বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ইয়াবার টাকা না পেয়ে মায়ের পেটে কাঁচি ঢুকিয়ে দিলেন মেয়ে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে মাদক সেবনের টাকা না দেওয়ায় মেয়ের কাঁচির আঘাতে মা রহিমা বেগম (৫০) নিহত হয়েছেন। রোববার সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার আইয়ূবপুর ইউনিয়নের দশআনী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতের স্বামীর নাম বাবুল মিয়া। স্বামীর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রামে হলেও বিয়ের পর থেকে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকতেন। এ ঘটনায় ঘাতক মেয়ে পাপিয়া বেগমকে (২৭) আটক করেছে পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায়, আইয়ুবপুর ইউনিয়নের দশআনী গ্রামের করিম মিয়ার মেয়ে রহিমা বেগমের সঙ্গে বিয়ে হয় আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রাম বাবুল মিয়ার সাথে। বিয়ের পর থেকে স্বামীসহ বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন তিনি। তাদের দুই মেয়ে পাপিয়া ও পপি। বড় মেয়ে পাপিয়া বেগম( ২৭) প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দুই বছর আগে আইয়ুবপুর গ্রামের ইসহাক মিয়া নামের এক যুবককে বিয়ে করেন। কিন্তু ইসহাক মিয়ার পরিবার এই বিয়ে মেনে না নেওয়ায় তিনিও পাপিয়ার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পাপিয়া মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকের টাকার জন্য পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কলহ লেগেই থাকতো পাপিয়ার। তার স্বামী ইসহাকও মাদকাসক্ত।

পুলিশ জানায়, রোববার সকাল ছয়টার দিকে মার কাছে ইয়াবা কেনার জন্য টাকা চান পাপিয়া বেগম। এ নিয়ে মা-মেয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে পাপিয়া মায়ের পেটে কাঁচি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে তাকে প্রথমে দশআনী বাজারে বাবুল মিয়ার ফার্মেসিতে নেওয়া হয়। পরে তাকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রহিমা বেগমের ছোট মেয়ে পপি বলেন, সকালে আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ শব্দ শুনে উঠে দেখি পাপিয়া মার পেটে কাঁচি ঢুকিয়ে দিয়েছে। এসময় আমরা মাকে বাবুল ডাক্তারের দোকানে নিয়ে যাই। সেখানে ব্যান্ডেজ করে বাড়িতে নিয়ে আসলে তার অবস্থা খারাপ হওয়ার বাঞ্ছারামপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মা মারা যায়।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আতাউল করিম জানান, রহিমা বেগমকে হাসপাতালে আনার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখি তিনি আগেই মারা গেছেন।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি রাজু আহমেদ জানান, মেয়ের কেচির আঘাতে মা মারা যাওয়ার খবর পেয়ে আমরা অভিযান চালিয়ে ঘাতক পাপিয়াকে আটক করেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে এই পরিবারের অনেকেই মাদকসেবন করেন বলে শুনেছি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সচিবালয় অভিমুখে শিক্ষার্থীদের লংমার্চ

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবিতে ঘোষিত ‘লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’বিস্তারিত পড়ুন

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিকূল আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে যারা কোনো বিষয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারেননিবিস্তারিত পড়ুন

চট্টগ্রাম ছাড়া সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষা চলবে

চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলা ছাড়া দেশের বাকি সব এলাকায় চলমান এইচএসসি ওবিস্তারিত পড়ুন

  • হাসিনার ফিরে আসার ঘোষণাকে স্বাগত জানাই: তথ্য উপদেষ্টা
  • শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ
  • মেধাবী উদ্যোক্তাদের ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সহযোগিতা দেবে সরকার
  • আশুলিয়ায় ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে যুবকের আঙুল বিচ্ছিন্ন
  • অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ৭ জেলায় বন্যা, প্রাণহানি বেড়ে ৪৪
  • নতুন নয়, বিদ্যমান কারিকুলামই পরিমার্জন করা হচ্ছে: মাহদী আমিন
  • প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ জন
  • বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ৯ বন্যা
  • ‘শেখ হাসিনা, আপনি এখনই দেশে ফিরে আসুন’
  • দেশে আগামী ১০০ বছরেও আর কোনো গণ–অভ্যুত্থান হবে না: রুমিন ফারহানা
  • আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ নিয়ে বৈঠক শুরু কাল, আলোচনা হবে নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে
  • ৯০ ভাগ সিসিইউ রাজধানীতে, প্রান্তিক মানুষ কীভাবে সেবা পাবে: ডা. জুবাইদা রহমান