বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় অনাবাদী জলাবদ্ধ জমিতে সাফল্যের ‘পানি ফল’

পানি ফল, দেখতে সিংড়ার মতো বলে স্থানীয়দের কাছে ফলটি পানি সিংড়া নামেও পরিচিত, খেতেও সুস্বাদু। সেই পানি ফল বা পানি সিংড়া চাষে সাফল্য পেয়েছেন সাতক্ষীরার কলারোয়ার বহু কৃষক। মূলত পতিত জলাবদ্ধ জমিতে এর চাষাবাদে ব্যাপক ফলন পরিলক্ষিত হচ্ছে গত কয়েক বছর ধরে। ফলে সাফল্য পেয়ে এই মৌসুমি পানি ফল চাষে অনেকে যেমন ঝুঁকছেন তেমনি পতিত ও জলাবদ্ধ জমিও কাজে লাগানো যাচ্ছে।

যশোর-সাতক্ষীরা আঞ্চলিক মহাসড়কের দু’ধারে পৌরসদরের গোপিনাথপুর ও যুগিবাড়ির কয়েকশত বিঘা জমি বছরের বেশিরভাগ সময় থাকতো জলাবদ্ধ। ফসল তেমন হতোই না। বাধ্য হয়ে কেউ কেউ ভেড়িবাঁধ দিয়ে মাছ চাষের ঘের তৈরি করেছে। তবে অনেকে সেটাও পারেনি। ফলে বেশির জমি থাকতো অনাবাদী। সেই অনাবাদী ও জলাবদ্ধ জমিতে পানি ফল বা পানি সিংড়া চাষাবাদে সাফল্য পাচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকেরা। এখন সেই জলাবদ্ধ পতিত জমিতে শোভা পাচ্ছে পানি ফলের গাছ। প্রতিদিন ভোরে নারী-পুরুষ হাটুপানিতে বা কোমরপানিতে নেমে ফল তুলছেন। দিনভর সেখানে যশোর-সাতক্ষীরা আঞ্চলিক মহাসড়কের ধারে বসে পানি ফল বা পানি সিংড়া বিক্রি করতে দেখা যায়। আর ক্ষুদ্র মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ভ্যান, ইজিবাইক বা অন্য যানবাহানে বস্তায় ভরে এই পানি ফল বিক্রির জন্য নিয়ে যান অন্যত্র। এছাড়াও এই পানি ফল বা পানি সিংড়া চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়।

পলাশ, সঞ্জু, সিয়াম, রাসেলসহ অনেকে জানান, উপজেলার পতিত জমিতে পানি ফলের চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মূলত কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় এ ফল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন এখানকার কৃষকরা।

তারা জানান, প্রতি বছর বোরো ধান কাটার পর সেখানকার পতিত জমিতে পানি জমে থাকে। সেই জলাবদ্ধ জমি ও আশপাশের ডোবাসহ খাল-বিলের জমে থাকা পানির মধ্যে এই ফলের লতা রোপণ করা হয়। তিন থেকে সাড়ে তিন মাসের মধ্যে গাছে ফল আসে। এ ফল চাষে সার-কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না।

পানি ফল চাষি ওসমান, তৌহিদ, আবুল, কাদের, কবিরসহ কয়েকজন জানান, সরকারি-বেসরকারি খাত থেকে ঋণ সহায়তা পেলে আরো অনেক প্রান্তিক কৃষক পানি ফল চাষের সুযোগ পেতে পারেন। ফলে জলাবদ্ধ ও পতিত জমি আর অনাবাদী থাকবে না, মানুষের আর্থিক স্বচ্ছলতা ও গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হতে পারে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শুভ্রাংশু শেখর দাস জানান, পানি ফল সম্ভাবনাময় ফসল। এটি বর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ। উপজেলায় চলতি বছর প্রায় ৩৮ হেক্টর পতিত জমিতে পানিফল চাষ হয়েছে। পানিফলের পুষ্টির মান অনেক বেশি।
তিনি আরো জানান, যেকোনো পতিত পুকুর, ডোবা অথবা জলাশয়ে পানি ফল চাষ করা সম্ভব। এর উৎপাদন খরচও কম।

একই রকম সংবাদ সমূহ

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল,বিস্তারিত পড়ুন

নিজ দল থেকে মমতার বিদায়, তৃণমূলের চেয়ারম্যান হলেন অরূপ রায়

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের পর এক সময় যা কল্পনাতেও ভাবা কঠিন ছিল, শেষবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশ সীমান্তে একাধিক আধুনিক স্থলবন্দর করবে ভারত

বাংলাদেশ ও নেপালের সঙ্গে বাণিজ্য এবং যাত্রী চলাচল আরও সহজ করতে পশ্চিমবঙ্গেবিস্তারিত পড়ুন

  • পেনশন-অবসর সুবিধায় বড় পরিবর্তন : একাধিক সুবিধা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন
  • মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে বাঙালি মুসলমানদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে ভারত
  • বাংলাদেশ সীমান্তে এলাকার জনমিতিক পরিবর্তন খতিয়ে দেখবে ভারত
  • ভারতের আসামে বিমানবাহিনীর এএন-৩২ বিধ্বস্ত, ঘাঁটির ভেতরেই আগুন
  • ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ
  • এই বাজেট সবার জন্য: অর্থমন্ত্রী
  • দিল্লির বৈঠক থেকে শান্তির বার্তা, একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার
  • বাংলাদেশে এসেই দুই দেশ এক করার কথা বললেন নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার
  • আমরা মিলেমিশে কাজ করব : ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
  • মমতার বিরুদ্ধে জোট করেছেন সায়নী ঘোষসহ ১৯ তৃণমূল এমপি!
  • ইসলামী ব্যাংকে কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ হয়নি, আতঙ্কিত হবেন না: গভর্নর
  • জাতির প্রত্যাশা পূরণের লক্ষেই এবারের বাজেট প্রণয়ন: অর্থমন্ত্রী