বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শ্যামনগরে জলজ উদ্ভিদবৈচিত্র্যের মেলা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: জলজ উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও স্থায়িত্বশীল ব্যবহারে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী জলজ উদ্ভিদবৈচিত্র্য মেলা।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম জেলেখালীতে শাপলা কিশোরী সংগঠন, সবুজ সংহতি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করে।

মেলায় পশ্চিম জেলেখালী গ্রামের কিশোরীরা ৪টি গ্রুপে ভাগ হয়ে উপকূলীয় এলাকার পানিতে জন্ম নেওয়া শাপলা, ঢ্যাব, শালুক, শেওলা, টোপরপনা, ইদুরকানী, কলমি, হেলাঞ্চ, আদাবরুন, চিচো, লজ্জাবতী, জলপানকচু, ঘাস, মেলে, ছাতেম, নল খাগড়াসহ ৩৫ ধরনের জলজ উদ্ভিদ প্রদর্শন করে।

এসময় জলজ উদ্ভিদের প্রাপ্তিস্থান, গুণাবলী, ব্যবহার, কোন মৌসুমে কি কি পাওয়া যায়, কোনটি মানুষ ও প্রাণীর ওষুধ হিসাবে ব্যবহার হয়, এগুলোর হারিয়ে যাওয়ার কারণ এবং পরিবেশের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ তাও তুলে ধরা হয়।

মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন সবুজ সংহতির সভাপতি ডা. যোগেশ চন্দ্র মন্ডল এর সভাপতিত্বে মেলায় অংশগ্রহণকারী দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্যে জলজ উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন মুন্সিগঞ্জ ইউপি সদস্য নীপা চক্রবর্তী, ধুমঘাট নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিভূতি মাঝী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাছুম বিল্লাহ, কৃষক ভুধর চন্দ্র মন্ডল ও দেবীরঞ্জন মন্ডল, শিক্ষার্থী অন্যন্যা রাণী ও ধৃতিমা মন্ডল, প্রবীণ নাগরিক গংগারাম মাঝী, বারসিক কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ জোয়ারদার ও বিশ্বজিৎ মন্ডল।

তারা বলেন, প্রকৃতির সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্ক। প্রকৃতিতে বেড়ে ওঠা প্রাণ ও উদ্ভিদবৈচিত্র্য যেমন মানুষের খাদ্য ও চিকিৎসার কাজে ব্যবহার হয়, তেমনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অন্যান্য কর্মকাণ্ডেও ব্যবহার হয়। এসব প্রাণ ও উদ্ভিদবৈচিত্রের মধ্যে অন্যতম হলো জলজ উদ্ভিদ।

স্থানীয় কৃষক তারাপদ গাঁতীদার বলেন, উপকূলীয় এলাকায় প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার ও মনুষ্য বসতি স্থাপন বৃদ্ধিতে প্রাণ ও উদ্ভিদবৈচিত্র্য অনেকাংশে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এ সকল উদ্ভিদ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণে ব্যক্তি ও সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা রকম উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার। কেননা এসব উদ্ভিদ জলজ প্রাণী, মানুষ ও গবাদিপশুর খাদ্যভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে।

তিনি বলেন, আমাদের উপকূল একসময় ছিলো প্রাণবৈচিত্র্যে ভরপুর। কালের বিবর্তনে তা আজ বিলুপ্তির পথে। আর তার মূল কারণ হলো লবণাক্ততা। দিনে দিনে লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে সকল প্রাণবৈচিত্র্য কমতে শুরু করেছে। আর এসকল প্রাণবৈচিত্র্যের মধ্যে জলজ উদ্ভিদ অন্যতম। জলজ উদ্ভিদ না থাকলে মাছসহ অনেক জলজ প্রাণী বাঁচতে পারেনা, যেটি পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য জলজ উদ্ভিদ সংরক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন কৌশলবিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশবান্ধব কৃষিচর্চা সম্প্রসারণেরবিস্তারিত পড়ুন

শ্যামনগরে সম্পদ ভিত্তিক কমিউনিটি নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ

সিসিডিবির শক্তি প্রকল্পের উদ্যোগে সম্পদ ভিত্তিক কমিউনিটি নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন বিষয়ক দুই দিনব্যাপীবিস্তারিত পড়ুন

শ্যামনগরে পরিবারে আয় বৃদ্ধি করতে হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফেইথ ইন এ্যাকশন গাবুরা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড এর ১৫টিবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরায় ‘প্রেরণা’ এনজিও’র পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা
  • শ্যামনগরে প্রতিবন্ধকতা জয় করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন সোহাগের
  • উপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ ও চারা রোপণে ঐক্যবদ্ধ অঙ্গীকার
  • শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন
  • শ্যামনগরের আতরজান মহিলা কলেজে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
  • শ্যামনগরের লবনাক্ত এলাকায় মিষ্টি পানির প্ল্যান্ট, মিলছে সুপেয় পানি
  • শ্যামনগরে বিদ্যালয়ের অফিসে আগুন: পুড়ে গেছে কম্পিউটার, শিক্ষা উপকরণ ও নথিপত্র
  • শ্যামনগরে স্থানীয় মানুষের অধিকার এবং এ্যাডভোকেসি বিষয়ে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপ্তি
  • বিলিভার্সের গ্র্যান্ড ওপেনিংয়ে সাতক্ষীরার শোরুমে ভাগ্য খুলল শ্যামনগরের জাহাঙ্গীর আলমের, পেলেন আইফোন
  • শ্যামনগরে ২৫০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সূচনা : জাতীয় গ্রিডে যাবে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ
  • জামিন পেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে: গাজী নজরুলের বিষয়ে বিচারক
  • শ্যামনগরের গাবুরায় ৫০ পরিবারে ব্রতীর ‌বিনামূ‌ল্যে পানির ট্যাংক বিতরণ