বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শ্যামনগরে জলজ উদ্ভিদবৈচিত্র্যের মেলা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: জলজ উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও স্থায়িত্বশীল ব্যবহারে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী জলজ উদ্ভিদবৈচিত্র্য মেলা।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম জেলেখালীতে শাপলা কিশোরী সংগঠন, সবুজ সংহতি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করে।

মেলায় পশ্চিম জেলেখালী গ্রামের কিশোরীরা ৪টি গ্রুপে ভাগ হয়ে উপকূলীয় এলাকার পানিতে জন্ম নেওয়া শাপলা, ঢ্যাব, শালুক, শেওলা, টোপরপনা, ইদুরকানী, কলমি, হেলাঞ্চ, আদাবরুন, চিচো, লজ্জাবতী, জলপানকচু, ঘাস, মেলে, ছাতেম, নল খাগড়াসহ ৩৫ ধরনের জলজ উদ্ভিদ প্রদর্শন করে।

এসময় জলজ উদ্ভিদের প্রাপ্তিস্থান, গুণাবলী, ব্যবহার, কোন মৌসুমে কি কি পাওয়া যায়, কোনটি মানুষ ও প্রাণীর ওষুধ হিসাবে ব্যবহার হয়, এগুলোর হারিয়ে যাওয়ার কারণ এবং পরিবেশের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ তাও তুলে ধরা হয়।

মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন সবুজ সংহতির সভাপতি ডা. যোগেশ চন্দ্র মন্ডল এর সভাপতিত্বে মেলায় অংশগ্রহণকারী দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্যে জলজ উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন মুন্সিগঞ্জ ইউপি সদস্য নীপা চক্রবর্তী, ধুমঘাট নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিভূতি মাঝী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাছুম বিল্লাহ, কৃষক ভুধর চন্দ্র মন্ডল ও দেবীরঞ্জন মন্ডল, শিক্ষার্থী অন্যন্যা রাণী ও ধৃতিমা মন্ডল, প্রবীণ নাগরিক গংগারাম মাঝী, বারসিক কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ জোয়ারদার ও বিশ্বজিৎ মন্ডল।

তারা বলেন, প্রকৃতির সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্ক। প্রকৃতিতে বেড়ে ওঠা প্রাণ ও উদ্ভিদবৈচিত্র্য যেমন মানুষের খাদ্য ও চিকিৎসার কাজে ব্যবহার হয়, তেমনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অন্যান্য কর্মকাণ্ডেও ব্যবহার হয়। এসব প্রাণ ও উদ্ভিদবৈচিত্রের মধ্যে অন্যতম হলো জলজ উদ্ভিদ।

স্থানীয় কৃষক তারাপদ গাঁতীদার বলেন, উপকূলীয় এলাকায় প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার ও মনুষ্য বসতি স্থাপন বৃদ্ধিতে প্রাণ ও উদ্ভিদবৈচিত্র্য অনেকাংশে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এ সকল উদ্ভিদ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণে ব্যক্তি ও সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা রকম উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার। কেননা এসব উদ্ভিদ জলজ প্রাণী, মানুষ ও গবাদিপশুর খাদ্যভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে।

তিনি বলেন, আমাদের উপকূল একসময় ছিলো প্রাণবৈচিত্র্যে ভরপুর। কালের বিবর্তনে তা আজ বিলুপ্তির পথে। আর তার মূল কারণ হলো লবণাক্ততা। দিনে দিনে লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে সকল প্রাণবৈচিত্র্য কমতে শুরু করেছে। আর এসকল প্রাণবৈচিত্র্যের মধ্যে জলজ উদ্ভিদ অন্যতম। জলজ উদ্ভিদ না থাকলে মাছসহ অনেক জলজ প্রাণী বাঁচতে পারেনা, যেটি পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য জলজ উদ্ভিদ সংরক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শ্যামনগরের গাবুরাতে পরিবারে আয় বৃদ্ধি করতে ১৪ জনকে গরু বিতরণ

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফেইথ ইন এ্যাকশন গাবুরা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড এর ১৫টিবিস্তারিত পড়ুন

শ্যামনগরের গাবুরাতে স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকরণ বিতরণ

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফেইথ ইন এ্যাকশন গাবুরা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড এর ১৫টিবিস্তারিত পড়ুন

খাল খননের নামে কৃষিজমি নষ্টের অভিযোগে শ্যামনগরে কৃষকদের বিক্ষোভ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ধানখালী এলাকায় খাল খননের নামে কৃষিজমি নষ্টেরবিস্তারিত পড়ুন

  • সুন্দরবনে বনবিভাগের সদস্যদের ছোড়া গুলিতে জেলের মৃ*ত্যুর অভিযোগ
  • সাতক্ষীরায় বিলুপ্তির পথে ধানের গোলা
  • জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে শ্যামনগরের আটুলিয়া ইউনিয়নে বাজেট বৃদ্ধির দাবি
  • শ্যামনগরে বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠনের প্রকল্প অবহিতকরণ সভা
  • সাতক্ষীরার নবাগত ডিসিকে জামায়াতের এমপিদের ফুলেল শুভেচ্ছা: মিশ্র প্রতিক্রিয়া
  • উপকূলীয় শিশু ও যুবদের মাঝে জার্সি বিতরণ ও খেলাধুলার উদ্ধুদ্ধকরণ
  • দেশসেরা সুস্বাদু আমে সয়লাব সাতক্ষীরার বাজার: গোবিন্দভোগ প্রতিমণ ১৬০০ টাকা
  • শিমু রেজা এমপি কলেজে দুই সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা
  • সাতক্ষীরায় সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও উপকারভোগীদের সংলাপ
  • সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু ২৯ এপ্রিল
  • শ্যামনগরে বিনামূল্যে ১০০০ লিটারের ৬০টি পানির ট্যাংক ও সেটিং উপকরণ বিতরণ
  • শ্যামনগরে ২০০ জন নারী-পুরুষকে লবণ সহনশীল বীজ, জৈব সার, জিও ব্যাগ ও পানির ঝাঁঝরি বিতরণ