বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

দাপুটে রাজনীতিবিদ হলেও কোনো দলে ছিলেন না ডা. জাফরুল্লাহ

নিজের স্বার্থচরিতার্থ করতে রাজনৈতিক দলগুলোতে নেতাদের একটাই লক্ষ্য থাকে, সেটা হলো— একটি কাঙ্ক্ষিত পদ। ‘দলের কাঙ্ক্ষিত পদটি না পেলে রাজনীতির সলিল সমাধি ঘটবে।’ অথচ এসব চিন্তার বিরুদ্ধে রাজনীতিতে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তৈরি করে গেলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

কোনো দলে যুক্ত না হলেও রাজনীতি সচেতন এই ব্যক্তি বলতেন— ‘আমি মানুষের রাজনীতি করি।’

জনগণের জন্য কাজ করতে গিয়ে দেশের বহু রাজনৈতিক দল এবং প্রত্যেক সরকারের সঙ্গে সখ্যতা বজায় রেখেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে তিনি রাজনীতিতে সোচ্চার থাকলেও কোনো দলীয় পদপদবি ছিল না তার।

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিবর্তনে ভূমিকা থাকলেও সরকারের অংশ কখনো হননি ডা. জাফরুল্লাহ। স্বাধীনচেতা প্রতিবাদী মানুষ হিসেবেই তিনি সর্বাধিক পরিচিত। সাধারণ মানুষের স্বার্থে কথা বলতে গিয়ে তিনি কখনো সরকারের সমালোচনা করেছেন, আবার কখনো সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একই আচরণ বিরোধী দলের প্রতিও ছিল তার।

বঙ্গবন্ধুর সংস্পর্শ পাওয়া জাফরুল্লাহ রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা ভূমিকা রেখে চলছিলেন। তবে এই সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচক হিসেবে পরিচিতি গড়ে উঠেছিল তার।

২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগবিরোধী দলগুলোকে এক মঞ্চে এনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

বিএনপি, গণফোরাম, নাগরিক ঐক্য, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল এবং কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে তৎকালীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে থাকলেও কোনো পদে ছিলেন না জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), গণঅধিকার পরিষদের মতো রাজনৈতিক দল গঠনে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ভূমিকা থাকলেও তিনি এসব দলের কোনো পদপদবি গ্রহণ করেননি। তবে ভাসানী অনুসারী পরিষদের সহসভাপতি এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে কিছু দিন দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে ওই সময় ভাসানী পরিষদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ছিল না। তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কর্মকাণ্ড মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া।

জনমনে ধারণা— ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিশেষ কোনো একটি দলের প্রতি দুর্বলতা ছিল। বাস্তবতা হচ্ছে, তিনি বঙ্গবন্ধুর সরকার, জিয়াউর রহমানের সরকার, হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের সরকার বা পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ-বিএনপি যে দলই সরকার গঠন করেছে প্রত্যেক সরকার এবং বহু রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সুসম্পর্ক স্পষ্ট ছিল।

মা, মাটি ও মানুষ; জীবনে এই তিন নীতি নিয়েই চলেছিলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী। আর তাই দুটি কিডনি নষ্ট হওয়ার পরও নানা সংকটে সমাধান খুঁজতে ছুটে বেড়িয়েছেন তিনি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সমাজবিরোধী অপশক্তি যেন মাথাচাড়া দিয়ে না উঠে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাজবিরোধী অপশক্তি আর যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারেবিস্তারিত পড়ুন

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সংসদকে যা জানালেন মন্ত্রী আরিফুল

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করতে সরকার কাজ করছে এবংবিস্তারিত পড়ুন

জিরোপয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত কোনো হকার বসবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়কে কোনো হকার বসতে দেওয়া হবেবিস্তারিত পড়ুন

  • উল্টো পথে মন্ত্রীর গাড়ি, দুই মামলা দিল পুলিশ
  • আমি ফিরে এসেছি মানুষ ও দেশের জন্য: মির্জা আব্বাস
  • ২০২৭ সালেও দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
  • প্রাথমিকের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে পুষ্টিকর খাবার: ববি হাজ্জাজ
  • বিপিএল বাদেই বছরে ৩৫-৪০ লাখ টাকা পাবেন ক্রিকেটাররা : তামিম
  • গাজী নজরুলের নাম দেখে স্পিকার বললেন ‘জি এম তো নাই’, বাতিল হলো প্রশ্ন
  • স্থায়ী কমিটির সভাপতি নিয়ে বিরোধ : বিরোধীদল ওয়াকআউট করলেও বসেছিলেন এমপি হাসনাত
  • আসিফসহ তার অপকর্মের ‘নেপথ্যের নায়কদের’ তথ্য চেয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চিঠি
  • পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া শুরু, খসড়া মুদ্রণে
  • ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে, আশাবাদী প্রতিমন্ত্রী অমিত
  • জ্বালানি সংকট রপ্তানি অর্ডার হাতছাড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে