বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৪

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ঈদ উপলক্ষ্যে ব্যস্ত সময় পার করছেন কলারোয়ার দর্জিরা

চলছে রমজান। দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ ও পহেলা বৈশাখ। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদ। ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। তবে এ আনন্দ ও খুশি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় নতুন পোশাক। তাই তো ঈদের সময় যতই ঘনিয়ে আসে, মার্কেটের পাশাপাশি মানুষের আনাগোনা বাড়তে থাকে দর্জিদের দুয়ারেও। এবারের ঈদুল ফিতর ঘিরেও এর ব্যতয় ঘটেনি।

এই ঈদকে সামনে রেখে নতুন নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দর্জি কারিগররা।

রোজার আগে থেকেই অর্ডার নেয়া হচ্ছে। আরও কিছুদিন অর্ডার নেয়া যাবে বলে জানিয়েছেন উপজেলার টেইলার্স মালিকরা।

ঈদকে সামনে রেখে এখন সেলাই মেশিনের শব্দে মুখর দর্জির পল্লী। বাহারি নকশার কাপড় বানাতে সেখানে ভিড় করছেন অনেকেই। উপজেলার দর্জি কারিগরদের দম ফেলার ফুসরত নেই এখন। অবশ্য ব্যস্ততা শুরু হয়েছে রোজার আগে থেকেই।

সরেজমিনে পৌর সদরের ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামের হাট-বাজারের দর্জি দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, ছোটবড় প্রতিটি দোকানেই সেলাই কাজের প্রচুর অর্ডার পাচ্ছেন কারিগররা। প্রত্যেক কারিগর দিনে তৈরি করছে প্রকার ভেদে ৬ থেকে ৮টি অর্ডার করা পোশাক। সামনে ঈদ তাই রুজি-রোজগারের একমাত্র সম্বলটি যেন একমুহূর্তের জন্যও বন্ধ রাখার সুযোগ নেই। নতুন করে অর্ডার এখনো চলছে বলে জানা গেছে।

চাহিদামতো নতুন পোশাক পেয়ে খুশি ক্রেতারাও। পছন্দমতো পোশাক বানাতে ক্রেতারা ছুটছেন টেইলার্সগুলোতে।

কলারোয়া পৌর সদরের নুর টেইলার্সের নুরুজ্জামান ও স্টাইল টেইলার্স, স্নেহা টেইলার্সের মালিক বলছেন, পছন্দের পোশাকের জন্য রেডিমেড থ্রিপিস ও থানকাপড় কিনে ক্রেতারা পাড়ি জমাচ্ছেন দর্জি দোকানগুলোতে। ক্রেতাদের পছন্দ মতো পোশাক বানাতে দিনরাত দোকান খোলা রেখে কাজ করছেন দর্জিরাও। আবার কোনো কোনো টেইলার্স কাজের চাপ সামলাতে মৌসুমি কারিগর এনেছেন বিভিন্ন এলাকা থেকে।

টেইলার্স মালিক নুরুজ্জামান বলেন, ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের পোশাক বানাতে অর্ডার বেশি। বিশেষ করে সুতি, সিল্ক, জর্জেট, কাপড়ের পোশাক বানানো হচ্ছে। এক সেট থ্রিপিস বানাতে মজুরি নেয়া হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত। শার্ট বানাতে মজুরি লাগছে ২০০-৩০০ টাকা, প্যান্ট বানাতে মজুরি লাগছে ৪০০-৫০০ টাকা।

বিভিন্ন মার্কেট ও স্থান ভেদে এসব মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে দর্জিরা জানান।

বাজারে নতুন পোশাক অর্ডার দিতে টেইলার্সের কাছে আসা কয়েকজন ক্রেতা বলেন, আর কিছুদিন পর আমাদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ছেলে মেয়েদের নতুন পোশাকের অর্ডার দিতে বাজারে আসছি। কিন্তু পোশাকের মজুরির যে দাম আমরা তাতে হিমশিম খাচ্ছি। আমরা যারা নিম্নআয়ের মানুষ আছি তাদের জন্য খুবই সমস্যা। পোশাকের দাম ও মজুরির দাম বাড়লেও আমাদের তো আর আয় বাড়েনি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় অনলাইন প্লাটফরম ব্যবহারের মাধ্যমে যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলায় কমিউনিটি পর্যায়ে, শিশু পাচার, বাল্যবিবাহ, নিরাপদ অভিবাসনসহ অনলাইনবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের উইকেয়ার প্রকল্পের মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের পশ্চিম অর্থনৈতিক করিডোর এবং আঞ্চালক বিকাশবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় দোকান ঘর ভাংচুর ও মালামাল লুট করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় দিনের বেলায় জমি দখল করতে দোকান ঘর ভাংচুর ওবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় আলতাফ হোসেন লাল্টুর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার মিছিল ও সমাবেশ
  • কলারোয়ায় ভেজাল আইসক্রীমে সয়লাব, শিশুরা মারাত্নক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে
  • কলারোয়া শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সম্পাদকসহ ৩পদে বিজয়ী যারা
  • কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাথে ওসির মতবিনিময় সভা
  • কলারোয়ায় বিছলিকাটা মেশিনে হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হলো এক শিশুর
  • কলারোয়ায় আম বাগানে বৃদ্ধের ঝুল*ন্ত লা*শ
  • কলারোয়ায় শিশুদের শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা
  • কলারোয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে স্ত্রীর আত্মহত্যা!
  • কলারোয়ায় চাকুরীজীবী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের সাধারণ সভা
  • সাতক্ষীরায় সেঁজুতি এমপির নগরঘাটার কাপাসডাঙ্গা ও কালীবাড়ির বাসন্তী পূজা প্ররিদর্শন
  • কলারোয়ায় তীব্র গরমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর দাবি
  • চুয়াডাঙ্গায় রেড এলার্ট জারি : সাতক্ষীরায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি