বুধবার, জুলাই ১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মুক্তিই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা: ডা. জাফরুল্লাহ

দণ্ড থেকে মুক্তিই করোনা আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসনের চিকিৎসা বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
চিকিৎসার কথা বিবেচনায় বিএনপি নেত্রীকে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের সামনে গরিবদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা হচ্ছে না। তার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। ওনার চিকিৎসা হলো মুক্তি। মুক্তি দিলে উনি কোথায় চিকিৎসা করবে সেটা ওনার স্বাধীনতা।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে সময়োপযোগী চিকিৎসা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের অতীতের প্রতিহিংসা, ভুল স্মরণ না রেখে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মানসিক শক্তি না থাকলে সুস্থ হওয়া যায় না। সেই জন্য আমি আহ্বান করছি, ছাত্রদের পাশাপাশি খালেদা জিয়াকেও মুক্তি দেওয়া হোক। ওনার কিছু হয়ে গেলে পরে আক্ষেপ করতে হবে।

৭৫ বছ বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে কারাগারে যেতে হয়। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু পর পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে তাকে ছয় মাসের জন্য সাময়িক মুক্তি দেয়। পরে আরও দুই দফায় মেয়াদ বাড়ানো হয়। মুক্তি পাওয়ার পর খালেদা জিয়া গুলশানে ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত।

এরমধ্যেই গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজায়’ তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চিকিৎসা শুরু হয়। করোনা আক্রান্তের ১৪ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর খালেদা জিয়ার করোনা টেস্ট করা হলে ফলাফল আবারও পজিটিভ আসে। এরপর কিছু পরীক্ষার জন্য তাকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রথম দফায় পরীক্ষা করে বাসায় ফেরার পর দ্বিতীয় দফায় ২৭ এপ্রিল তাকে ফের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সোমবার ভোরের দিকে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন।

এদিকে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের করোনার কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তার ফুসফুস থেকে তরল জাতীয় পদার্থ (ফ্লুইড) অপসারণ করা হয়েছে। তার ডায়াবেটিস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। এর মাত্রা ওঠানামা করছে। এছাড়া অক্সিজেনের মাত্রাও কিছুটা কমেছে।

‘ফিরোজা’র বাসায় বিএনপি চেয়ারপারসন ছাড়াও আরও ৮ জন করোনায় আক্রান্ত হন। তবে ফিরোজার সব স্টাফরা ইতোমধ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

৯০ ভাগ সিসিইউ রাজধানীতে, প্রান্তিক মানুষ কীভাবে সেবা পাবে: ডা. জুবাইদা রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদাবিস্তারিত পড়ুন

পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের পুরো এলাকা ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তবিস্তারিত পড়ুন

শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে মোট ৫০০বিস্তারিত পড়ুন

  • গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরেছে পুলিশ
  • নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন
  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় পরিবর্তন আসছে না
  • শুরু হলো ২০২৭ সালের হজের প্রাক-নিবন্ধন
  • সীমান্ত পাহারার চেয়েও বর্তমানে সাইবার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ: তথ্যমন্ত্রী
  • দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
  • কেমন হবে আগামীর শিক্ষা ব্যবস্থা জানালেন উপদেষ্টা মাহদী আমিন
  • ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলতে হবে, না হলে জনগণই খুলে দেবে: নাহিদ ইসলাম
  • রাজধানীর পূর্বাচলে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত
  • জুলাই আন্দোলনের দুই বছর : কোটা সংস্কারের দাবি থেকে ইতিহাস বদলের যাত্রা
  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর
  • ফ্যাসিস্টদের অবশিষ্ট অংশ এখনো সক্রিয়, জুলাই চেতনা বাঁচিয়ে রাখতে হবে: রিজভী