বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

অডিও যাচাই করলো বিবিসি: আন্দোলনকারীদের ওপর প্রা*ণঘাতী অ*স্ত্র প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছিলেন হাসিনা

জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্র প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির অনুসন্ধানী এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবিসির অনুসন্ধানী ইউনিট বিবিসি আই ইনভেস্টিগেশন বলেছে, ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপের অডিও যাচাই করেছে তারা। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘যেখানেই ওদের (বিক্ষোভকারী) পাওয়া যাবে, গুলি করা হবে।’ বুধবার (৯ জুলাই) এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি।

ফাঁস হওয়া ওই অডিও অনুযায়ী, শেখ হাসিনা নিরাপত্তা বাহিনীগুলোকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেন। তিনি বলেন, তারা (বাহিনীর সদস্যরা) যেখানে আন্দোলনকারীদের পাবে, সেখানে গুলি করতে পারবে। সরকারি এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে এই কথোপকথনের অডিওটিকে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে শেখ হাসিনাকে আন্দোলনকারীদের ওপর সরাসরি গুলি চালানোর নির্দেশ দিতে শোনা যায়।

বিবিসিকে একটি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ওই ফোনালাপটি করেছিলেন। চলতি বছরের মার্চ মাসে অডিওটি ফাঁস হয়। বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করে নিশ্চিত করেছে যে, ফাঁস হওয়া রেকর্ডিংয়ে শোনা যাওয়া কণ্ঠস্বর শেখ হাসিনার কণ্ঠের সঙ্গে মিলে যায়।

বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, একটি স্বাধীন ফরেনসিক বিশ্লেষক দল ইয়ারশটের ওই অডিও আলাদাভাবে পরীক্ষা করে এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে। বিশ্লেষণে কোনো ধরনের সম্পাদনা, বিকৃতি কিংবা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রমাণ মেলেনি। তাদের মতে, এটি জেনুইন ও অখণ্ড রেকর্ডিং।

মানবাধিকার ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে অডিও বিশ্লেষণমূলক তদন্ত পরিচালনাকারী অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘ইয়ারশট’ জানিয়েছে, ফোনকলটি স্পিকারে বাজানো হয়েছিল; এমনকি একটি ঘরে এ রেকর্ডিংটি ধারণ করা হয়েছিল। কারণ এতে স্বতন্ত্র টেলিফোনিক ফ্রিকোয়েন্সি এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে কিছু শব্দ ছিল।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশেষজ্ঞরা রেকর্ডিংজুড়ে ইলেকট্রিক নেটওয়ার্ক ফ্রিকোয়েন্সি (ENF) শনাক্ত করেছেন, যা প্রমাণ করে যে, অডিওতে কোনো ধরনের হেরফের বা সম্পাদনা করা হয়নি। বিশ্লেষণে শেখ হাসিনার বক্তব্যে ছন্দ, স্বর ও শ্বাসপ্রশ্বাসের ধরন খতিয়ে দেখা হয়েছে। একই সঙ্গে ধারাবাহিক নয়েজের স্তরও বিশ্লেষণ করা হয়, যাতে কোনো কৃত্রিম পরিবর্তনের প্রমাণ মেলেনি।

ব্রিটিশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান বলেন, এসব রেকর্ডিং শেখ হাসিনার ভূমিকা প্রমাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অডিওগুলো যথার্থভাবে যাচাই করা হয়েছে এবং অন্যান্য প্রমাণের সঙ্গেও তা সামঞ্জস্যপূর্ণ।

একই রকম সংবাদ সমূহ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নাশকতা ঘটিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতেবিস্তারিত পড়ুন

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ঐক্যবদ্ধ: রিজভী

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ও গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ রয়েছেবিস্তারিত পড়ুন

বিচার নিশ্চিত না করলে মেয়াদ শেষ করতে পারবে না সরকার : নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি

জুলাই হত্যাকাণ্ড ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদিসহ বিভিন্ন আলোচিতবিস্তারিত পড়ুন

  • সংসদ সদস্যদের প্রতি স্পিকারের কড়া নির্দেশনা
  • ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদারের পদত্যাগ
  • বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের
  • ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার
  • জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধ : ৭ মামলায় ৫৯ জনের সাজা, মৃ’ত্যুদণ্ড ১৩ জনের
  • মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী
  • বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করবেন দীনেশ ত্রিবেদী
  • অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ: স্পিকার
  • ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক: চিফ প্রসিকিউটর
  • আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যেকোনো কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণা র‍্যাবের
  • জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে সরকারের ‘সংশয়-অবজ্ঞা’ দেখছে সুজন
  • বাংলাদেশি ‘ফুটবলপ্রেমীদের’ নিয়ে পরিকল্পনা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত