বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

এসসিও সম্মেলনে অংশ নিতে চীন পৌঁছেছেন মোদি

সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনে অংশ নিতে শনিবার চীন পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশটির তিয়ানজিন শহরে আয়োজিত এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি আগামী দুই দিন সেখানে অবস্থান করবেন। সাত বছরের মধ্যে এটাই তার প্রথম চীন সফর।

শনিবার (৩০ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।

আগস্ট ৩১ ও সেপ্টেম্বর ১—এই দুই দিনে অনুষ্ঠিত হবে এসসিও’র বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন। এতে ১০ সদস্য রাষ্ট্রের নেতারা যোগ দেবেন। এর পাশাপাশি রোববার মোদির সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-চীন সম্পর্কের বরফ কিছুটা গলতে শুরু করেছে।

এ ছাড়া ১ সেপ্টেম্বর মোদির সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনেরও বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এ সফর হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয় রপ্তানিপণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে। এর সঙ্গে রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে আরও শুল্কের চাপ আসে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, তবুও নয়াদিল্লি বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক খোলা রাখাকে বিকল্প সুযোগ হিসেবে দেখছে।

সফরটি ভারত-চীন সম্পর্কের সম্ভাব্য পুনঃস্থাপনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সীমান্তে ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্ক সবচেয়ে নিচে নেমে গিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক যোগাযোগে নতুন করে আস্থার জায়গা তৈরি হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

রাজনৈতিক টানাপোড়েন সত্ত্বেও চীন ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। পাশাপাশি ভারতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উচ্চাকাঙ্ক্ষা চীনা যন্ত্রাংশ ও কাঁচামালের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

এসসিও সম্মেলনটি নিজেই আন্তর্জাতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। মূলত সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও উগ্রপন্থার মোকাবিলার জন্য ২০০১ সালে এ সংগঠনের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে এটি পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন জোটগুলোর বিকল্প হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়েছে। ভারতের জন্য এতে অংশগ্রহণ মানে বহুমাত্রিক প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় থাকা, কোনো একটি জোটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর না করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তবে প্রত্যাশা এখনো সীমিত। কারণ চীনের পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সম্পর্ক এবং ভারত মহাসাগরে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নিয়ে নয়াদিল্লির দীর্ঘদিনের সন্দেহ রয়ে গেছে।

চীনের জন্য ভারত-সম্পর্ক উন্নয়ন মানে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন অবরোধ প্রচেষ্টা দুর্বল করা। আর ভারতের জন্য পশ্চিমা বিশ্ব ও বেইজিংয়ের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা মানে এক বহুমুখী জোটনীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা—যা ক্রমেই দ্বিমেরুতে বিভক্ত হয়ে পড়া বিশ্বে নয়াদিল্লির জন্য জরুরি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, পুলিশের গুলিতে আসামি নিহত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ মহকুমার গাইঘাটায় এক নাবালিকা স্কুলছাত্রীকেবিস্তারিত পড়ুন

ভারতের পার্লামেন্টের কাছে স্বরাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয় ভবনে ভয়াবহ আগুন

নয়াদিল্লির পার্লামেন্ট ভবনের কাছে অবস্থিত সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভবন নর্থ ব্লকের ছাদেবিস্তারিত পড়ুন

মাথাপিছু আয়ে ভারতকে পেছনে ফেলছে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে এশিয়ারবিস্তারিত পড়ুন

  • শ্মশানের পাশে মোদির ছবি রেখে ‘কালো জাদু’, তদন্তে পুলিশ
  • কাজ বাঁচাতে জরায়ু কেটে বাদ দিচ্ছেন ভারতের আখ কাটা শ্রমিকরা
  • আসামে ১১০০ মুসলিম বাড়িঘর উচ্ছেদ, ভেঙে ফেলা হয়েছে ১০ মসজিদ
  • ককরোচদের ঠেকাতে আত্মপ্রকাশ করল ‘লাল হিট জনতা পার্টি’
  • কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ ভেঙে নিহত ১৮
  • ভারতে সরকারের পতন হবে গণতান্ত্রিকভাবে: অভিনেতা প্রকাশ রাজ
  • বাংলাদেশের আদলে সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র চলছে: ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
  • মমতা ও কেজরিওয়ালকে ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ
  • দিল্লিতে বাসার সামনে থেকে আটক সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল
  • এবার দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
  • দিল্লিতে আন্দোলন, বিমান থেকে আটক অভিজিৎ দিপকে
  • সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট