বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সাতক্ষীরার সুন্দরবনের জীব বৈচিত্র্য রক্ষা ও পর্যটন বিকাশে মন্ত্রীর কাছে পত্র প্রদান

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার সুন্দরবনের জীব-বৈচিত্র্য সুরক্ষার মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের গতিশীলতাকে তরান্বিত করার দাবীতে পত্র প্রদান করেছে সাতক্ষীরা জেলা সমিতি। গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকাস্থ সাতক্ষীরা জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাসুদ।

সাক্ষাৎকালে সাতক্ষীরা জেলা সমিতির পক্ষে জীব বৈচিত্র সুরক্ষা ও পরিবেশ ভারসাম্য বজায় রাখার মাধ্যমে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের সুরক্ষা ও সুন্দরবনভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজমকে আরো গতিশীল করতে মন্ত্রীর সুদৃষ্টি ও আশু পদক্ষেপ কামনা করে সমিতির পক্ষে চিঠি হস্তান্তর করা হয়।

এসময় মন্ত্রীকে সাতক্ষীরার সুন্দরবন পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান। এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান এমপি সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাত করে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীক পর্যাটন শিল্প সম্প্রসারনের অনুরোধ জানানো হয়। সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের একটা বড় অংশ রয়েছে।

তাছাড়া রয়েছে নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন ও স্থাপনা। বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের মোট আয়তন ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার পড়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনকে প‚র্ব ও পশ্চিম বন বিভাগ নামে ভাগ করা হয়েছে। বাগেরহাট ও বরিশাল অংশ প‚র্ব বন বিভাগ আর খুলনা ও সাতক্ষীরার অংশ পশ্চিম বন বিভাগ নামে পরিচিত।

সাতক্ষীরার জেলার মোট আয়তন ৩ হাজার ৮৫৮.৩৩ বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে প্রায় এক-তৃৃতীয়াংশেরও (১ হাজার ৪৪৫.১৮ বর্গকিলোমিটার) বেশি সুন্দরবন। এ বন ঘেঁষে সাতক্ষীরার অবস্থান হওয়ায় সড়কপথ দিয়েই সুন্দরবন দেখা যায়। একদিকে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, কুমির, বানর, হরিণসহ বিভিন্ন পশুপাখির সমাহার, অন্যদিকে, বনের গভীর নিরবতা খুব সহজেই পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

সুন্দরবনকে ঘিরে এ এলাকায় পর্যটন শিল্পের দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। অর্থনীতিতে এ বনের রয়েছে গুরুত্বপ‚র্ণ ভ‚মিকা। আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে সুন্দরবনের অবদান বছরে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।

তবে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য এখন সঙ্কটাপন্ন। জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ, অনিয়ত্রিতভাবে গাছকাটা, সচেতনতার অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে বনের অনেক মূল্যবান প্রাণিসম্পদ। জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বনের গুরুত্ব অপরিসীম। বন ছাড়া জীববৈচিত্র্য তার অস্তিত্ব টিকে রাখতে পারে না। উদ্ভিদ ও প্রাণী তথা জীববৈচিত্র্যের একমাত্র আশ্রয়স্থল হচ্ছে বন। মন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনার আস্বাস দেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় নৈতিক শিক্ষায় গুরুত্বারোপ সাতক্ষীরার নবাগত ডিসির

কলারোয়ায় বাল্যবিবাহ, মাদকদ্রব্য, ইভটিজিং ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতবিস্তারিত পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আ.লীগের উত্থাপিত প্রশ্ন নাকচ জাতিসংঘের

বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থাবিস্তারিত পড়ুন

পদত্যাগ ইস্যুতে নিজের অবস্থান তুলে ধরলেন দীপেন দেওয়ান

ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে পদত্যাগ করে হঠাৎ আলোচনায় আসেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কবিস্তারিত পড়ুন

  • এখনও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল
  • বেতন দ্বিগুণের পথে, নতুন পে-স্কেল নিয়ে জোর প্রস্তুতি
  • বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচার করতে পারে বিটিভি
  • জামিন পেয়ে কারামুক্ত সাবেক মেয়র আইভী
  • ভারত ‘খুনি রাষ্ট্র’ এবং বিএসএফ ‘খুনি বাহিনী’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
  • বিদ্যুতের দাম বাড়লো
  • এবার বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা
  • জ্বালানি তেল সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা
  • শ্রিম্প হ্যাচারী এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সেব এর জরুরী সাধারণ সভা
  • পুশব্যাক চেষ্টা ব‍্যর্থ : বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ মুখোমুখি অবস্থানে
  • ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রাক-প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় নিহত ৫, সবাই যশোরের
  • মশক নিধন সফরে বাধা: ‘ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ চসিক মেয়রের!