রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কন্যা সন্তান হওয়ায় স্ত্রী’র উপর নির্যাতন, দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ!

পরপর ৪ কন্যা সন্তানের জন্ম ও ছোট কন্যা ভূমিষ্ট হওয়ার আগেই অবৈধ গর্ভপাতে রাজি না হওয়ায় স্ত্রী’র উপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বামী, সতিন, দেবর, শ্বাশুড়ি মিলে বিশাখা রাণী দাস কে শারিরীক নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। এঘটনায় তাকে উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

‎শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে কেশবপুর থানার কোমরপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

‎প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ফতেপুর গ্রামের মৃত্যু হরেন দাসের মেয়ে বিশাখা রাণী দাস কে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার কোমরপুর গ্রামের মৃত্যু হাজরাপদ দাসের ছেলে শিবপদ দাসের সাথে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ে হয়। এই সময়ের মধ্যে তার গর্ভে পরপর ৪টি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তৃতীয় কন্যা সন্তানের জন্মের পর থেকে তার উপর নির্যাতন শুরু হয়। কারণে অকারণে তাকে মারধর করা হতো। এরই মধ্যে ৪র্থ সন্তান গর্ভে আসে। আসল বিপত্তি ঘটে ৪র্থ কন্যা সন্তানের জন্মের পর। প্রথমে সন্তান নষ্ট করার চেষ্টা করে। এতে বিশাখা রাজি না হওয়ায় সেটা সম্ভব হয়নি। ৪র্থ সন্তান জন্মের পর থেকে তার উপর অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যায়। গত ৪ মাস পূর্বে বিশাখা কে মারপিট করে পিতার বাড়িতে রেখে যাওয়া হয়। এর কিছুদিন পরে তাকে না জানিয়ে স্বামী শিবপদ দাস আবার বিয়ে করে। এই ঘটনা জানতে পেরে সে স্বামীর বাড়ি গেলে স্বামী শিবপদ, দেবর মৃত্যুজ্ঞয়, সতিন জ্যোতি দাস ও শ্বাশুড়ি শান্তি দাস মিলে ব্যপক মারধর করে। এসময় সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। প্রতিবেশির মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে তার ভাই রবিন দাস তাকে উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে এনে ভর্তি করে। এখনো অসুস্থ বিশাখা তালা সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

‎হাসপাতালে শয্যাসাহী বিশাখা দাস বলেন, প্রায় ১৫ বছর আগে আমার বিয়ে হয়। এই সময়ের মধ্যে আমার পরপর ৪ মেয়ে হয়। ছোট মেয়ে পেটে আসলে আমার স্বামী নষ্ট করার জন্য চাপ দেয়। আমি বাচ্চা নষ্ট করতে রাজি হইনি। ছোট মেয়ের জন্মের পর থেকে আমার উপর বেশি নির্যাতন শুরু করে। প্রায়ই আমাকে মারধর করে। ৪ মাস আগে আমাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। তখন আমার শ্বাশুড়ি ৭ দিন পরে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাপের বাড়ি রেখে যায়। সে থেকে আমি বাপের বাড়ি থাকি। এরমধ্যে ১ মাস আগে আমার স্বামী আমাকে রেখে আবার বিয়ে করে। জানতে পেরে স্বামীর বাড়ি গেলে স্বামী শিবপদ, দেবর মৃত্যুজ্ঞয়, সতিন জ্যোতি দাস ও শ্বাশুড়ি শান্তি দাস মিলে ব্যাপক মারধর করে। এসময় আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। প্রতিবেশির মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে আমার ভাই রবিন দাস উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে এনে ভর্তি করে।

‎বিশাখার ভাই রবিন দাস বলেন, আমি খবর পেয়ে বোনের বাড়িতে গিয়ে বোনকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পাই। এসময় তাকে উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে এনে ভর্তি করি।

‎মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় অভিযুক্ত শিবপদ দাসের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

প্রেসক্লাব যশোরের নবনির্বাচিত কমিটিকে তালা প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী প্রেসক্লাব যশোরের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে নবনির্বাচিত সভাপতি জাহিদবিস্তারিত পড়ুন

ভুল অস্ত্রোপচারের অভিযোগে রোগীর মৃত্যু, তালায় সার্জিক্যাল ক্লিনিক বন্ধ, বিক্ষোভ

সাতক্ষীরার তালায় ভুল অস্ত্রোপচারের অভিযোগে সাধন বিশ্বাস (৪৫) নামে এক রোগীর মৃত্যুরবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবের বড় ভগ্নিপতির ইন্তেকাল, তালা প্রেসক্লাবের শোক

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের বড়বিস্তারিত পড়ুন

  • ‎তালায় নেক্সাস প্রোগ্রামিং শক্তিশালীকরণে যুব অ্যাডভোকেসি সভা
  • তালায় গ্রামীণ সড়ক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
  • তালায় বাড়িতেই মজুত নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক! ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড
  • তালা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি
  • ফুসফুস নষ্ট হয়ে গেছে, বাঁচতে চান বাবা: মেয়ের আকুতি
  • ডা. কামরুল ইসলামের ইন্তেকালে তালা প্রেসক্লাবের শোকবার্তা
  • সাতক্ষীরার তালায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো বৃদ্ধের
  • তালায় ক্রয়কৃত জমিতে দোকানঘর নির্মাণে বাধা ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
  • তালায় জমি দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
  • তালায় এক স্কুলেই ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে, প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ
  • তালায় উপকারভোগীদের সাথে সরকারি দপ্তরসমূহের পরিচিতি সভা
  • তালায় বিলে অবৈধ বালু উত্তোলন, ৪ জনকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা