বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২৪

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সাতক্ষীরায় দেশের প্রথম ভাষা সৈনিকের স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধ

ফারুক রহমান, সাতক্ষীরা: শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিকের স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন অনুষ্ঠান হয়েছে।

শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটি ও প্রথম আলো বন্ধু সভার আয়োজনে রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস কে হাসানের সভাপতিত্বে ও প্রথম আলো বন্ধু সভার সভাপতি কর্ন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন প্রথম আলো নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, সময় টিভির মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাদব চন্দ্র দত্ত, ডিবিসির বেলাল হোসেন।

বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, ভূমিহীন সমিতির সভাপতি আবদুস সামাদ, প্রথম আলো বন্ধু সভার দপ্তর সম্পাদক তারিক ইসলাম, আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি সচ্চিদানন্দ দে সদয় প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান। তিনি জেলার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ১৯৩০ সালে নানার বাড়ি বুধহাটা গ্রামে আনোয়ার হোসেন জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ছিল কনুই গাজী ও মায়ের নাম পরীজান বিবি। তিন ভাইয়ের মধ্যে আনোয়ার হোসেন ছিল সবার বড়।

মেধাবী আনোয়ার হোসেন বাড়ি সংলগ্ন বুধহাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। এর পর বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার একপর্যায়ে তিনি খুলনা জেলা স্কুলে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৪৬ সালে এসএসসি পাস করেন।

পরে খুলনার বিএল কলেজে পড়াশুনাকালীন ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন। তরুণ আনোয়ার হোসেন ভাষা আন্দোলনের একপর্যায়ে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ খুলনার তৎকালিন গান্ধী পার্কে (বর্তমানে হাদিস পার্ক) ভাষা আন্দোলনের পক্ষে ইস্তেহার পাঠ করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কয়েকদিন পর তিনি মুক্তি পান।

পরে ভাষা আন্দোলনের মিছিল থেকে ১৯৪৯ সালে পুলিশ তাকে আবারও গ্রেপ্তার করে প্রথমে তাকে কোতয়ালী থানায় রাখা হয়। পরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজশাহী কারাগারে।

সেখানে পাকিস্তান সরকারের নির্যাতন ও নিপীড়ণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখেন তিনি। একপর্যায়ে ১৯৫০ সালে ২৪ এপ্রিল রাজশাহী জেলে খাপড়া ওয়ার্ডে গুলি চালানো হয়। তাতে সাতজন কারাবন্দি নিহত হন। তার মধ্যে ছাত্রনেতা আনোয়ার হোসেন ছিলেন অন্যতম। তাই আমরা বিশ্বাস করি মাতৃভাষা রক্ষার আন্দোলনে ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন দেশের প্রথম শহীদ। অথচ রাষ্ট্রীয়ভাবে তার কোন স্বীকৃতি নেই। তাই আমাদের দাবি শহীদ আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান।

বক্তারা প্রধানমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সাতক্ষীরা জেলা সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আনোয়ার হোসেনের নামে সরকারিভাবে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রতিষ্ঠান শহীদ আনোয়ার হোসেনের নামে নামকরণ, অবিলম্বে তাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মরণোত্তর একুশে পদক্ষে ভূষিত করার দাবি জানন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

পাটকেলঘাটায় ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের অভিযানে ২০ পিচ ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় প্রেমিকার উপর অভিমান করে প্রদীপ কুমার আত্মহত্যা

সাতক্ষীরার মুন্সিগঞ্জে প্রেমিকার উপর অভিমান করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন প্রদীপবিস্তারিত পড়ুন

বইছে তাপপ্রবাহ, গরম আরো বাড়ার আভাস

দেশজুড়ে বইছে তাপপ্রবাহ। গরমে নাকাল জনজীবন। আগামী ৫ দিনে তাপমাত্রা কমার আভাসবিস্তারিত পড়ুন

  • তেজগাঁওয়ে ‘যমুনা এক্সপ্রেস’ লাইনচ্যুত
  • মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
  • মিয়ানমারের ৪৬ বিজিপি সদস্য ঢুকল বাংলাদেশে
  • ২৩ বছর পর জেল থেকে বেরিয়ে দেখেন পরিবারের কেউই বেঁচে নেই
  • দেবহাটায় উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন কিনলেন মুজিবর রহমান
  • কলারোয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবুল কাশেমের ইন্তেকাল
  • সাতক্ষীরা জেলা কৃষকলীগের প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন
  • আশাশুনির আনুলিয়ায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচে খুলনা জেলা ১-০ গোলে জয়ী
  • আশাশুনির টেংরাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হাফিজুল আর নেই
  • নড়াইলের সুলতান মঞ্চ চত্বরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সুলতান মেলার উদ্বোধন
  • দেবহাটায় ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ৪ বার গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ
  • কলারোয়ার জয়নগর মদন মোহন মন্দিরে পহেলা বৈশাখ উদযাপন