বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার দুয়ার খুলছে আবার

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে দেশ দুইটি। একই সঙ্গে অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়েও ঐকমত্যে পৌঁছেছে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় শ্রম অভিবাসন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রমবাজার ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে বুধবার (০৮ এপ্রিল) মালয়েশিয়া সফরে যান শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি শ্রমবাজারসংক্রান্ত প্রথম উচ্চপর্যায়ের সফর।

বৈঠকে মালয়েশিয়ার খাতভিত্তিক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে একটি ন্যায্য, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রম অভিবাসনে দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করতে উভয় দেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে একটি স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

এতে আরও বলা হয়, মধ্যস্থতাকারী কমানো, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, নির্ভরযোগ্য নিয়োগকারী সংস্থা ব্যবহার এবং আটকে পড়া কর্মীদের দ্রুত নিয়োগের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

যৌথ বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে একটি প্রযুক্তিনির্ভর, এআইভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগের কথাও জানানো হয়। এর মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী কমিয়ে শ্রমিকদের অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ এই ধরনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বাস্তবায়নে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এ ছাড়া বৈঠকে দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, সনদ প্রদান এবং তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে শ্রমবাজারকে আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়। দুই দেশই ভবিষ্যতে নিয়মিত সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।

শ্রমবাজার খুলতে মামলা নিষ্পত্তির শর্ত মালয়েশিয়ার

অপ্রমাণিত মামলা ও চলমান তদন্ত নিষ্পত্তির শর্তে পুন:রায় শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার কথা বলেছে মালয়েশিয়া।

বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার পূত্রজায়ায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শেষে যৌথ ঘোষণা পত্রে এই শর্ত দেওয়া হয়।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়, পুত্রজায়ায় এক সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়া সরকারের মধ্যে শ্রম অভিবাসন বিষয়ে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতোশ্রী রামানান রামাকৃষ্ণ এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

সভা শেষে যৌথ ঘোষণাপত্রে ৭টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া শ্রম অভিবাসনে তাদের দীর্ঘস্থায়ী এবং পরস্পরের লাভজনক অংশীদারিত্বের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। একটি স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, বাস্তবসম্মত কাঠামোর মাধ্যমে সহযোগিতা জোরদার করে নিয়োগসংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করার পাশাপাশি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করবে।

উভয় পক্ষ মালয়েশিয়ার খাতভিত্তিক চাহিদার ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশী কর্মীদের জন্য শ্রম বাজার পুন:রায় খোলার প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়ন করবে। ইতোমধ্যে একটি ন্যায্য, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যস্থতাকারী ও অভিবাসন খরচ কমানোর জন্য কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা দূর করা, বিশ্বাসযোগ্য ও যোগ্যনিয়োগকারী সংস্থা (রিক্রুটিং এজেন্সি) মাধ্যমে শ্রমিক পাঠানো এবং আটকে পড়া কর্মীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা।

ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে সকল সোর্স কান্ট্রির জন্য প্রযোজ্য একটি ডিজিটাল ও এআই ভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা চালুর কথা জানানো হয়। যার লক্ষ্য হচ্ছে দালালদের দৌরাত্ম ও অভিবাসন খরচ কমানো এবং নিয়োগকর্তারাই যেন নিয়োগের সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন সেটা নিশ্চিত করা। এর ফলে বাংলাদেশী শ্রমিকদের মালয়েশিয়ায় কাজ পেতে কোনো খরচ থাকবে না। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)- এর নির্দেশনা অনুযায়ী ‘নিয়োগকর্তাই পরিশোধ করবেন’ নীতির অংশ। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অন্যান্য সকল প্রেরণকারী দেশকে সম্পৃক্ত করে একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ হিসেবে এই ধরনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বাস্তবায়নে পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।

উভয় পক্ষ শ্রমিক নিয়োগে মানব পাচার সংক্রান্ত চলমান মামলাগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মালয়েশিয়া পক্ষ তাদের আন্তর্জাতিক সুনামকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এমন যে কোনো ভিত্তিহীন বা বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড বন্ধের ওপর জোর দিয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ পক্ষ আইনের শাসন, যথাযথ প্রক্রিয়া, জবাবদিহিতা এবং সময়োপযোগী বিচার নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছে।

ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়েছে, উভয় পক্ষ অনুমোদনহীন কর্মীদের প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা এবং শ্রম সরবরাহকে বাজারের চাহিদার সঙ্গে আরও সুচারুভাবে সমন্বয় ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, সনদপত্র দেওয়া এবং তথ্য আদান-প্রদানে সহযোগিতা বাড়াবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

রাশিয়ায় কাজে পাঠানোর নামে প্রতারণা, ৩ এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

উচ্চ বেতন ও নানা সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণামূলকভাবে ৩০ জন বাংলাদেশি যুবককেবিস্তারিত পড়ুন

মালয়েশিয়া দিয়ে শুরু হবে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পরবিস্তারিত পড়ুন

২ কর্মদিবসে মিলবে মার্কিন অভিবাসী ভিসা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। ICTবিস্তারিত পড়ুন

  • যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা
  • মির্জা আব্বাসকে দেখতে গেলেন জামায়াত সেক্রেটারি
  • অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
  • বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ড্রাইভার নেবে আরব আমিরাত
  • ওমানে একে একে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন চট্টগ্রামের ৪ আপন ভাই, নেপথ্যে কী
  • হজে গিয়ে আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা ১৪
  • প্রবাসী কার্ড দেবে সরকার, সবার আগে পাবেন যারা, মিলবে যেসব সুবিধা
  • শেনজেনভুক্ত দেশের ভিসা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
  • লেবাননে ড্রোন হামলায় কলারোয়ার এক যুবকের মৃত্যু, সাতক্ষীরা জেলার নিহত ৩
  • ইসরাইলের ড্রোন হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির বাড়ি সাতক্ষীরায়
  • লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত
  • জাপানের পার্লামেন্ট ভবন পরিদর্শনে জামায়াত আমির