মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখবে অস্ট্রেলিয়া

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পরও বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা প্রদানের সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম সভায় এ প্রতিশ্রুতি প্রদান করা হয়।

দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিসহ সার্বিক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে গত বছর ১৫ সেপ্টেম্বর দু’দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক এরেঞ্জমেন্ট (টিফা) এর আওতায় এই জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়।

সভায় বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে পণ্য ও সেবা সংক্রান্ত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরো বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট শীর্ষ বাণিজ্যিক সংস্থা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে যোগযোগ বৃদ্ধি উৎসাহিত করার বিষয়েও জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ সম্মত হয়।

সভায় অস্ট্রেলিয়ার উৎপাদনকারী এবং বাংলাদেশের প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে গ্লোবাল ভ্যালু চেইনে কিভাবে আরো ভালোভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়। অস্ট্রেলিয়ার কাঁচামাল যেমন তুলা, উল, চামড়া ব্যবহার করে বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদন করে তা তৃতীয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাজারে এবং অস্ট্রেলিয়ার বাজারে বাইব্যাক ব্যবস্থার মাধ্যমে রপ্তানির সুযোগ পরীক্ষা করার ব্যাপারে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।

এছাড়া বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানব সম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করে অস্ট্রেলিয়া। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় সহযোগিতা এবং দেশের শিক্ষা প্রোফাইল উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের অধিক সংখ্যক ছাত্রকে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ প্রদানের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে অস্ট্রেলিয়া। ‘ফিউমিগেশন অ্যাক্রিডিটেশন স্কিমের’ আওতায় সেদেশের বাজারের চাহিদার মানদন্ডের বিষয়ে বাংলাদেশের উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের প্রশিক্ষণ প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করে তারা।

জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা উপলক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী একটি ভিডিও বার্তা প্রদান করেন। সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে নেতৃত্ব দেন সেদেশের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য দপ্তরের উত্তর ও দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের প্রথম সহকারী সচিব গ্যারি কাওয়ান। অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার সুফিউর রহমান এবং বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরিমি ব্রুয়ার আলোচনায় অংশ নেন। উভয় দেশের ৩০ জনের বেশি প্রতিনিধি সভায় অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার এই জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী সভা ২০২৩ সালের প্রথমদিকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।
তথ্যবিবরণী-পিআইডি

একই রকম সংবাদ সমূহ

ভারত-বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ‘চমৎকার সম্পর্ক’ আরও এগিয়ে নিতে হবে : দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার আহ্বানবিস্তারিত পড়ুন

মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নাম

১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে। এ সময়কে সামনেবিস্তারিত পড়ুন

‘রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ সভায় তারেক রহমান

‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার্য সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক আলোচনাবিস্তারিত পড়ুন

  • ভারতের সাড়ে ১১ হাজার টন চাল ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ
  • ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের অবস্থান সবসময় শান্তির পক্ষে : প্রধানমন্ত্রী
  • আগস্টের শেষেই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
  • বিশেষ সুবিধা নয়, লাইনে দাঁড়িয়ে পরীক্ষা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেলেন জাইমা রহমান
  • শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
  • ১ বছরের মধ্যে জুলাই হত্যা মামলার বিচার শেষ হবে: চিফ প্রসিকিউটর
  • সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • পুলিশ টিমকে একসঙ্গে চা বা বিশ্রামে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি: ইসি সচিব
  • বিভেদ-বিভাজন চলতে থাকলে শেখ হাসিনা তালি বাজাবে: রিজভী