বুধবার, জুলাই ২২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জোটে নয়, ২৬৮ আসনে এককভাবে নির্বাচন করবে ইসলামী আন্দোলন

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৬৮ আসনে একক নির্বাচন করবে। তাদের সব প্রার্থীকে সেভাবেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন না।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরোনো পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।

এসময় জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইসলামী আন্দোলন ২৭০ আসনে প্রার্থী দেয়। এর মধ্যে দুজনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। বাকিদের এখন ভোটের মাঠে থাকতে বলা হয়েছে। দলটি জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতায় নির্বাচনে যাচ্ছে না।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘আমাদের ভোট নিয়ে যারা সংসদে যাবেন, তাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে। যেখানে আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা নেই, আস্থা নেই, সেখানে থাকা যায় না। এছাড়া জামায়াত আমির বলেছেন, জিতলে বিএনপির সঙ্গে জাতীয় সরকার গঠন করবেন। আগামীতে জাতীয় সরকার হবে কি না…ঐক্যের পাটাতনে দাঁড়িয়ে দেশ চালানোর ঘোষণা জামায়াত এককভাবে দিয়েছে। এটা তো মানা যাবে না।’

‘আমরা অত্যন্ত শঙ্কিত যে, আগামী দিনে আসলে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে কি না। আমাদের মধ্যে এই আশঙ্কা প্রবল হয়েছে যে, আমাদের সঙ্গে ঐক্য করে পর্দার আড়ালে বা তলে তলে অন্য কোনো পরিকল্পনা করা হচ্ছে কি না। আজ এই বিষয়গুলো জনগণের সামনে প্রকাশ করা জরুরি বলে আমরা মনে করছি। জনগণ পরিস্থিতি উপলব্ধি করছে। আমাদের কাছেও বিভিন্ন দিক থেকে নানা ধরনের সংবাদ আসছে। বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে কী ধরনের পরিকল্পনা বা সমন্বয় করা হচ্ছে, তা আমাদের কাছে এখনো অস্পষ্ট,’ যোগ করেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা।

নির্বাচনি প্রস্তুতির বিষয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার জানিয়ে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘সারাদেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬৮টি আসনে আমাদের প্রার্থী রয়েছে। বাকি ৩২টি আসন বর্তমানে ফাঁকা। তবে সেই আসনগুলোতেও আমরা সমর্থন দেব। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর আমরা সিদ্ধান্ত নেব ঠিক কাদের আমরা সমর্থন দিচ্ছি। এক্ষেত্রে আমাদের নীতি, আদর্শ এবং লক্ষ্যের সঙ্গে যাদের মিল থাকবে, তেমন যোগ্য প্রার্থীদেরই আমরা ইনশাআল্লাহ সমর্থন জানাবো।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আশাবাদী যে গোটা বাংলাদেশের ৩০০ আসনেই জনগণ চরমোনাই তথা ইসলামের সপক্ষে রায় দেবে। আগামী নির্বাচনে যেন সেই জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটে, আমরা ইনশাআল্লাহ সেই ব্যবস্থাই গ্রহণ করবো।’

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ১১ দলীয় জেটের আসন সমঝোতায় ২৫৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা হয়। এতে বলা হয়, জামায়াত ১৭৯ আসনে প্রার্থী দেবে। এছাড়া এনসিপি ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফত মজলিস ১০, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি তিন, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) সাত, বাংলাদেশ ডেপেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) দুই ও নেজামে ইসলাম পার্টি দুটি আসনে লড়বে। তখন অন্য তিন দলের আসন ঘোষণা করা হয়নি। এতে ছিল ইসলামী আন্দোলনসহ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি- জাগপা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি মনে করেন, মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য প্রত্যাশিতভাবে দায়িত্ব পালনবিস্তারিত পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা অংশ নিতে পারবেন না

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থিতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেবিস্তারিত পড়ুন

পুলিশে বড় রদবদল, ১৪ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন

পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে সরকার। বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ডিআইজি, অতিরিক্তবিস্তারিত পড়ুন

  • শরিকদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে, বিভেদ নেই: তারেক রহমান
  • দিল্লির প্রেস মিনিস্টার হলেন কলারোয়ার সন্তান সাংবাদিক সাইদুর রহমান
  • ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
  • মশা নিধনে দেশীয় উদ্ভাবনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের আহ্বান মির্জা ফখরুলের
  • গ্রেপ্তার মেজর মোজাফফরের বিচার হবে সামরিক আদালতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • বিদেশি সাংবাদিকের বইয়ে পাওয়া গেল মোজাফফরের অন্ধকার জীবনের গল্প
  • পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি
  • চূড়ান্ত পর্যায়ে নতুন বেতন কাঠামো গেজেট বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া
  • জুলাই সনদ বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল
  • নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয়: বিএনপি
  • হেফাজতের সমাবেশে হামলায় ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য মিলেছে : চিফ প্রসিকিউটর
  • বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে সরকারের খরচ প্রায় শূন্য, গত বিশ্বকাপে মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে লেনদেন হয়েছিল প্রায় ১৪০ কোটি টাকা