বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ার কুশোডাঙ্গায় ফুটপাতে গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতার ভিড়

ফুটপাতে পৌষের শুরুতেই জেঁকে বসেছে শীত। বেশ কয়েক দিন ধরে এক নাগাড়ে শীতের প্রকাপে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। দিন দিন তাপমাত্রা কমে আসার ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। যার প্রভাব পড়েছে এলাকার খেটে খাওয়া কর্মজীবী মানুষদের ওপর। ফলে কমে গেছে কর্মজীবী অনেক মানুষের আয়ের উৎস। এদিকে শীত থেকে বাঁচতে ফুটপাতে বসা গরম
কাপড়ের দোকানগুলোই নিম্ন আয়ের মানুষের একমাত্র ভরসা।

সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের কলাটুপি বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা
গেছে, মাটির ওপর পাটি কিংবা চট বিছিয়ে নানা ধরনের কম দামি শীতবস্ত্রের পসরা নিয়ে বসেছেন দোকানি। আর কম দামে এসব শীতবস্ত্র কেনার জন্য চারপাশে ঘিরে ভিড় করছেন ক্রেতারা। ফুটপাতে ভ্যানে ও টং সাজিয়ে শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে চোখে পড়বে রকমারি নতুন ও পুরোনো শীতবস্ত্র। এসব দোকানে পাওয়া যাচ্ছে নতুন ও পুরোনো কোট, জ্যাকেট, সোয়েটার, চাদর, বিছানার চাদরসহ মহিলা
ও শিশুদের নানা ধরনের বাহারি শীতের পোশাক।টানা কয়েক দিন শৈত্যপ্রবাহ বাড়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত লোকজন এসব দোকানে শীতের কাপড় কেনার জন্য
ভিড় করছেন। শুধু নিম্ন ও মধ্যবিত্তরাই নন, বরং ধনীরাও খরচ কমাতে কিনছেন এসব শীতবস্ত্র।

পুরুষদের পাশাপাশি কম দামে শীতবস্ত্র কেনার সুযোগ হাতছাড়া করছেন না মহিলারাও। শীতবস্ত্র বিক্রয়ের যেন মহা ধুম পড়েছে। ফুটপাত শীতের কাপড় বেচাকেনা চলে দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। শীতবস্ত্র বিক্রেতা
একরামুল হক বলেন, আমরা গরমকালের শেষ দিকে গাট ধরে শীতবস্ত্রগুলো কিনে রাখি। শীত মৌসুমে সেসব কাপড় বের করে স্বল্প লাভে বিক্রয় করি। এতে ক্রেতারা যেমন কম দামে কাপড় পায়, অপরদিকে ব্যবসায়ীরাও লাভবান হয়।

শীতবস্ত্র ক্রেতা মুজিবুর রহমান জানান, বর্তমানে একটি শীতের কাপড় মার্কেটের ভালো কোনো দোকানে কিনতে গেলে সর্বনিম্ন ৫০০থেকে ১হাজার টাকা।লাগে। কিন্তু ফুটপাতে যেমন ভালো কাপড় পাওয়া যায়, ঠিক তেমনি ভাবে দামটাও সাশ্রয়ী। এতে করে সাধ্যের মধ্যে বাচ্চাদের আবদার সহজেই পূরণ করা যায়।

এছাড়াও পছন্দমতো মানানসই কাপড়গুলোও মিলে এসব ফুটপাতের দোকানে।শীতবস্ত্র ক্রেতা জেসমিন বলেন, সাশ্রয়ী মূল্যে কেনাকাটা করার জন্য ফুটপাতে গরম
কাপড়ের দোকানে এসেছি। দুইটা চাদর কিনেছি সাড়ে ৫০০টাকায়। মার্কেটের কোনো।দোকানে এই দুটো চাদর কিনতে গেলে ১ হাজারের নিচে পাওয়া যাবে না। শীতের
প্রকোপ আরো বাড়লে ফুটপাত গুলিতে ক্রয়-বিক্রয় আরো বাড়তে পারে।

সাশ্রয়ী মূল্যে ক্রয়-বিক্রয়ের ফলে একদিকে ক্রেতারা যেমন খুশি, অপরদিকে ব্যবসায়ীরাও লাভবান হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় প্রবাসীর ঘর নির্মাণে অনিয়ম, জাল চুক্তিপত্রে অতিরিক্ত টাকা দাবি

কলারোয়া প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া প্রবাসীর আরসিসি ঘর নির্মাণের জাল চুক্তিপত্র তৈরি করেবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় বিএনপি নেতা বাচ্চুর পিতা শেখ আব্দুল আজিজ আর নেই

কামরুল হাসান: কলারোয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্মবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নে গাছের চারা বিতরণ ও রোপনবিস্তারিত পড়ুন

  • ভাষা সৈনিক ও শিক্ষক নেতা শেখ আমানুল্লাহ’র মৃত্যু বার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া
  • কলারোয়ায় বাঁশের ভাসমান সাঁকোয় নদী পারাপার, টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি
  • কলারোয়ায় মাদক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ মাসের কারাদন্ড
  • কলারোয়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এক সন্তানের জননীর অবস্থান
  • কলারোয়ায় ‘মা’-ই শ্রেষ্ঠ শিক্ষক শীর্ষক সেমিনার
  • কলারোয়ায় ২৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১
  • কলারোয়ায় যুব জামায়াতের ১৪ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
  • দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি.এম নূর ইসলামের মৃত্যুতে কলারোয়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক
  • কলারোয়ায় মোয়াজ্জেম চেয়ারম্যানের বড় ভাই শাহাদাৎ হোসেনের ইন্তেকাল
  • কলারোয়ায় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
  • দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নূর ইসলামের মৃত্যুতে কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের শোক
  • কলারোয়া পৌরসভায় শিক্ষকদের নিয়ে পানির দায়িত্বশীল ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত