শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

গোয়াল ঘরে বাস নিহত এএসআই’র পিতা-মাতার! ঘর নির্মাণ করে দিলেন সাতক্ষীরার এসপি

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বাশ পেটে ঢুকে নিহত এএসআই শাহ জামালের মা-বাবাকে ঘর নির্মাণ করে দিলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।

যশোরের শার্শা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে শাহ জামালের পিতা-মাতার কাছে বৃহস্পতিবার বিকেলে উদ্বোধন শেষে ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়।

পরে তিনি শাহ জামালের কবর জিয়ারত করেন।

বসতঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শাহাজামালের মা-বাবা।

এসময় পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আশাশুনি থানায় কমরত অবস্থায় শাহ জামাল সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যান। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে পরিবারটি। বিশেষ করে তার পিতা-মাতার বাসযোগ্য কোন বসত বাড়ি ছিলনা। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের উদ্যোগে শাহ জামালের পিতা-মাতার জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। মানবিক কারণে এ ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে।’

দায়িত্বপালনকালিন সময়ে যেসব পুলিশ সদস্য বিভিন্ন দূর্ঘটনায় মারা গেছেন, তাদের পরিবারের পাশে দাড়ানোর জন্য সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান সাতক্ষীরার এই পুলিশ সুপার।

নিহতের পিতা সুলতান বিশ্বাস জানান, ‘গরুর গোয়ালে তিনিসহ তার স্ত্রী বসবাস করতেন। একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান মারা যাওয়ার পরে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। তার এই দুর্বিসহ দুরবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের উদ্যোগে খুবই প্রশংসনীয়।’

নিহতের মা হাওয়া বিবি জানান, ‘একদিকে ছেলেকে হারানোর বেদনা অন্যদিকে অভাবের তাড়নায় তারা দিশেহারা। এমন সময়ে মোস্তাফিজ আমার বড় সন্তানের দায়িত্ব পালন করেছে। আজ থেকে সে আমার বড় সন্তান। আমি মায়ের মত তার সফলতা কামনা করি।’

প্রসঙ্গত, ১০ সেপ্টেম্বর ভোরে আশাশুনি থানার বুধহাটা বাজারে পেট্রল ডিউটি সেরে থানায় যাওয়ার পথে চাপড়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ট্রাকে রাখা বাশ পেটে ঢুকে গুরুতর আহত হন শাহ জামাল। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শাহ জামালের গ্রামের বাড়ি শার্শা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে।

তার ৮ বছর বয়সী রাফি নামের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তার স্ত্রী বর্তমানে সন্তান সম্ভবা।

তাদের মাঠে কোন জমি-জমা নেই। শাহ জামালের ছোট ভাই মনিরুল ইসলাম কৃষি শ্রমিক। শাহ জামালের পিতা-মাতা গোয়াল ঘরের এক পাশে বসবাস করতেন।

তাদের এই দুরবস্থা দেখে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান নিজ উদ্যোগে দু’কক্ষ বিশিষ্ট একটি ঘর নির্মাণ করে দেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ ও তীব্র জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতেবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহিদ দিবস’ পালিত

সাতক্ষীরায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬’ পালিতবিস্তারিত পড়ুন

​সাতক্ষীরা মায়ের মন্দিরে ঢাক-ঢোলের আওয়াজে রথযাত্রা : ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসববিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুরে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভা
  • আবু সাঈদের স্মরণে সাতক্ষীরায় ১১ দলীয় জোটের র‍্যালি ও সমাবেশ
  • সাতক্ষীরা ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর গার্লস হাইস্কুলে ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস পালিত
  • সাতক্ষীরায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর ডাম্পিং স্টেশন প্রতিষ্ঠায় এডভোকিসি সভা
  • সাতক্ষীরায় পেশাজীবী চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
  • ভূমিহীনদের জন্য বিনা মূল্যে চিকিৎসার দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন
  • সাতক্ষীরায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ‘সিটিজেন্স রিপোর্ট কার্ড’ কার্যক্রমের অবহিতকরণ সভা
  • খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি: সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের উদ্বেগ
  • সাতক্ষীরায় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এঁর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান
  • বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ ইউনিয়ন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে আলোচনা সভা
  • নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য জামায়াতপন্থী সেজে চাঁদাবাজী
  • ধর্ষণের শিকার ৮ বছরের শিশুর পাশে জেলা প্রশাসন, চিকিৎসার ব্যয় বহনের আশ্বাস