শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ডাকের কেনাকাটায় ‍পুকুর চুরি, ৬০ হাজার টাকার এসি ৫ লাখ!

ডাক বিভাগের সেবার মান হবে উন্নত। দ্রুত সময়ে ডাক বাছাই প্রক্রিয়ার কাজ সম্পন্ন করে দুর্গম এলাকায় পৌঁছে যাবে গ্রাহকের পণ্য। সেই লক্ষ্যে ২০১৮ সালে জানুয়ারিতে মেইল প্রসেসিং ও লজিস্টিক সার্ভিস সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ঢাকাসহ সারাদেশে ৩৬৫ কোটি টাকা ব্যায়ে ১৪টি জেলায় মেইল সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেয় ডাক বিভাগ।

এসব সেন্টার নির্মাণের জন্য ৩০ ধরনের যন্ত্রপাতি কেনে ডাক বিভাগ। যে কেনাকাটায় রীতিমতো পুকুর চুরি হয়েছে। একেকটি পণ্য বাজার মূল্যের চেয়ে ১০ থেকে ২০ গুণ বেশি দেখানো হয়েছে। ডাকের মহাপরিচালক থাকা অবস্থায় এর সবই করেছেন শুধাংসু শেখর ভদ্র।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, বাজারে যে এসির দাম ৬০ হাজার টাকা, প্রকল্পে ওই এসি ৪ লাখ ৮৮ হাজার টাকায় কেনা দেখানো হয়েছে। একইভাবে, ৫৩ লাখ টাকার জেনারেটর ৭৪ লাখ টাকা, ২২ লাখ টাকার ফর্ক লিফট ৫০ লাখ টাকা, ৯ লাখ টাকার সোলার সিস্টেম ৪১ লাখ টাকা এবং ৫ হাজার টাকার পজ মেশিন ৩৫ হাজার টাকায় কেনা দেখানো হয়েছে।

অথচ বাজার মূল্যের কয়েকগুণ বেশি দামে কেনা মানহীন ১৭ হাজার পজ মেশিন ব্যাবহার অনুপযোগী অবস্থায় মন্ত্রণালয়ে পড়ে আছে। তাহলে অতিরিক্ত মূল্যে কেনা এসব পজ মেশিন কি কাজে আসবে?
জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক মো. মনসুর রহমান মোল্লা জানিয়ে দিলেন, এখানে তার করার কিছুই নেই। তিনি বলেন আমার কর্তৃপক্ষ আছে, বিভাগীয় প্রধান আছেন। দয়া করে তার সঙ্গে কথা বলেন। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই।

পরে ডাক অধিদফতরে যোগাযোগ করা হলে এ বিষয়ে কেউ কথা বলতে রাজি হননি। এমনকি মোবাইলে দফায় দফায় যোগাযোগ করেও কারো সাড়া মেলেনি।
হারুনুর রশীদ প্রকল্পের কেনাকাটার কমিটি নথিতে ব্রাইট সলুয়েশন, লিটল প্ল্যানেটর নাম ব্যাহার করা হয়েছে। কিন্তু তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানান, ডাক বিভাগের সঙ্গে তাদের কোনো কেনাবেচা হয়নি। এমনকি কোটেশন দেওয়া-নেওয়াও হয়নি। এ প্রকল্প সম্পর্ক তারা কিছুই জানেন না বলে জানান।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, অনেকটা ভৌতিকভাবে এসব পণ্য সরবরাহের কাজটি পায় সুধাংশু শেখরের ঘনিষ্টজন হিসেবে পরিচিত সিস্টেম ইজ্ঞিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান। তারা জালিয়াতি করে প্রায় দ্বিগুণ দামে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে। এভাবে সিস্টেম ইজ্ঞিনিয়ারিং প্রায় ২শ’ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।

এসব বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার অবশ্য বলছেন, অনিয়ম প্রমাণিত হলেই ব্যবস্থা নেবে সরকার।
মন্ত্রী বলেন, আপনারা আমাকে দেখিয়ে দেন, আমি ব্যবস্থা নেব। সেই জায়গা পরিষ্কার করার দায়িত্ব আমার।
এরইমধ্যে ডাক বিভাগের মহাপরিচালক শুধাংসু শেখর ভদ্র এবং বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে প্রকল্পের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের অনিয়মের অভিযোগে কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ইউপি নির্বাচন : জামানত বেড়ে ৫ গুণ, পেতে হবে ১৫ শতাংশ ভোট

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত পাঁচ গুণ এবং নির্বাচনি ব্যয়সীমা দ্বিগুণ করারবিস্তারিত পড়ুন

নভেম্বরে ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চলতি বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করতে পারেন বলেবিস্তারিত পড়ুন

একাত্তরের ভূমিকা মেনে নিয়েছে জামায়াত : আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইনবিস্তারিত পড়ুন

  • সার্ককে ফের সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
  • দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় সার্জন-অধ্যাপক থাকলেও ভিশনারি প্ল্যানিং নেই: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
  • ‘ন্যায়বিচার নিশ্চিতে আদালতকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করাই আইন কর্মকর্তাদের প্রধান দায়িত্ব’
  • সর্বজনীন পেনশনে বড় পরিবর্তন, নমিনির পেনশন পাওয়ার বয়স বাড়ল ৫ বছর
  • ঢাকায় যাত্রাবিরতিতে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী, স্বাগত জানালেন মন্ত্রীরা
  • ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসিকে
  • হাফেজদের সংবর্ধনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • বন্ধ শিল্প-সেবা খাতে ঋণের সুদ সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ
  • স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের দেশ-বিদেশের সম্পদের তথ্য চাইল দুদক
  • তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ: আবেদন যেভাবে, ফরম পাবেন যেখানে
  • বছরে ৫ হাজার তরুণকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে: মাহদী আমিন
  • ‘পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফের‌তের বিষ‌য়ে ভারত সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়‌নি’ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী