শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় পানি ফলের বাম্পার ফলন

মোস্তফা হোসেন বাবলু: কলারোয়া উপজেলার বেশ কিছু এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে পানিফল। চলতি মৌসুমে উপজেলার ৩২ হেক্টর জমিতে পানি ফলের চাষ হয়েছে। এই ফলের বাম্পার ফলন হওয়ায় হাসি ফুটেছে চাষীদের মুখে।

স্থানীয়দের কাছে এই ফল ‘পানি সিংড়া’ নামে পরিচিত। পানি ফল বেশ পুষ্টিকর ও সুস্বাদু।

কলারোয়া পৌর সদরের গোপিনাথপুর গ্রামের পানিফল চাষী আজিবার গাজী ও নাঈম হোসেন জানান, ২০০৮ সালে আজিবার নামে এক কৃষক পার্শ্ববর্তী উপজেলা কালিগঞ্জ থেকে বীজ এনে এই ফলের চাষ শুরু করেন। সেই থেকে ১৪ বছর ধরে কলারোয়ার পতিত ও জলাবদ্ধ জমিতে বাণিজ্যিকভাবে পানি ফল চাষ শুরু হয়েছে। কম খরচে অধিক লাভ ও পতিত জমি ব্যবহারের সুযোগ থাকায় কলারোয়া উপজেলায় ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এর চাষাবাদ।

স্থানীয়রা জানান, প্রথমে পানিফলের আবাদ শুরু হয় গোপিনাথপুর গ্রামের আকবর সরদারের জমিতে। এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, এমনকি বিভিন্ন গ্রামে। বর্তমানে উপজেলার গোপিনাথপুর, তেলকাড়া, গোয়ালচাতর, কুশোডাঙ্গা, মুরারিকাটি ও কেড়াগাছি এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে পানিফল। বাংলা ভাদ্র মাস থেকে আশ্বিন মাস পযন্ত চাষীরা পানিফলের আবাদ করেন। আর বেচাকেনা চলে বাংলা কার্তিক, অগ্রহায়ণ থেকে পৌষ মাস পর্যন্ত। যশোর সাতক্ষীরা মহাসড়কের কলারোয়া পৌরসদরের গোপিনাথপুর এলাকায় রাস্তার দু’ধারে দেখা মেলে পানি ফলের ক্ষেত। আর মহাসড়কের ধারেই পানিফল বেচতে বসে যান চাষীরা। পাওয়া যায় কলারোয়ার বাজার, বিভিন্ন মোড় ও ফুটপাতেও। বর্তমানে উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য জেলায়ও যাচ্ছে কলারোয়ায় উৎপাদিত পানিফল।

লতার মত গাছটির শেকড় নিচে থাকলেও পানির ওপরে ভেসে থাকে পাতাগুলো। অনেকটা কচুরিপানার মতো। আর ফলগুলোতে দুটি শিং-এর মত কাঁটা থাকে, তাই স্থানীয়দের কাছে এটি পানি সিংড়া নামে পরিচিত। ফলগুলো দেখতে সবুজ ও লাল হয়। খোসা ছাড়ালে বেরিয়ে আসে সাদা মিষ্টি সুস্বাদু আশ।

পৌর সদরের আয়জুল ও লাভলু, তাহিদুর রহমান, নাঈম ,ওসমান গনিসহ কয়েকজন চাষী জানান, জলাবদ্ধ জমিতে পানিফলের চাষাবাদ করা হয়। প্রতি বিঘা জমিতে পানিফল আবাদে ১২-১৫ হাজার টাকা খরচ হয়, আর ফল বিক্রি হয় প্রায় ৩৫-৪০ হাজার টাকার। এর চাষাবাদ বেশ লাভজনক।

তারা জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতি কেজি পানিফল ৪০-৪৫ টাকা দরে পাইকারী বিক্রি হয়। আর খুচরা বিক্রয় হয় ৫৫ টাকা দরে। দেশের অন্যান্য জেলায় পানিফলের চাষাবাদ হয় না। তাই মানুষ কম চেনে। কিন্তু স¤প্রতি সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলা থেকে এই ফল যশোর, ঢাকা, মানিকগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনা, বগুড়া, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে কলারোয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শুভ্রাংশ শেখর দাস বলেন, মৌসুমী ফল হলেও পানিফলের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এতে অনেক পতিত জমির ব্যবহার যেমন নিশ্চিত হচ্ছে, তেমনি কর্মসংস্থানও হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে পানিফল চাষে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় দোকান ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দোকান ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ICTবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা সীমান্তে ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্যসহ আটক ১

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ লাখবিস্তারিত পড়ুন

২৮ অক্টোবরের রক্তের চেতনা দলীয়করণের জন্য নয় : এমপি ইজ্জত উল্লাহ

“ন্যায্যতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সারের ডিলার নিয়োগ হওয়ার কথা থাকলেও সারাদেশে দলীয়করণবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় কিশোরী ও অভিভাবক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ
  • সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে সাড়ে ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
  • কারিগরি প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে কলারোয়ায় যুব ও ওস্তাদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়া জলাবদ্ধ-পতিত জমিতে শোভা পাচ্ছে পানিফল, ফিরছে কৃষকের সুদিন
  • কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা
  • সাতক্ষীরা সীমান্তে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার চোরাচালানি পণ্যসহ আটক ১
  • যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ার কুশোডাঙ্গায় পোস্টারিং কর্মসূচি
  • কলারোয়ায় সিসিডিবি’র সম্প্রীতি প্রকল্পের পরামর্শক কমিটি গঠন
  • কলারোয়া সীমান্তে সাড়ে ৭ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধ ও মোবাইল যন্ত্রাংশ জব্দ
  • কলারোয়ায় পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ৬ আসামি গ্রেফতার
  • কলারোয়ার ইসলামপুর (ব্রজবাকসা) মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রশিদ’র ইন্তেকাল