রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে অস্ত্র কারখানা সন্ধান র‍্যাবের, গ্রেপ্তার ৬

কক্সবাজারে দুর্গম পাহাড়ে অস্ত্র কারখানার সন্ধান পেয়েছে র‍্যাব। এসময় ছয় ডাকাতকে গ্রেপ্তার, বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় জেলার টেকনাফ উপজেলার হ্নীলার রঙ্গিখালী গহীন পাহাড়ে এই অভিযান চালায় র‍্যাব-১৫ এর একটি দল।

এসময় দুইটি একনলা বড় বন্দুক, চারটি এলজি, একটি অর্ধনির্মিত এলজি, সাত রাউন্ড শটগানের কার্তুজ, ১০ রাউন্ড রাইফেলের তাজা কার্তুজ, একটি ড্রিল মেশিনসহ অন্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, হ্নীলা রঙ্গিখালী এলাকার ফয়সাল উদ্দিন ওরফে ফয়সাল (৪০), টেকনাফ পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়ার মো. বদি আলম ওরফে বদাইয়া (৩৫), একই এলাকার মো. সৈয়দ হোসেন (৩২), পূর্ব সাতঘরিয়া পাড়ার মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৫), দক্ষিণ আলীখালীর মো. কবির আহাম্মদ (৪৩), উলুছামারি কুনারপাড়ার মো. মিজানুর রহমান (২৬)।

শনিবার (১৯ আগষ্ট) দুপুরে কক্সবাজার র‍্যাব-১৫ সদর দপ্তরে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর সৈয়দ সাদিকুল হক।

তিনি জানান, ওই অঞ্চলের গহীন পাহাড়ে একাধিক ডাকাত চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। তারা এলাকাবাসী এবং পর্যটকদের নানাভাবে হয়রানিসহ খুন, অপহরণ ও ধর্ষণসহ নানা অপরাধ সংঘটিত করে আসছিল। তারা র‌্যাবের নজরদারিতে ছিল।

তিনি জানান, অভিযানে একটি অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। এসময় ডাকাত দলের সদস্যরা র‌্যাবের ওপর গুলি চালিয়ে পালিয়ে যেতে থাকে। তখন ধাওয়া করে ফয়সাল বাহিনীর মূলহোতা ফয়সালকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল ডাকাত দল চক্রের অন্য সহযোগীদের নাম জানায়। তার দেওয়া তথ্যে আরও পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মেজর সৈয়দ সাদিকুল হক আরও জানান, চক্রটি ফয়সাল ডাকাতের সরাসরি নেতৃত্বে ডাকাতি, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়, ধর্ষণ, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা এবং হত্যাসহ নানা অপরাধ করে আসছিল।

তিনি বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় সেখানে তারা অস্ত্র তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছিল। ফয়সাল বিভিন্ন সময়ে তার অন্য সহযোগীদের মাধ্যমে বিভিন্ন সন্ত্রাসী চক্রের কাছে অস্ত্র সরবরাহ ও অপরাধ চালিয়ে আসছিল। শেষে তারা আবারও গহীন পাহাড়ে আত্মগোপনে চলে যেতো।

তিনি জানান, ফয়সালের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া বদি আলম ওরফে বদাইয়ার বিরুদ্ধে ১৪টি, মো. কবির আহাম্মদের বিরুদ্ধে দুইটি, মো. সৈয়দ হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি, মো. দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি এবং মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নীতিমালা জারি: ৮ শ্রেণির মানুষ পাবেন না ফ্যামিলি কার্ড

দরিদ্র, অতি দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনতেবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’বিস্তারিত পড়ুন

ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

সিটি কর্পোরেশন ও শহরাঞ্চলসহ সারাদেশে তিন চাকার ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার চলাচল ও ব্যবস্থাপনাবিস্তারিত পড়ুন

  • রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ
  • মির্জা ফখরুলের চেয়ারে সালাহউদ্দিনকে বসিয়ে কী বার্তা দিল বিএনপি?
  • স্থানীয় নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ থাকতে ও একক প্রার্থীর ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
  • নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর গুম: প্রধানমন্ত্রী
  • গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারের ৭৪ সদস্যকে চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
  • মক্কা চুক্তির বিষয়ে সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: আইনমন্ত্রী
  • লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট, তথ্যদাতাকে ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • অবশেষে দুঃখ প্রকাশ করলেন হাসনাত আবদুল্লাহ
  • আমি নিতাই রায়ের সঙ্গে বসতে চাই না: যুবদল নেতা নয়ন
  • কবিরাজির আড়ালে জাল টাকা তৈরির অভিযোগ, মনিরামপুরে দুইজন আটক
  • তারেক রহমানের দিল্লি সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ভারতের কাছে?