর খুলে পড়ল বিমানের চাকা, ঢাকায় জরুরি অবতরণ
  • দেশে মাদক মহামারি আকার ধারণ করছে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
  • স্বাস্থ্য খাতের বাজেট প্রায় দ্বিগুণ করেছে সরকার: চিফ হুইপ
  • বেসরকারি শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী
  • দুই মাসে সারা দেশে ১ হাজার খেলার মাঠ স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক বা কাল, হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
  • আমরা ভারতবিরোধী না, আধিপত্যবাদ বিরোধী: আসিফ মাহমুদ
  • শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণে মায়ের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেই প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
  • পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে ভারতকে ছাড় দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী