রবিবার, আগস্ট ৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে

কুমিল্লায় নানুয়ার দিঘির পাড়ের পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখা ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখা ওই ব্যক্তির নাম ইকবাল হোসেন (৩৫)।

তার বাবার নাম নূর আহমেদ আলম। তিনি কুমিল্লার সুজানগর এলাকার বাসিন্দা।
কুমিল্লার মণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে (ভিডিওতে)

২ মিনিটে পড়ুন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ইকবাল হোসেনকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন। বুধবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, পুলিশের একাধিক সংস্থার তদন্তে এটা সম্ভব হয়েছে। ইকবালকে গ্রেপ্তারে গত কয়েক দিন ধরে চলছে জোর অভিযান।

পুলিশ জানায়, রাত আড়াইটা থেকে ভোর সাড়ে ৬টার মধ্যে কুমিল্লার পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা হয়। সে সময়ই সরিয়ে নেওয়া হয় হনুমানের হাতে থাকা গদা। গদা নিয়ে চলে যাওয়ার একটি সিসিটিভি ফুজে সংগ্রহ করেছে পুলিশ।

ফুটেজে দেখা গেছে, রাত দুইটা ১০ মিনিটে দারোগাবাড়ির মসজিদ থেকে কিছু একটা হাতে নিয়ে বের হচ্ছেন এক যুবক। তার গতিবিধি সন্দেহজনক।

এর এক ঘণ্টা ২ মিনিট পর আরেকটা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কুমিল্লার নানুয়াদীঘি অস্থায়ী মণ্ডপের উত্তর-পূর্বদিকের রাস্তায় ঘোরাফেরা করছেন ওই ব্যক্তি। তার কাঁধে ছিল হনুমানের হাতে থাকা গদা। পুলিশ, পূজামণ্ডপ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাত আড়াইটা থেকে ভোর সাড়ে ৬টার মধ্যে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক ঘটনাটি ঘটে।

উল্লেখ্য, শারদীয় দুর্গাপূজার মহাঅষ্টমীর দিন গত বুধবার (১৩ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লা শহরের নানুয়াদিঘির উত্তরপাড়ে দর্পণ সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন দেখা যায়। এরপর কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে ওই মণ্ডপে হামলা চালায় একদল লোক। সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়।

পড়ুন আরও: চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তার ৮৪

এ ঘটনার জের ধরে ওই দিন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা করতে যাওয়া একদল ব্যক্তির সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সেখানে নিহত হন চারজন। পরদিন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে হিন্দুদের মন্দির, মণ্ডপ ও দোকানপাটে হামলা–ভাঙচুর চালানো হয়। সেখানে হামলায় নিহত হয়েছিলেন দুইজন। এরপর রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু বসতিতে হামলা করে ভাঙচুর, লুটপাট ও ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। হিন্দুদের মন্দির–মণ্ডপসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা হয়েছে দেশের আরও অনেক এলাকায়।

কুমিল্লা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবারের ওই ঘটনার পর গত এক সপ্তাহে ঢাকা ও কুমিল্লা পুলিশের কয়েকটি দল তদন্তে নামে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর ইকবাল হোসেনের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

পুলিশ বলছে, ইকবাল হোসেন ভবঘুরে। তার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে কি না সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেছেন, আগামীকাল এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

দেবহাটা-কালিগঞ্জ ভূমিহীন সংগ্রাম কমিটির নতুন কমিটি, জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ

দেবহাটা-কালিগঞ্জ ভূমিহীন সংগ্রাম কমিটির নতুন কমিটির নেতারা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো.বিস্তারিত পড়ুন

জাতীয় অনূর্ধ্ব-২১ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক রাজগঞ্জের কালাম সিদ্দিকি অলিন

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অনূর্ধ্ব-২১ দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন যশোরের মণিরামপুর উপজেলারবিস্তারিত পড়ুন

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের নাম প্রায় চূড়ান্ত!

বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়নবিস্তারিত পড়ুন

  • বিরোধী দল হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল
  • তরুণ নারীরা নেতৃত্বের সুযোগ পেলে শক্তিশালী হবে দেশের ভবিষ্যৎ : জুবাইদা রহমান
  • হেফাজত আমিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
  • দেশের প্রকৌশলীদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর
  • বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরা পেলো নতুন বাড়ির চাবি
  • সমুদ্র উপকূলে কল-কারখানা স্থাপন করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে : বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রী
  • মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী অলি আহমদ
  • চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
  • বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিসহ সবাইকে তল্লাশির নির্দেশ
  • জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশা ২ হাজার মানুষকে খাওয়ালেন বৃদ্ধ
  • ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করছে ধর্ম ব্যবসায়ীরা: বিএনপি নেতা ড. মনিরুজ্জামান