বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সংসদে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫০ আসন চায় হিন্দু মহাজোট

জাতীয় সংসদে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন রাখা ও পৃথক নির্বাচনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট।

গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে সংগঠনের নেতারা এসব দাবি জানান।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী সভাপতি দীনবন্ধু রায়ের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, প্রধান সমন্বয়কারী বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, সিনিয়র সহসভাপতি প্রদীপ কুমার পাল, প্রেসিডিয়াম মেম্বার অভয় কুমার রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক প্রতিভা বাগচী, যুগ্ম-মহাসচিব নকুল কুমার মণ্ডল, দফতর সম্পাদক কল্যাণ মণ্ডল, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অচ্যুতানন্দ ঘরামী, প্রচার সম্পাদক বিপ্লব মিত্র প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিভিন্ন সময় নির্যাতনসহ নানান কারণে দেশের হিন্দু সম্প্রদায় দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। ফলে দেশ হিন্দুশূন্য হওয়ার পথে। অথচ সংখ্যালঘু সমস্যা সমাধানে জাতীয় সংসদ সব সময় নীরব ভূমিকা পালন করছে। অর্থাৎ হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করার মতো কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে নেই বললেই চলে।

তারা আরও বলেন, একটি সমাজকে সুরক্ষার জন্য যা যা আইন দরকার, সেসব আইন দেশে থাকলেও রাজনৈতিক কারণে সেগুলোর বাস্তবায়ন হয় না। দেশে মানবাধিকার কমিশনও আছে। অতীতেও বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন সময় বহু কমিশন হয়েছে। কিন্তু সেসব কমিশনের ফল শূন্য। বক্তারা আরও বলেন, পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে সংখ্যালঘুদের জন্য পৃথক নির্বাচনব্যবস্থার মাধ্যমে ৭২টি আসন সংরক্ষিত ছিল। যার মধ্যে হিন্দু ৬৯, বৌদ্ধ ২ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায় একজন প্রতিনিধি সরাসরি নির্বাচিত করতে পারত। পরে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী মানসিকতার কারণে সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসনব্যবস্থা সুকৌশলে তুলে নেয়। জাতীয় সংসদে সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি এখন জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে তারা আরও বলেন, যেহেতু দেশের হিন্দু সম্প্রদায় স্বাধীনতার আগে থেকেই সব নির্বাচনে নিঃস্বার্থ ও একচেটিয়াভাবে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে সরকার গঠনে সহযোগিতা করে আসছে; সে কারণে হিন্দু সম্প্রদায় আশা করছে বিশ্বস্ততার প্রতিদান হিসেবে বর্তমান সরকার আগামী সংসদ অধিবেশনে হিন্দু সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দাবির বিল উত্থাপন ও পাস করবে। তা না হলে দেশের হিন্দু সম্প্রদায় ভোট বর্জনের মতো কর্মসূচি নিতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জামিন পেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে: গাজী নজরুলের বিষয়ে বিচারক

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজীবিস্তারিত পড়ুন

দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য আওয়ামী লীগ ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন

আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য আওয়ামী লীগ ভারতে বসে ষড়যন্ত্রবিস্তারিত পড়ুন

হাসানুল হক ইনুর সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি হাসানুল হকবিস্তারিত পড়ুন

  • জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
  • শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের প্রশ্নে বিশদ ব্যাখা দিলেন ত্রিবেদী
  • ট্রাম্পের নৈশভোজের উচ্ছ্বসিত ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • জানুয়ারিতে নতুন বই, প্রাথমিকে দেওয়া হবে ইউনিফর্ম: শিক্ষামন্ত্রী
  • ভোটে নির্বাচিত সরকারকেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • নিজ বাসভবনের ছাদের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২শ’ ইউনিট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : মীর শাহে আলম
  • অপতথ্য রোধে তরুণদের সচেতন হতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
  • ‘আমি আওয়ামী লীগার না, আমি হেলমেট পরব না’, প্রিজন ভ্যান থেকে আখতারুজ্জামান
  • জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার
  • তিন মাসের মধ্যে কিশোর গ্যাং উৎখাত করা হবে: চিফ হুইপ
  • দলীয় পরিচয়ে অপকর্মে জড়ালে কোনো ছাড় নয়: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
  • ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে এবার বিএনপি থেকে পদত্যাগের নির্দেশ