বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ভুতুড়ে পাথর দৌড়ে বেড়ায় যেখানে!

কখনই কি কোনো পাথরকে হাঁটতে দেখেছেন কিংবা দৌড়াতে? হ্যাঁ, শুনতে একটু অবাক লাগলেও এটিই সত্য। এ অদ্ভূত ধরনের ভুতুড়ে পাথর আপনি দেখতে পারবেন আমেরিকার ডেথ ভ্যালিতে।

ডেথ ভ্যালির বাংলা অর্থ দাঁড়ায় মৃত্যু উপত্যকা। শুধু নামে নয়, বাস্তবেও এটি মৃত্যু উপত্যকা! এ এলাকাটি পরিচিত পৃথিবীর অন্যতম বিপজ্জনক উষ্ণ অঞ্চল হিসেবে। আবহাওয়া অফিসের নথি বলছে, ২০২০-র গ্রীষ্মে তাপমাত্র ছিল ১৩০ ডিগ্রি ফারেনহাইট।

উষ্ণতার গিনেস রেকর্ডও আছে ডেথ ভ্যালির। ১৯৩০ সালে তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৫৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১৩৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটে। যা এই পৃথিবীর রেকর্ডেড সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। আর বছরের গড় তাপমাত্রা ৪৭ ডিগ্রি ৷ বৃ্ষ্টি হয় না বললেই চলে। সব মিলিয়ে প্রাণহীন উপত্যকা। উদ্ভিদ ও প্রাণীর বাঁচার ন্যূনতম রসদও নেই৷

এখানের বালি, কাঁকড়, পাথর, ন্যাড়া পাহাড় সবই যেন এক একটি মৃত্যু কূপ। কারণ হিসেবে বলা যায়, এখানের পাথরের কথা। পাথর একদিকে স্থির হয়ে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখানকার পাথরগুলো কখনোই একদিকে স্থির থাকেনা। এক থেকে সাড়ে তিনশ’ কেজি ওজনের পাথর ১ হাজার ফুট দূর পর্যন্ত ছুটোছুটি করে।

জায়গাটা আসলে একটি জলশূন্য হ্রদ। নাম রেসট্র্যাক প্লায়া ৷ শুকনো হ্রদের বুকেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে ভুতুড়ে পাথরগুলো। বিস্ময়করভাবে যারা নিজে থেকে স্থান পরিবর্তন করে। কখনও সরলরেখায়, কখনও বা বক্রাকারে। এমনও হয়, যে দুটি পাথর সমান্তরাল গিয়ে দিক পরিবর্তন করল। এমনকী পুরোনো অবস্থানেও ফিরে আসে কোনো কোনো পাথর।

বালির উপরে পাথরের দাগ দেখে প্রমাণ মিলে বিরাট চেহারার পাথরগুলো একটু আগেই ছুটোছুটি করে খানিকটা বিশ্রাম নিচ্ছে। অনেকেই এর কারণ হিসেবে মনে করেন, ডেথ ভ্যালির মাটির নিচে চৌম্বকক্ষেত্র আছে। কারো মত, এ হলো গিয়ে ভিনগ্রহের প্রাণীর কাজ। মানুষকে ঘাবড়ে দিতে এলিয়েনরাই রাতের বেলায় এসব কাণ্ড ঘটায়। অনেকে বলেন, অপদেবতার কাজ।

সাধারণ মানুষদের এসব কথায় অবাক হয়ে ভূবিজ্ঞানীরাও নেমেছিলেন চলমান পাথরের রহস্য সন্ধানে। যদিও তারাও সঠিক কারণে পৌঁছতে ব্যর্থ হন। এমনকী গ্রহবিজ্ঞানী ব়্যালফ লরেন্সও রেসট্রাক প্লায়া নিয়ে একবার গবেষণায় নেমেছিলেন, যদিও কৃতকার্য হননি। এরপর দিনের পর দিনে ডেথ ভ্যালিতে গিয়ে পড়ে থাকতেন বিজ্ঞানী এম স্ট্যানলি। শেষ পর্যন্ত তিনিই সত্যির কাছে পৌঁছান।

বিজ্ঞানী এম স্ট্যানলি জানান, আসলে বছরের কোনো কোনো সময় ডেথ ভ্যালির পাহাড়গুলো থেকে বৃষ্টির পানি গড়িয়ে নামে রেসট্র্যাক প্লায়াতে। তখন রেসট্র্যাক প্লায়া বাস্তবিক হ্রদ হয়ে ওঠে। তবে এই পানির উচ্চতা ৭-৮ মিটারের বেশি হয় না। এদিকে রাতের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নামলে পানি পাতলা বরফে পরিণত হয়ে প্রসারিত হয়। এই সময় বরফ ও বাতাসের তীব্র গতির কারণে সরতে থাকে রেসট্র্যাক প্লায়ার পাথরগুলো।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

একই রকম সংবাদ সমূহ

আগস্টের শেষেই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

আগস্টের শেষে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ওবিস্তারিত পড়ুন

স্পেনের ছোট্ট গ্রাম ‘আভেইয়ানোসা দে মুয়োনো’-তে একসাথে দেখা যাবে দুই সূর্যাস্ত

স্পেনের উত্তরাঞ্চলীয় বার্গোস প্রদেশের ‘আভেইয়ানোসা দে মুয়োনো’ নামের মাত্র ১০ জন বাসিন্দারবিস্তারিত পড়ুন

শেখ হাসিনার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে থাকছেন সাকিব আল হাসান

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একই সংবাদ সম্মেলনের প্যানেলে যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশেরবিস্তারিত পড়ুন

  • বেনজীরকে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: জামিনে মুক্তির খবরে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • বেনজীরের জামিন বাতিলে কাজ করছে আমাদের ল’ফার্ম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ‘জামিনে মুক্ত’ বেনজীরকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • এক সপ্তাহে ১২ হাজারের বেশি প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি
  • ৫০ দেশের জন্য স্থায়ী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড
  • চীন-পাকিস্তানকে মোকাবেলায় ২০০ যুদ্ধজাহাজের নৌবহর গড়ার লক্ষ্য ভারতের
  • বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন ১০ বাংলাদেশি
  • একদিনেই তেলের দাম কমলো ২ শতাংশের বেশি
  • জাপানে ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে শপিংমল, বহু হতাহতের শঙ্কা
  • অপেক্ষার অবসান, ফ্রান্সের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জিদান
  • লন্ডনের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু: তদন্তে মিলল ভয়াবহ মাদক গ্রহণের প্রমাণ
  • মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেছেন যেসব দেশের রাষ্ট্রপতিরা