বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

পিলখানা ট্র্যাজেডি: চাপা কষ্ট বয়ে বেড়াচ্ছেন স্বজনরা

আলোচিত বিডিআর বিদ্রোহের (পিলখানা ট্র্যাজেডি) ১৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে বিপথগামী সদস্যরা কিছু দাবি-দাওয়া আদায়ের নামে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও নির্মম হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে তাণ্ডব চালায়। এতে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

এদিকে দেশের ইতিহাসে ভয়ংকর এ হত্যাকাণ্ডে প্রিয়জন হারানো মানুষগুলো দেড় দশক বুকে চাপা কষ্ট বয়ে বেড়াচ্ছেন। তারা বলছেন, খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা হলে পিলখানায় শহিদদের আত্মা শান্তি পাবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব বিচার শেষ করে সাজা কার্যকর করা হোক। সরকার খুঁজে বের করুক হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যের ইন্ধনদাতা কারা ছিল।

সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় আজ সকাল ৯টায় বনানীর সামরিক কবরস্থানে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব ও বিজিবি মহাপরিচালক এবং শহিদদের পরিবারের সদস্যরা পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম বলেন, শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় পিলখানায় দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়েছে। দিনটি পালন উপলক্ষে বিজিবির যেসব স্থানে রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন হয়, সেসব স্থানে পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং বিজিবির সব সদস্য কালো ব্যাজ ধারণ করবেন।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদরদপ্তর পিলখানাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহ হয়। পিলখানায় নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মোট ৭৪ জন। ওই ঘটনায় ২০০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা হয়। এর মধ্যে হত্যা মামলায় ৮৫০ জনকে আসামি করা হয়। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর এ মামলার রায়ে ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টে আপিলের রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। আটজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন ও চারজনকে খালাস দেওয়া হয়। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ পাওয়া ১৬০ জনের মধ্যে ১৪৬ জনের সাজা বহাল রাখা হয়। হাইকোর্টের রায়ের পর দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ২০৬ আসামি পৃথকভাবে ৫৩টি আপিল ও লিভ টু আপিল করেন।

অন্যদিকে হাইকোর্টের রায়ে খালাস পাওয়া এবং সাজা কমানো ৮৩ আসামির বিষয়ে ২০টি লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এসব আপিল ও লিভ টু আপিল শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। আর ২০১১ সালে শুরু হওয়া বিস্ফোরক আইনের মামলার বিচার সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নাশকতা ঘটিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতেবিস্তারিত পড়ুন

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ঐক্যবদ্ধ: রিজভী

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ও গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ রয়েছেবিস্তারিত পড়ুন

বিচার নিশ্চিত না করলে মেয়াদ শেষ করতে পারবে না সরকার : নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি

জুলাই হত্যাকাণ্ড ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদিসহ বিভিন্ন আলোচিতবিস্তারিত পড়ুন

  • সংসদ সদস্যদের প্রতি স্পিকারের কড়া নির্দেশনা
  • ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদারের পদত্যাগ
  • বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের
  • ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার
  • জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধ : ৭ মামলায় ৫৯ জনের সাজা, মৃ’ত্যুদণ্ড ১৩ জনের
  • মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী
  • বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করবেন দীনেশ ত্রিবেদী
  • অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ: স্পিকার
  • ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক: চিফ প্রসিকিউটর
  • আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যেকোনো কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণা র‍্যাবের
  • জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে সরকারের ‘সংশয়-অবজ্ঞা’ দেখছে সুজন
  • বাংলাদেশি ‘ফুটবলপ্রেমীদের’ নিয়ে পরিকল্পনা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত