রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বিনিয়োগ আসার ক্ষেত্রে বড় বাধা সরকারি সংস্থার ধীরগতির কার্যক্রম: মির্জা ফখরুল

দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আসার পথে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার ধীরগতির কার্যক্রম বড় বাধা বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিনিয়োগ করতে আগ্রহী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকেই এমন কথা জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে ‘দ্য কম্পাস ডায়লগ’ শীর্ষক সংলাপে অংশ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মির্জা ফখরুল। সংলাপের আয়োজক ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যাকটিকস রিসার্চ (আইএসটিআর)। সংলাপে বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, কূটনীতিক ও ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিনিয়োগকারীরা বলছেন, এখানে সরকারের যে সংস্থাগুলোর কাজের গতি অত্যন্ত ধীর। কোনো সুনির্দিষ্ট সমস্যা বা ইস্যুর সমাধান তারা যে দ্রুততার সঙ্গে প্রত্যাশা করেন, বাস্তবে তা পান না। এই দীর্ঘসূত্রতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চরম হতাশা তৈরি করে এবং সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

দেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশ খুব ভালো নয় বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তিনি জানান, বিদ্যমান আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন করে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে নিয়মিত এই বিষয়গুলো তদারকি করছেন এবং প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে দ্রুততার সঙ্গে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিকে কীভাবে সামনে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে সরকার কাজ করছে। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে উদ্যোগ নিচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ফসলভিত্তিক কর্মসূচিগুলো মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। এছাড়া সরকার এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সৌরশক্তির প্রসার ঘটানোর পাশাপাশি দেশের জলভাগ ও স্থলভাগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ খাতে দরপত্র আহ্বান করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতের রাজনৈতিক অস্থিরতা বা সমস্যাগুলো পুরোপুরি নির্মূল না হলেও বর্তমান অবস্থা আগের তুলনায় অনেকটাই ইতিবাচক। দেশে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা গেলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তার পাশাপাশি বন্ধু ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট এখনো বাংলাদেশের জন্য বড় সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে। সরকার এই সমস্যারও সমাধান করতে চায়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। আরবিস্তারিত পড়ুন

সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ ডা. জুবাইদা রহমানের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদাবিস্তারিত পড়ুন

লিফট রেখে সিঁড়ি বেয়ে বৈঠকে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কৃষি মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে যোগ দিতে সচিবালয়ের ষষ্ঠ তলায় যাওয়ার সময় লিফট ব্যবহারবিস্তারিত পড়ুন

  • নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • ‘কোন সীমান্ত দিয়ে, কোন ডিসেম্বরে আসবেন পরিষ্কার করুন’: শেখ হাসিনাকে হুইপ দুলু
  • ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • ‘অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে ১০ শতাংশ দিয়েন’ : আসিফ মাহমুদ
  • ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটেও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লার দর্শন’
  • আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি: প্রধানমন্ত্রী
  • চলমান সংকট মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান রিজভীর
  • পে-স্কেলের নতুন বেতন নির্ধারণ হবে অনলাইনে, কে কত পাচ্ছেন?
  • তরুণরা চাইলে দেশ পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
  • শিক্ষা হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনের মূল ভিত্তি: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব
  • টকশোতে অংশ নেওয়া নেতাদের যে নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • আমাদের কাছে ধর্মীয় ভেদাভেদ নেই : প্রধানমন্ত্রী