বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

প্রয়াণের তিন দশক পর খোলা হলো প্রিন্সেস ডায়ানার টাইম ক্যাপসুল

প্রয়াণের তিন দশকেরও বেশি সময় পর অবশেষে খোলা হলো ব্রিটেনের প্রয়াত প্রিন্সেস অব ওয়েলস ডায়ানার রেখে যাওয়া টাইম ক্যাপসুল। লন্ডনের গ্রেট অরমন্ড স্ট্রিট হাসপাতাল ফর চিলড্রেন (জিওএসএইচ)-এ এই ছোট বাক্সটি পুঁতে রাখা হয়েছিল। হাসপাতালের সভাপতি হিসেবেই ডায়ানা ১৯৯১ সালের মার্চে ভ্যারাইটি ক্লাব বিল্ডিংয়ের ভিত্তির নিচে সীসা-আবৃত কাঠের সেই টাইম ক্যাপসুলটি স্থাপন করেছিলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে শিশুদের জন্য নতুন ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণকাজ শুরুর সময় ক্যাপসুলটি বেরিয়ে আসে বলে সিএনএন জানিয়েছে। বুধবার জিওএসএইচের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া বা ওই সময় হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন—এমন কয়েকজন কর্মী মিলেই বাক্সটি উন্মোচন করেন।

ভেতরে পাওয়া গেছে নব্বইয়ের দশকের শুরুর জীবনের এক টুকরো প্রতিচ্ছবি। এর মধ্যে ছিল পকেট টেলিভিশন, কাইলি মিনোগের একটি সিডি এবং কিছু গাছের বীজ।

‘ব্লু পিটার’ নামের শিশুতোষ টিভি শোর এক প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়েছিল দুই শিশু—সিলভিয়া ফাউলকেস ও ডেভিড ওয়াটসন। তাদের হাতেই ঠিক হয়েছিল ক্যাপসুলের ভেতর কী রাখা হবে। তারা দিয়েছিল কাইলি মিনোগের ‘রিদম অব লাভ’ অ্যালবামের সিডি, একটি ইউরোপীয় পাসপোর্ট, পুনর্ব্যবহৃত কাগজ, পকেট টিভি, নির্বাচিত ব্রিটিশ মুদ্রা, তুষারকণার হলোগ্রাম, কিউ গার্ডেনসের গাছের বীজ ও সৌরশক্তিচালিত ক্যালকুলেটর। এছাড়া ছিল তাদের লেখা চিঠি, দ্য টাইমস পত্রিকার একটি কপি এবং প্রিন্সেস ডায়ানার একটি ছবি।

আর্কাইভ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিন দশক মাটির নিচে থাকার পরও অধিকাংশ জিনিস অক্ষত রয়েছে। শুধু কিছু কাগজে সামান্য পানি ঢুকে ক্ষতি হয়েছে।

টাইম ক্যাপসুলটি তোলার কাজে সহায়তা করা রোচনা রেডকার, যিনি বর্তমানে শিশু ক্যান্সার ও অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন ইউনিটের ফেলো, বলেন—‘আমি মাত্র ছয় মাস আগে জিওএসএইচে যোগ দিয়েছি এবং ক্যাপসুলটি তোলার কাজে যুক্ত হতে পেরে ভীষণ আনন্দিত। যেই বছরে আমি জন্মেছিলাম, সেই বছরেই এটি মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল।’

হাসপাতালের সিনিয়র হেলথ প্লে স্পেশালিস্ট জ্যানেট হোমস বলেন, ‘পকেট টিভি দেখে অনেক স্মৃতি ভেসে উঠল। আমি আমার স্বামীর জন্যও একটি কিনেছিলাম, যখন তিনি সারা দেশে কোচ চালাতেন। তখন এগুলো খুবই দামি ছিল।’

জিওএসএইচের নির্বাহী পরিচালক জেসন ডসন, যিনি ক্যাপসুল উন্মোচন তদারকি করেন, বলেন—‘এটি ছিল বেশ আবেগঘন মুহূর্ত… যেন প্রজন্মের রেখে যাওয়া স্মৃতির সঙ্গে আমাদের সংযোগ তৈরি হলো।’

প্রিন্সেস ডায়ানা ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৭ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হাসপাতালটির সভাপতি ছিলেন। তিনি বহুবার এখানে সফর করেন, কখনও আবার তাঁর দুই পুত্র প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারিকে সঙ্গে নিয়ে আসেন।

এরও আগে, ১৮৭২ সালে ওয়েলসের তৎকালীন রাজকুমারী আলেকজান্দ্রা হাসপাতালের পুরনো ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সেবার তিনিও একটি টাইম ক্যাপসুল রেখেছিলেন, যাতে ছিল রানী ভিক্টোরিয়ার ছবি ও দ্য টাইমস-এর একটি কপি। তবে সেটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

বর্তমানে নতুন হাসপাতাল ভবনের সংস্কার কাজ শেষ হলে জিওএসএইচ একটি নতুন টাইম ক্যাপসুল স্থাপন করার পরিকল্পনা করছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার ও লাল গালিচা সংবর্ধনা

চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

আমি ও আমার স্ত্রী মালয়েশিয়ার আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল প্রায়বিস্তারিত পড়ুন

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত ও অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমেরবিস্তারিত পড়ুন

  • মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
  • বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের জন্য দ্রুত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান
  • মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক: বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনা
  • পুত্রাজায়ায় তারেক রহমানকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর উষ্ণ অভ্যর্থনা
  • মালয়েশিয়ায় বন্দি বাংলাদেশিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মালয়েশিয়ায় লালগালিচা সংবর্ধনা
  • কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশিসহ নিহত ৬
  • যুদ্ধে ইরানই ‘বিজয়ী’, মনে করেন ৯২ শতাংশ ইসরায়েলি
  • আমি কখনও আকুতি করি না, ট্রাম্পের দাবি মনগড়া: মেলোনি
  • নেতানিয়াহুকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে মাঝেমধ্যে কঠিন হতে হয়: ট্রাম্প
  • এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ