বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

এসসিও সম্মেলনে অংশ নিতে চীন পৌঁছেছেন মোদি

সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনে অংশ নিতে শনিবার চীন পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশটির তিয়ানজিন শহরে আয়োজিত এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি আগামী দুই দিন সেখানে অবস্থান করবেন। সাত বছরের মধ্যে এটাই তার প্রথম চীন সফর।

শনিবার (৩০ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।

আগস্ট ৩১ ও সেপ্টেম্বর ১—এই দুই দিনে অনুষ্ঠিত হবে এসসিও’র বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন। এতে ১০ সদস্য রাষ্ট্রের নেতারা যোগ দেবেন। এর পাশাপাশি রোববার মোদির সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-চীন সম্পর্কের বরফ কিছুটা গলতে শুরু করেছে।

এ ছাড়া ১ সেপ্টেম্বর মোদির সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনেরও বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এ সফর হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয় রপ্তানিপণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে। এর সঙ্গে রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে আরও শুল্কের চাপ আসে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, তবুও নয়াদিল্লি বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক খোলা রাখাকে বিকল্প সুযোগ হিসেবে দেখছে।

সফরটি ভারত-চীন সম্পর্কের সম্ভাব্য পুনঃস্থাপনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সীমান্তে ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্ক সবচেয়ে নিচে নেমে গিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক যোগাযোগে নতুন করে আস্থার জায়গা তৈরি হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

রাজনৈতিক টানাপোড়েন সত্ত্বেও চীন ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। পাশাপাশি ভারতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উচ্চাকাঙ্ক্ষা চীনা যন্ত্রাংশ ও কাঁচামালের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

এসসিও সম্মেলনটি নিজেই আন্তর্জাতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। মূলত সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও উগ্রপন্থার মোকাবিলার জন্য ২০০১ সালে এ সংগঠনের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে এটি পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন জোটগুলোর বিকল্প হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়েছে। ভারতের জন্য এতে অংশগ্রহণ মানে বহুমাত্রিক প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় থাকা, কোনো একটি জোটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর না করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তবে প্রত্যাশা এখনো সীমিত। কারণ চীনের পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সম্পর্ক এবং ভারত মহাসাগরে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নিয়ে নয়াদিল্লির দীর্ঘদিনের সন্দেহ রয়ে গেছে।

চীনের জন্য ভারত-সম্পর্ক উন্নয়ন মানে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন অবরোধ প্রচেষ্টা দুর্বল করা। আর ভারতের জন্য পশ্চিমা বিশ্ব ও বেইজিংয়ের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা মানে এক বহুমুখী জোটনীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা—যা ক্রমেই দ্বিমেরুতে বিভক্ত হয়ে পড়া বিশ্বে নয়াদিল্লির জন্য জরুরি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

‘পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফের‌তের বিষ‌য়ে ভারত সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়‌নি’ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ভারতে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

দিল্লির হাইকমিশনারের অনুমোদন: আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য অপেক্ষায় থাকতে বললেন শামা ওবায়েদ

নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত পরবর্তী হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়ামের নিয়োগে ভারতের সম্মতিরবিস্তারিত পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গে অনিয়মের অভিযোগে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ

বিভিন্ন অনিয়ম, গঠনতান্ত্রিক ত্রুটি এবং নিয়মবিধি না মানার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টিবিস্তারিত পড়ুন

  • ভারত থেকে নিজের মল-মূত্র সঙ্গে নিয়ে রাশিয়া ফিরবেন পুতিন!
  • ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা
  • ‘মুসলিমদের চেয়ে হিন্দুরাই বেশি গরুর মাংস খায়’ : অভিনেত্রী ‘ঝিলিক’ ওরফে তিথি বসু
  • ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না, অনুকূল পরিবেশ হলেই ভারত সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
  • কলকাতায় হোটেল পেতে সমস্যা, তবু নিউমার্কেটে বাংলাদেশিদের উপচেপড়া ভিড়
  • দিল্লিতে ছয়তলা ভবন ধস, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা শিক্ষার্থীদের ফোনে বাঁচার আকুতি
  • কলকাতায় রাস্তায় রাত কাটাচ্ছেন বাংলাদেশিরা
  • ভিসাপ্রত্যাশী বাংলাদেশিদের সতর্কবার্তা দিলো ভারতীয় হাইকমিশন
  • বাংলাদেশের সঙ্গে লাগোয়া চিকেনস নেকের নিরাপত্তায় ভারতের নতুন উদ্যোগ
  • কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা
  • ফেসবুক লাইভে মমতার বিস্ফোরক অভিযোগ
  • দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় মিললেই ভারত সফর করবেন তারেক রহমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী