শনিবার, জুন ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

গোয়াল ঘরে বাস নিহত এএসআই’র পিতা-মাতার! ঘর নির্মাণ করে দিলেন সাতক্ষীরার এসপি

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বাশ পেটে ঢুকে নিহত এএসআই শাহ জামালের মা-বাবাকে ঘর নির্মাণ করে দিলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।

যশোরের শার্শা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে শাহ জামালের পিতা-মাতার কাছে বৃহস্পতিবার বিকেলে উদ্বোধন শেষে ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়।

পরে তিনি শাহ জামালের কবর জিয়ারত করেন।

বসতঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শাহাজামালের মা-বাবা।

এসময় পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আশাশুনি থানায় কমরত অবস্থায় শাহ জামাল সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যান। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে পরিবারটি। বিশেষ করে তার পিতা-মাতার বাসযোগ্য কোন বসত বাড়ি ছিলনা। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের উদ্যোগে শাহ জামালের পিতা-মাতার জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। মানবিক কারণে এ ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে।’

দায়িত্বপালনকালিন সময়ে যেসব পুলিশ সদস্য বিভিন্ন দূর্ঘটনায় মারা গেছেন, তাদের পরিবারের পাশে দাড়ানোর জন্য সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান সাতক্ষীরার এই পুলিশ সুপার।

নিহতের পিতা সুলতান বিশ্বাস জানান, ‘গরুর গোয়ালে তিনিসহ তার স্ত্রী বসবাস করতেন। একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান মারা যাওয়ার পরে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। তার এই দুর্বিসহ দুরবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের উদ্যোগে খুবই প্রশংসনীয়।’

নিহতের মা হাওয়া বিবি জানান, ‘একদিকে ছেলেকে হারানোর বেদনা অন্যদিকে অভাবের তাড়নায় তারা দিশেহারা। এমন সময়ে মোস্তাফিজ আমার বড় সন্তানের দায়িত্ব পালন করেছে। আজ থেকে সে আমার বড় সন্তান। আমি মায়ের মত তার সফলতা কামনা করি।’

প্রসঙ্গত, ১০ সেপ্টেম্বর ভোরে আশাশুনি থানার বুধহাটা বাজারে পেট্রল ডিউটি সেরে থানায় যাওয়ার পথে চাপড়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ট্রাকে রাখা বাশ পেটে ঢুকে গুরুতর আহত হন শাহ জামাল। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শাহ জামালের গ্রামের বাড়ি শার্শা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে।

তার ৮ বছর বয়সী রাফি নামের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তার স্ত্রী বর্তমানে সন্তান সম্ভবা।

তাদের মাঠে কোন জমি-জমা নেই। শাহ জামালের ছোট ভাই মনিরুল ইসলাম কৃষি শ্রমিক। শাহ জামালের পিতা-মাতা গোয়াল ঘরের এক পাশে বসবাস করতেন।

তাদের এই দুরবস্থা দেখে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান নিজ উদ্যোগে দু’কক্ষ বিশিষ্ট একটি ঘর নির্মাণ করে দেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জনতার সংবর্ধনায় দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক, সাবেকবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় আখড়াখোলায় নারী, শান্তি ও সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভা

সাতক্ষীরার আখড়াখোলায় বিএনপিএস ও অর্জন ফাউন্ডেশনে উদ্যোগে নারী, শান্তি ও সহিংসতা প্রতিরোধবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরার মাছখোলায় রাস্তার জন্য সবাই জমি ছাড়লেও মিলছে না চলাচলের অধিকার

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাস্তা নির্মাণের জন্য নিজেদের পৈতৃক জমি ছেড়ে দিয়েছেন এলাকার প্রায়বিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরার মধুবাগ আবাসিক এলাকা উন্নয়ন কমিটির মাসিক সভা
  • সাতক্ষীরায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে খো খো প্রশিক্ষণ ও টুর্ণামেন্ট
  • জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের
  • সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বের সাথে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় ঢাকা মহানগর ছাত্রদল নেতা আবিরের
  • সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবকে জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজের শুভেচ্ছা
  • সাতক্ষীরায় ঐতিহ্যের সাক্ষী মৃত জামগাছ, দুর্ঘটনার শঙ্কায় উদ্বিগ্ন পৌরবাসী
  • সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হওয়ায় হাবিবকে ডি.বি ফ্রেন্ডস স্পোর্টিং ক্লাবের শুভেচ্ছা
  • সাতক্ষীরায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি
  • সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম
  • ২০ বছরেও সংস্কার হয়নি সাতক্ষীরার মাছখোলা পশ্চিমের সড়ক, চরম দুর্ভোগ
  • সাতক্ষীরায় অসহায় ও এতিমদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী
  • সাতক্ষীরায় নিজ ঘর থেকে মধ্য বয়সী নারির মরদেহ উদ্ধার