শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

যেখানে ১৫০ টাকায় মেলে নারী শ্রমিক

প্রতিদিন ভোরে বিভিন্ন গ্রাম থেকে এসে জড়ো হন শত শত নারী-পুরুষ। কেউ বসে থাকেন কোদাল, ডালি অথবা ভাঁড় নিয়ে। আবার কেউ খালি হাতেই বসে থাকেন। ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় একদিনের জন্য নিজেদের শ্রম বিক্রি করেন তারা।

বলা হচ্ছে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার শ্রম কেনাবেচার হাট বা ‘কামলার হাট-এর কথা। এটি উপজেলার আমতলার মোড়ের দৈনন্দিন এক পরিচিত চিত্র। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালেও কাহারোল বাজার আমতলা মোড়ে গিয়ে শ্রম বেচা-কেনার এই দৃশ্য দেখা যায়।

এদের মধ্যে বেশিরভাগ সনাতন ধর্মাবলম্বী ও আদিবাসী নারী শ্রমিক, যারা কাজের সন্ধানে আসেন। এখান থেকে গৃহস্থরা যাদের যে কয়জন শ্রমিক প্রয়োজন হয় নিয়ে যান কাজের জন্য। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কাজ করেন তারা। আর মজুরি হিসেবে পান ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।

তবে ধান, ভুট্টা, আলু রোপণের সময় কাজের চাপ বেশি থাকায় মজুরি হয় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা। তবে এই শ্রমমূল্য অল্প দিনের জন্য থাকে। বর্তমানে বোরো মৌসুম চলায় কৃষিকাজ কম তাই হাতে কাজ নেই। এদিকে এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় শ্রমিকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেকেই কাজ না পেয়ে, খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

শ্রম বিক্রির জন্য আসা উপজেলার সাধুর বাজার গ্রামের কল্পনা রানী (৬০) বলেন, স্বামী অসুস্থ থাকায় আমাকে কাজে আসতে হয়েছে। আমার মেয়ে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স পাস করেছে। তবে মাস্টার্সে পড়ার খরচ জোগাড় না হওয়ায় সে এখন বাড়িতে।

উপজেলার সুন্দইল গ্রামের দলুয়া রায় (৬২) বলেন, দুই যুগ ধরে দিন মজুরির কাজ করতে এখানে আসি। কোনোদিন কাজ মেলে, কোনোদিন কাজ না পেয়ে ফিরে যাই। বর্তমানে মজুরি হিসেবে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পাই। তিনি দুঃখ করে বলেন, ১ কেজি মোটা চাল কিনতে ৬০ টাকা, ১ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে প্রায় ২০০ টাকা লাগে। বর্তমানে যে মজুরি, তা দিয়ে আমাদের সংসার কীভাবে চলবে?

এলাকার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শত শত নারী পুরুষ পেটের তাগিদে এসে ভিড় করে এখানে। কাজ পেলে তাদের মুখে হাসি ফোটে। আর না পেলে মলিন মুখে অপেক্ষা করতে হয় পরবর্তী দিনের জন্য।

জানা যায়, দুই যুগের বেশি সময় ধরে এই এলাকায় প্রতিদিন ভোরে শ্রম বেচা-কেনার হাট বসে। ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার দূর থেকে এই হাটে আসেন মানুষ কৃষি বা অন্য কোনো কাজ পাওয়ার আশায়।

নারী শ্রমিকরা এখন প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। আবার হতাশায় রয়েছেন অনেকে ফ্যামিলি কার্ডের সঠিক বণ্টন নিয়ে। তবে আশায় বুক বাঁধছেন কবে পাবেন সেই প্রত্যাশিত ফ্যামিলি কার্ড।

তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছেন। এই কার্ড পেলে ছেলেমেয়েদের নিয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সচিবালয় অভিমুখে শিক্ষার্থীদের লংমার্চ

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবিতে ঘোষিত ‘লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’বিস্তারিত পড়ুন

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিকূল আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে যারা কোনো বিষয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারেননিবিস্তারিত পড়ুন

চট্টগ্রাম ছাড়া সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষা চলবে

চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলা ছাড়া দেশের বাকি সব এলাকায় চলমান এইচএসসি ওবিস্তারিত পড়ুন

  • হাসিনার ফিরে আসার ঘোষণাকে স্বাগত জানাই: তথ্য উপদেষ্টা
  • শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ
  • মেধাবী উদ্যোক্তাদের ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সহযোগিতা দেবে সরকার
  • আশুলিয়ায় ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে যুবকের আঙুল বিচ্ছিন্ন
  • অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ৭ জেলায় বন্যা, প্রাণহানি বেড়ে ৪৪
  • নতুন নয়, বিদ্যমান কারিকুলামই পরিমার্জন করা হচ্ছে: মাহদী আমিন
  • প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ জন
  • বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ৯ বন্যা
  • ‘শেখ হাসিনা, আপনি এখনই দেশে ফিরে আসুন’
  • দেশে আগামী ১০০ বছরেও আর কোনো গণ–অভ্যুত্থান হবে না: রুমিন ফারহানা
  • আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ নিয়ে বৈঠক শুরু কাল, আলোচনা হবে নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে
  • ৯০ ভাগ সিসিইউ রাজধানীতে, প্রান্তিক মানুষ কীভাবে সেবা পাবে: ডা. জুবাইদা রহমান