বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সাতক্ষীরার সুন্দরবনের জীব বৈচিত্র্য রক্ষা ও পর্যটন বিকাশে মন্ত্রীর কাছে পত্র প্রদান

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার সুন্দরবনের জীব-বৈচিত্র্য সুরক্ষার মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের গতিশীলতাকে তরান্বিত করার দাবীতে পত্র প্রদান করেছে সাতক্ষীরা জেলা সমিতি। গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকাস্থ সাতক্ষীরা জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাসুদ।

সাক্ষাৎকালে সাতক্ষীরা জেলা সমিতির পক্ষে জীব বৈচিত্র সুরক্ষা ও পরিবেশ ভারসাম্য বজায় রাখার মাধ্যমে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের সুরক্ষা ও সুন্দরবনভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজমকে আরো গতিশীল করতে মন্ত্রীর সুদৃষ্টি ও আশু পদক্ষেপ কামনা করে সমিতির পক্ষে চিঠি হস্তান্তর করা হয়।

এসময় মন্ত্রীকে সাতক্ষীরার সুন্দরবন পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান। এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান এমপি সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাত করে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীক পর্যাটন শিল্প সম্প্রসারনের অনুরোধ জানানো হয়। সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের একটা বড় অংশ রয়েছে।

তাছাড়া রয়েছে নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন ও স্থাপনা। বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের মোট আয়তন ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার পড়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনকে প‚র্ব ও পশ্চিম বন বিভাগ নামে ভাগ করা হয়েছে। বাগেরহাট ও বরিশাল অংশ প‚র্ব বন বিভাগ আর খুলনা ও সাতক্ষীরার অংশ পশ্চিম বন বিভাগ নামে পরিচিত।

সাতক্ষীরার জেলার মোট আয়তন ৩ হাজার ৮৫৮.৩৩ বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে প্রায় এক-তৃৃতীয়াংশেরও (১ হাজার ৪৪৫.১৮ বর্গকিলোমিটার) বেশি সুন্দরবন। এ বন ঘেঁষে সাতক্ষীরার অবস্থান হওয়ায় সড়কপথ দিয়েই সুন্দরবন দেখা যায়। একদিকে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, কুমির, বানর, হরিণসহ বিভিন্ন পশুপাখির সমাহার, অন্যদিকে, বনের গভীর নিরবতা খুব সহজেই পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

সুন্দরবনকে ঘিরে এ এলাকায় পর্যটন শিল্পের দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। অর্থনীতিতে এ বনের রয়েছে গুরুত্বপ‚র্ণ ভ‚মিকা। আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে সুন্দরবনের অবদান বছরে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।

তবে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য এখন সঙ্কটাপন্ন। জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ, অনিয়ত্রিতভাবে গাছকাটা, সচেতনতার অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে বনের অনেক মূল্যবান প্রাণিসম্পদ। জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বনের গুরুত্ব অপরিসীম। বন ছাড়া জীববৈচিত্র্য তার অস্তিত্ব টিকে রাখতে পারে না। উদ্ভিদ ও প্রাণী তথা জীববৈচিত্র্যের একমাত্র আশ্রয়স্থল হচ্ছে বন। মন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনার আস্বাস দেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

তালায় বাড়িতেই মজুত নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক! ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

বাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক। র‌্যাবের অভিযানে প্রায় ৫ লাখবিস্তারিত পড়ুন

তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ: আবেদন যেভাবে, ফরম পাবেন যেখানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরওবিস্তারিত পড়ুন

বছরে ৫ হাজার তরুণকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে: মাহদী আমিন

তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের আওতায় গঠিত স্টার্টআপ তহবিল থেকে প্রতি বছরবিস্তারিত পড়ুন

  • জেলা পর্যায়েও সাইবার ইউনিট গঠন করবে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • একনেকে ৩ মেট্রোরেলসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন
  • ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড, পদদলিত হয়ে শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু
  • পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক ঢুকছে বাংলাদেশে: আইনমন্ত্রী
  • পুকুরে ডুবে সাতক্ষীরায় একই বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু
  • নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউপি ভোটে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন
  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরাও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন, যদি…
  • ২০২৮ সালের আগেই আরেকটি ভাসমান টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ: মাহদী আমিন
  • ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে তারা সঠিক মর্যাদা দিয়ে ইনভাইট করেনি: স্পিকার
  • ৭০ কিলোমিটারজুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার
  • হামের টিকা পেয়েছে এক কোটি ৯৭ লাখের বেশি শিশু
  • শিল্প-কলকারখানায় ‘আগের মতো’ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর