মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কীভাবে খামেনির অবস্থান খুঁজে পেল সিআইএ–ইসরায়েল

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর মধ্যে ঘনিষ্ঠ গোয়েন্দা তথ্য আদান–প্রদান হয়েছিল বলে জানিয়েছেন অভিযান–সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি। হামলার আগে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায়, যা হামলার সময়সূচি পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখে।

সূত্র জানায়, কয়েক মাস ধরে ইরান–এর সর্বোচ্চ নেতার অবস্থান ও চলাফেরা নজরদারিতে রেখেছিল সিআইএ। সংস্থাটি জানতে পারে, শনিবার সকালে তেহরান–এর কেন্দ্রস্থলে একটি গুরুত্বপূর্ণ কমপ্লেক্সে শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক হবে। সেখানে খামেনিসহ জাতীয় নিরাপত্তা ও সামরিক নেতৃত্ব উপস্থিত থাকার কথা ছিল।

এই তথ্য পাওয়ার পরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলার সময় পরিবর্তন করে। মূলত রাতের অন্ধকারে হামলার পরিকল্পনা থাকলেও বৈঠকের খবর পাওয়ার পর শনিবার সকালে আঘাত হানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইসরায়েলের ধারণা ছিল, বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন— মোহাম্মদ পাকপুর, প্রধান কমান্ডার, ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি); আজিজ নাসিরজাদেহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী; আলী শামখানি, মিলিটারি কাউন্সিলের প্রধান; সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি, অ্যারোস্পেস ফোর্স কমান্ডার; মোহাম্মদ শিরাজি, উপগোয়েন্দামন্ত্রী।

রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা নিশ্চিত করেছে, হামলায় আলী শামখানি ও মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়েছেন।

অভিযান শুরু হয় ইসরায়েল সময় ভোর ৬টার দিকে। যুদ্ধবিমানগুলো ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করে দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল নিশানার ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে। উড্ডয়নের প্রায় দুই ঘণ্টা পর, তেহরান সময় সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে কমপ্লেক্সে আঘাত হানে ক্ষেপণাস্ত্র।

খামেনি একটি ভবনে এবং জাতীয় নিরাপত্তা–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পাশের আরেকটি ভবনে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।

ইসরায়েলের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা দাবি করেন, এই হামলায় তারা ‘কৌশলগত চমক’ দিতে সক্ষম হয়েছে।

গত জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনার সময় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র জানে খামেনি কোথায় অবস্থান করছেন এবং চাইলে তাঁকে হত্যা করা সম্ভব।

সাবেক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, সে সময় ব্যবহৃত গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের তথ্যই সাম্প্রতিক অভিযানে কাজে লাগানো হয়েছে। গত বছরের ১২ দিনের সংঘাতের সময় খামেনি ও আইআরজিসির যোগাযোগ ও চলাফেরা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে।

খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় ইরানের নেতৃত্বে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে—কে হবেন তার উত্তরসূরি? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বে বড় রদবদল আসতে পারে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

আগস্টের শেষেই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

আগস্টের শেষে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ওবিস্তারিত পড়ুন

স্পেনের ছোট্ট গ্রাম ‘আভেইয়ানোসা দে মুয়োনো’-তে একসাথে দেখা যাবে দুই সূর্যাস্ত

স্পেনের উত্তরাঞ্চলীয় বার্গোস প্রদেশের ‘আভেইয়ানোসা দে মুয়োনো’ নামের মাত্র ১০ জন বাসিন্দারবিস্তারিত পড়ুন

শেখ হাসিনার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে থাকছেন সাকিব আল হাসান

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একই সংবাদ সম্মেলনের প্যানেলে যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশেরবিস্তারিত পড়ুন

  • বেনজীরকে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: জামিনে মুক্তির খবরে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • বেনজীরের জামিন বাতিলে কাজ করছে আমাদের ল’ফার্ম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ‘জামিনে মুক্ত’ বেনজীরকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • এক সপ্তাহে ১২ হাজারের বেশি প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি
  • ৫০ দেশের জন্য স্থায়ী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড
  • চীন-পাকিস্তানকে মোকাবেলায় ২০০ যুদ্ধজাহাজের নৌবহর গড়ার লক্ষ্য ভারতের
  • বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন ১০ বাংলাদেশি
  • একদিনেই তেলের দাম কমলো ২ শতাংশের বেশি
  • জাপানে ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে শপিংমল, বহু হতাহতের শঙ্কা
  • অপেক্ষার অবসান, ফ্রান্সের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জিদান
  • লন্ডনের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু: তদন্তে মিলল ভয়াবহ মাদক গ্রহণের প্রমাণ
  • মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেছেন যেসব দেশের রাষ্ট্রপতিরা