বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

এসসিও সম্মেলনে অংশ নিতে চীন পৌঁছেছেন মোদি

সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনে অংশ নিতে শনিবার চীন পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশটির তিয়ানজিন শহরে আয়োজিত এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি আগামী দুই দিন সেখানে অবস্থান করবেন। সাত বছরের মধ্যে এটাই তার প্রথম চীন সফর।

শনিবার (৩০ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।

আগস্ট ৩১ ও সেপ্টেম্বর ১—এই দুই দিনে অনুষ্ঠিত হবে এসসিও’র বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন। এতে ১০ সদস্য রাষ্ট্রের নেতারা যোগ দেবেন। এর পাশাপাশি রোববার মোদির সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-চীন সম্পর্কের বরফ কিছুটা গলতে শুরু করেছে।

এ ছাড়া ১ সেপ্টেম্বর মোদির সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনেরও বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এ সফর হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয় রপ্তানিপণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে। এর সঙ্গে রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে আরও শুল্কের চাপ আসে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, তবুও নয়াদিল্লি বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক খোলা রাখাকে বিকল্প সুযোগ হিসেবে দেখছে।

সফরটি ভারত-চীন সম্পর্কের সম্ভাব্য পুনঃস্থাপনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সীমান্তে ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্ক সবচেয়ে নিচে নেমে গিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক যোগাযোগে নতুন করে আস্থার জায়গা তৈরি হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

রাজনৈতিক টানাপোড়েন সত্ত্বেও চীন ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। পাশাপাশি ভারতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উচ্চাকাঙ্ক্ষা চীনা যন্ত্রাংশ ও কাঁচামালের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

এসসিও সম্মেলনটি নিজেই আন্তর্জাতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। মূলত সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও উগ্রপন্থার মোকাবিলার জন্য ২০০১ সালে এ সংগঠনের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে এটি পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন জোটগুলোর বিকল্প হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়েছে। ভারতের জন্য এতে অংশগ্রহণ মানে বহুমাত্রিক প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় থাকা, কোনো একটি জোটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর না করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তবে প্রত্যাশা এখনো সীমিত। কারণ চীনের পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সম্পর্ক এবং ভারত মহাসাগরে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নিয়ে নয়াদিল্লির দীর্ঘদিনের সন্দেহ রয়ে গেছে।

চীনের জন্য ভারত-সম্পর্ক উন্নয়ন মানে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন অবরোধ প্রচেষ্টা দুর্বল করা। আর ভারতের জন্য পশ্চিমা বিশ্ব ও বেইজিংয়ের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা মানে এক বহুমুখী জোটনীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা—যা ক্রমেই দ্বিমেরুতে বিভক্ত হয়ে পড়া বিশ্বে নয়াদিল্লির জন্য জরুরি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল,বিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশ সীমান্তে একাধিক আধুনিক স্থলবন্দর করবে ভারত

বাংলাদেশ ও নেপালের সঙ্গে বাণিজ্য এবং যাত্রী চলাচল আরও সহজ করতে পশ্চিমবঙ্গেবিস্তারিত পড়ুন

মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে বাঙালি মুসলমানদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে ভারত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম সীমান্ত দিয়ে বাঙালি মুসলিম জনগোষ্ঠীকে কোনো ধরনের আইনিবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশ সীমান্তে এলাকার জনমিতিক পরিবর্তন খতিয়ে দেখবে ভারত
  • ভারতের আসামে বিমানবাহিনীর এএন-৩২ বিধ্বস্ত, ঘাঁটির ভেতরেই আগুন
  • ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ
  • দিল্লির বৈঠক থেকে শান্তির বার্তা, একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার
  • বাংলাদেশে এসেই দুই দেশ এক করার কথা বললেন নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার
  • আমরা মিলেমিশে কাজ করব : ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
  • মমতার বিরুদ্ধে জোট করেছেন সায়নী ঘোষসহ ১৯ তৃণমূল এমপি!
  • ভারত রক্ষায় ঐক্যের ডাক রাহুল গান্ধীর
  • ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি শুভেন্দুর, তথ্য নাকচ বিজিবির
  • সংসদীয় দল ভেঙে বিজেপিকে সমর্থনের ঘোষণা তৃণমূলের ২০ এমপির
  • ভারতের তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে ভাঙনের সুর, যে কারণে মোদির সঙ্গ ছাড়লেন প্রভাবশালী নেতা
  • পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের ৫৮ বিধায়কের বিদ্রোহ, দল থেকে ‘মাইনাস’ মমতা ব্যানার্জি