বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ইয়াবার টাকা না পেয়ে মায়ের পেটে কাঁচি ঢুকিয়ে দিলেন মেয়ে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে মাদক সেবনের টাকা না দেওয়ায় মেয়ের কাঁচির আঘাতে মা রহিমা বেগম (৫০) নিহত হয়েছেন। রোববার সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার আইয়ূবপুর ইউনিয়নের দশআনী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতের স্বামীর নাম বাবুল মিয়া। স্বামীর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রামে হলেও বিয়ের পর থেকে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকতেন। এ ঘটনায় ঘাতক মেয়ে পাপিয়া বেগমকে (২৭) আটক করেছে পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায়, আইয়ুবপুর ইউনিয়নের দশআনী গ্রামের করিম মিয়ার মেয়ে রহিমা বেগমের সঙ্গে বিয়ে হয় আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রাম বাবুল মিয়ার সাথে। বিয়ের পর থেকে স্বামীসহ বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন তিনি। তাদের দুই মেয়ে পাপিয়া ও পপি। বড় মেয়ে পাপিয়া বেগম( ২৭) প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দুই বছর আগে আইয়ুবপুর গ্রামের ইসহাক মিয়া নামের এক যুবককে বিয়ে করেন। কিন্তু ইসহাক মিয়ার পরিবার এই বিয়ে মেনে না নেওয়ায় তিনিও পাপিয়ার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পাপিয়া মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকের টাকার জন্য পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কলহ লেগেই থাকতো পাপিয়ার। তার স্বামী ইসহাকও মাদকাসক্ত।

পুলিশ জানায়, রোববার সকাল ছয়টার দিকে মার কাছে ইয়াবা কেনার জন্য টাকা চান পাপিয়া বেগম। এ নিয়ে মা-মেয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে পাপিয়া মায়ের পেটে কাঁচি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে তাকে প্রথমে দশআনী বাজারে বাবুল মিয়ার ফার্মেসিতে নেওয়া হয়। পরে তাকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রহিমা বেগমের ছোট মেয়ে পপি বলেন, সকালে আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ শব্দ শুনে উঠে দেখি পাপিয়া মার পেটে কাঁচি ঢুকিয়ে দিয়েছে। এসময় আমরা মাকে বাবুল ডাক্তারের দোকানে নিয়ে যাই। সেখানে ব্যান্ডেজ করে বাড়িতে নিয়ে আসলে তার অবস্থা খারাপ হওয়ার বাঞ্ছারামপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মা মারা যায়।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আতাউল করিম জানান, রহিমা বেগমকে হাসপাতালে আনার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখি তিনি আগেই মারা গেছেন।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি রাজু আহমেদ জানান, মেয়ের কেচির আঘাতে মা মারা যাওয়ার খবর পেয়ে আমরা অভিযান চালিয়ে ঘাতক পাপিয়াকে আটক করেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে এই পরিবারের অনেকেই মাদকসেবন করেন বলে শুনেছি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিসহ সবাইকে তল্লাশির নির্দেশ

ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিসহ সবার ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি সমানভাবে প্রয়োগবিস্তারিত পড়ুন

জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশা ২ হাজার মানুষকে খাওয়ালেন বৃদ্ধ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশার আয়োজন করে এলাকায় আলোচনার জন্মবিস্তারিত পড়ুন

ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করছে ধর্ম ব্যবসায়ীরা: বিএনপি নেতা ড. মনিরুজ্জামান

গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আয়োজিত বিএনপির আলোচনা সভায় দলটির জেলা যুগ্মবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরায় জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ তালা উপজেলা বিএনপি’র
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ
  • গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক জনগণ: প্রধানমন্ত্রী
  • গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন
  • ভারতে যাওয়ার সময় টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার
  • ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
  • সাতক্ষীরায় প্রতিবন্ধী যুবক ও বৃদ্ধা নানির পাশে ডিসি, পেলেন নগদ অর্থ ও টিন
  • সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • সব মোটরযানের জন্য বিআরটিএর কড়া নিষেধাজ্ঞা
  • ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়
  • দেশের সব মাদরাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল