ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন : চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ


ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সব আসনের ভোটকেন্দ্রের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। নাসির উদ্দিন কমিশন সব আসনের চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদনের পর ১৫ জানুয়ারি থেকে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ শুরু হয়েছে বলে জানান ইসির উপ সচিব মনির হোসেন।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী ভোটের তারিখের অন্তত ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রগুলোর চূড়ান্ত তালিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশের বিধান রয়েছে।
এবার প্রথমবারের মতো প্রবাসী ও দেশের ভেতরে তিন ধরনের ব্যক্তির জন্য অনলাইনে নিবন্ধনের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালটে ভোট হচ্ছে; ইতোমধ্যে ১৫ লাখ ৩৩ হাজারেরও বেশি নাগরিক নিবন্ধন সেরেছেন।
ভোটকেন্দ্রের গেজেটে প্রতিটি নির্বাচনি এলাকার নাম, উপজেলা, ইউনিয়ন, ভোটকেন্দ্রের নাম ও অবস্থান, ভোটার এলাকার নাম, ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা (নারী, পুরুষ, হিজড়া) তুলে ধরা হয়েছে।
একইসঙ্গে পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যাও তুলে ধরা হয়েছে গেজেট। পোস্টাল ব্যালট পেপার গণনা কেন্দ্রের নাম ও অবস্থান, পোস্টাল ভোটারের সংখ্যার উল্লেখ রয়েছে।
পৌনে ১৩ কোটি ভোটারের এ নির্বাচনে থাকছে ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্র, যাতে থাকবে ২ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি ভোটকক্ষ। ৩০০ আসনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রতিটি কেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৮ জন নিরাপত্তা সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, সংসদ ও গণভোট একসঙ্গে হওয়ায় প্রতি ভোটকক্ষে সিল দেওয়ার গোপনকক্ষ (মার্কিং প্লেস) বাড়ানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, নিরাপত্তার নিরিখে ৫৯ শতাংশ ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিতে রয়েছে।
তিনি বলেন, “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২,৭৬১টি । তন্মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৮,৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১৬,৫৪৮টি ও সাধারণ ভোট কেন্দ্র ১৭,৪৩৩টি।”
গুরুত্বপূর্ণ মানে কি ঝুঁকিপূর্ণ? এ প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ মানে হলো ঝুঁকিপূর্ণ যেগুলো—নিরাপত্তার দিক থেকে।
ভোটে সবমিলিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এর মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থাকবে ১ লাখ সদস্য, নৌ-বাহিনীর ৫ হাজার, বিমান বাহিনী ৩ হাজার ৭৩০, পুলিশের ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ জন, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫ জন, র্যাবের ৭ হাজার ৭০০ জন এবং সাপোর্ট সার্ভিস হিসেবে ফায়ার সার্ভিসের ১৩ হাজার ৩৯০ জন থাকবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি মোট ৭ দিন ভোটকেন্দ্রিক দায়িত্ব পালন করবে।
কলারোয়া নিউজে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। (Unauthorized use of news, image, information, etc published by kalaroa News is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.)
একই রকম সংবাদ সমূহ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আ.লীগের উত্থাপিত প্রশ্ন নাকচ জাতিসংঘের
বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থাবিস্তারিত পড়ুন

ডিএনডি বাঁধ নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩বিস্তারিত পড়ুন

বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়
যাত্রীদের বাড়তি চাপ ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় ২০ মিনিটবিস্তারিত পড়ুন

