রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কন্যা সন্তান হওয়ায় স্ত্রী’র উপর নির্যাতন, দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ!

পরপর ৪ কন্যা সন্তানের জন্ম ও ছোট কন্যা ভূমিষ্ট হওয়ার আগেই অবৈধ গর্ভপাতে রাজি না হওয়ায় স্ত্রী’র উপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বামী, সতিন, দেবর, শ্বাশুড়ি মিলে বিশাখা রাণী দাস কে শারিরীক নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। এঘটনায় তাকে উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

‎শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে কেশবপুর থানার কোমরপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

‎প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ফতেপুর গ্রামের মৃত্যু হরেন দাসের মেয়ে বিশাখা রাণী দাস কে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার কোমরপুর গ্রামের মৃত্যু হাজরাপদ দাসের ছেলে শিবপদ দাসের সাথে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ে হয়। এই সময়ের মধ্যে তার গর্ভে পরপর ৪টি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তৃতীয় কন্যা সন্তানের জন্মের পর থেকে তার উপর নির্যাতন শুরু হয়। কারণে অকারণে তাকে মারধর করা হতো। এরই মধ্যে ৪র্থ সন্তান গর্ভে আসে। আসল বিপত্তি ঘটে ৪র্থ কন্যা সন্তানের জন্মের পর। প্রথমে সন্তান নষ্ট করার চেষ্টা করে। এতে বিশাখা রাজি না হওয়ায় সেটা সম্ভব হয়নি। ৪র্থ সন্তান জন্মের পর থেকে তার উপর অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যায়। গত ৪ মাস পূর্বে বিশাখা কে মারপিট করে পিতার বাড়িতে রেখে যাওয়া হয়। এর কিছুদিন পরে তাকে না জানিয়ে স্বামী শিবপদ দাস আবার বিয়ে করে। এই ঘটনা জানতে পেরে সে স্বামীর বাড়ি গেলে স্বামী শিবপদ, দেবর মৃত্যুজ্ঞয়, সতিন জ্যোতি দাস ও শ্বাশুড়ি শান্তি দাস মিলে ব্যপক মারধর করে। এসময় সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। প্রতিবেশির মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে তার ভাই রবিন দাস তাকে উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে এনে ভর্তি করে। এখনো অসুস্থ বিশাখা তালা সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

‎হাসপাতালে শয্যাসাহী বিশাখা দাস বলেন, প্রায় ১৫ বছর আগে আমার বিয়ে হয়। এই সময়ের মধ্যে আমার পরপর ৪ মেয়ে হয়। ছোট মেয়ে পেটে আসলে আমার স্বামী নষ্ট করার জন্য চাপ দেয়। আমি বাচ্চা নষ্ট করতে রাজি হইনি। ছোট মেয়ের জন্মের পর থেকে আমার উপর বেশি নির্যাতন শুরু করে। প্রায়ই আমাকে মারধর করে। ৪ মাস আগে আমাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। তখন আমার শ্বাশুড়ি ৭ দিন পরে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাপের বাড়ি রেখে যায়। সে থেকে আমি বাপের বাড়ি থাকি। এরমধ্যে ১ মাস আগে আমার স্বামী আমাকে রেখে আবার বিয়ে করে। জানতে পেরে স্বামীর বাড়ি গেলে স্বামী শিবপদ, দেবর মৃত্যুজ্ঞয়, সতিন জ্যোতি দাস ও শ্বাশুড়ি শান্তি দাস মিলে ব্যাপক মারধর করে। এসময় আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। প্রতিবেশির মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে আমার ভাই রবিন দাস উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে এনে ভর্তি করে।

‎বিশাখার ভাই রবিন দাস বলেন, আমি খবর পেয়ে বোনের বাড়িতে গিয়ে বোনকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পাই। এসময় তাকে উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে এনে ভর্তি করি।

‎মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় অভিযুক্ত শিবপদ দাসের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

তালায় ‘সমতা ফোরাম’ সিএসও হাবের ত্রৈমাসিক সভা

সাতক্ষীরার তালায় নাগরিক সমাজ সংগঠনসমূহের যৌথ নেটওয়ার্ক ‘সমতা ফোরাম’ (সিএসও হাব, সাতক্ষীরা)-এরবিস্তারিত পড়ুন

তালার ধানদিয়া ইউনিয়নে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

দেশে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃক্ষরোপনের উপর গুরুত্ববিস্তারিত পড়ুন

কার্যক্রম নি/ষি/দ্ধ আ.লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে পাটকেলঘাটা থানা জাসাসের মিছিল

সারাদেশে আওয়ামী লীগের কথিত নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রতিবাদে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানাবিস্তারিত পড়ুন

  • তালায় ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে বিএনপির প্রার্থী গাজী সিরাজুল ইসলাম
  • তালায় মাদকের তথ্য দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে পেটাল মাদক কারবারিরা, থানায় জিডি
  • তালায় রাস্তার জায়গায় পড়েছে মেহগনি গাছ, সরেজমিনে মাপজোক
  • তালার হাজরাকাটি ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও আলোচনা সভা
  • তালায় রেকর্ডীয় জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি
  • তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
  • তালায় দুস্থ রোগীদের জন্য ১৫০ ডেঙ্গু টেস্ট কিট প্রদান
  • তালায় উদ্দীপ্ত মহিলা উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত
  • তালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবি
  • সাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে হলেন সহকারী জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রাম
  • তালায় গাছের চারা বিতরণ
  • তালায় নায়েবকে ‘ম্যানেজ’ করে রাস্তার পাশের ২৫ মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ