বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ঝিনাইদহে বিচারপ্রার্থী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

ঝিনাইদহে ইয়াবা ও গাঁজা সেবন করিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে হরিশংকরপুর ইউপির চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ ও তার গাড়ির ড্রাইভার শাহীনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) রাতে ভুক্তভোগী ওই নারী চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে, গত শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার হরিশংকরপুর গ্রামের নরহরিদ্রা গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী বর্তমানে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জানা যায়, কয়েক মাস আগে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলা কানাই ইউনিয়নের কোড়াপাড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে মহসীনের সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রতারণার মাধ্যমে ওই নারীর কাছ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন মহসীন। এ ছাড়া ২ মাস আগে তাদের বিয়ের বিষয়টিও অস্বীকার করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মাতব্বরসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে গেলেও কোনো সমাধান পাননি ওই নারী।

গত ১৫ এপ্রিল তিনি পার্শ্ববর্তী হরিশংকরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদের কাছে যান।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ফরিদ চেয়ারম্যানের গ্রামের বাড়ি হরিশংকরপুর ইউনিয়নের নরহরিদ্রা গ্রামে যান তিনি। কেউ না থাকার সুযোগে ফরিদ তাকে বাড়ির ভেতর ডেকে নিয়ে যান। আর ব্যক্তিগত গাড়িচালক শাহীনকে বলেন, বাড়িতে যেন কেউ না প্রবেশ করে।

পরে তাকে ইয়াবা ও গাঁজা সেবনের জন্য চাপাচাপি শুরু করেন চেয়ারম্যান ও শাহীন। কিন্তু এতে রাজি না হলে ওই নারীকে মারধর ও জোর করে ইয়াবা ও গাঁজা সেবন করানোর চেষ্টা করা হয়। এক পর্যায়ে ফরিদ ও শাহীন তাকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের ফলে জ্ঞান হারান তিনি। পরদিন সকাল ১০টার দিকে কে বা কারা তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে রেখে যায়।
বর্তমানে হাসপাতালেই ভর্তি আছেন তিনি।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, আমি তখন ভয়ে কিছু বলতে পারিনি। আমাকে নির্যাতন করা হয়েছে। এখন আমি ডাক্তারের কাছে বলেছি। ডাক্তার আমার আগের ভর্তি বাতিল করে নতুন করে ভর্তি করার কথা বলেছে। আমি ধর্ষক ফরিদ ও শাহীনের বিচার চাই।

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ বলেন, গত শুক্রবার বিকেলে মেয়েটি আমার কাছে বিচারের জন্য এসেছিল। আমি তার সঙ্গে কথা বলে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই। মেয়েটি যখন আসে এবং চলে যায় তখন আমার বাড়িতে প্রায় ৫০ জন লোক ছিল। সবাই দেখেছে। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তার কোনো সত্যতা নাই। আসলে আমার সম্মানহানির জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমি এই ষড়যন্ত্রের তদন্ত দাবি করছি।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

৩০ আগস্ট সাতক্ষীরা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

৩০ আগস্ট (রোববার) সাতক্ষীরা জেলা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীবিস্তারিত পড়ুন

ইউপি দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। আর অক্টোবর থেকেবিস্তারিত পড়ুন

বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠাবে সরকার

সরকারিভাবে কোনো ধরনের খরচ ছাড়াই ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েেশিয়ায় পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়াবিস্তারিত পড়ুন

  • দেশে নতুন কোনো শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হবে না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
  • প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শকে দেশে প্রতিষ্ঠিত করছেন: মঈন খান
  • বর্তমান সরকারের জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার : সাবেক উপদেষ্টা
  • ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি
  • লোডশেডিং সমন্বয় করতে নতুন উদ্যোগ সরকারের
  • নিম্নমানের ১০ পণ্য অবিলম্বে বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ
  • মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • দলগুলোর সদিচ্ছা থাকলে সহিংসতামুক্ত স্থানীয় নির্বাচন সম্ভব: ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ
  • স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জানতে ইসির সঙ্গে বসবে সরকার
  • রাষ্ট্রপতির নির্ধারিত ঠাকুরগাঁও সফর স্থগিত
  • ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ
  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব বেশি দেরি হবে না: সিইসি