বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ঝিনাইদহে বিচারপ্রার্থী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

ঝিনাইদহে ইয়াবা ও গাঁজা সেবন করিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে হরিশংকরপুর ইউপির চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ ও তার গাড়ির ড্রাইভার শাহীনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) রাতে ভুক্তভোগী ওই নারী চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে, গত শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার হরিশংকরপুর গ্রামের নরহরিদ্রা গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী বর্তমানে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জানা যায়, কয়েক মাস আগে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলা কানাই ইউনিয়নের কোড়াপাড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে মহসীনের সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রতারণার মাধ্যমে ওই নারীর কাছ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন মহসীন। এ ছাড়া ২ মাস আগে তাদের বিয়ের বিষয়টিও অস্বীকার করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মাতব্বরসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে গেলেও কোনো সমাধান পাননি ওই নারী।

গত ১৫ এপ্রিল তিনি পার্শ্ববর্তী হরিশংকরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদের কাছে যান।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ফরিদ চেয়ারম্যানের গ্রামের বাড়ি হরিশংকরপুর ইউনিয়নের নরহরিদ্রা গ্রামে যান তিনি। কেউ না থাকার সুযোগে ফরিদ তাকে বাড়ির ভেতর ডেকে নিয়ে যান। আর ব্যক্তিগত গাড়িচালক শাহীনকে বলেন, বাড়িতে যেন কেউ না প্রবেশ করে।

পরে তাকে ইয়াবা ও গাঁজা সেবনের জন্য চাপাচাপি শুরু করেন চেয়ারম্যান ও শাহীন। কিন্তু এতে রাজি না হলে ওই নারীকে মারধর ও জোর করে ইয়াবা ও গাঁজা সেবন করানোর চেষ্টা করা হয়। এক পর্যায়ে ফরিদ ও শাহীন তাকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের ফলে জ্ঞান হারান তিনি। পরদিন সকাল ১০টার দিকে কে বা কারা তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে রেখে যায়।
বর্তমানে হাসপাতালেই ভর্তি আছেন তিনি।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, আমি তখন ভয়ে কিছু বলতে পারিনি। আমাকে নির্যাতন করা হয়েছে। এখন আমি ডাক্তারের কাছে বলেছি। ডাক্তার আমার আগের ভর্তি বাতিল করে নতুন করে ভর্তি করার কথা বলেছে। আমি ধর্ষক ফরিদ ও শাহীনের বিচার চাই।

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ বলেন, গত শুক্রবার বিকেলে মেয়েটি আমার কাছে বিচারের জন্য এসেছিল। আমি তার সঙ্গে কথা বলে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই। মেয়েটি যখন আসে এবং চলে যায় তখন আমার বাড়িতে প্রায় ৫০ জন লোক ছিল। সবাই দেখেছে। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তার কোনো সত্যতা নাই। আসলে আমার সম্মানহানির জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমি এই ষড়যন্ত্রের তদন্ত দাবি করছি।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

তালায় বাড়িতেই মজুত নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক! ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

বাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক। র‌্যাবের অভিযানে প্রায় ৫ লাখবিস্তারিত পড়ুন

তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ: আবেদন যেভাবে, ফরম পাবেন যেখানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরওবিস্তারিত পড়ুন

বছরে ৫ হাজার তরুণকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে: মাহদী আমিন

তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের আওতায় গঠিত স্টার্টআপ তহবিল থেকে প্রতি বছরবিস্তারিত পড়ুন

  • জেলা পর্যায়েও সাইবার ইউনিট গঠন করবে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • একনেকে ৩ মেট্রোরেলসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন
  • ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড, পদদলিত হয়ে শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু
  • পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক ঢুকছে বাংলাদেশে: আইনমন্ত্রী
  • পুকুরে ডুবে সাতক্ষীরায় একই বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু
  • নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউপি ভোটে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন
  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরাও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন, যদি…
  • ২০২৮ সালের আগেই আরেকটি ভাসমান টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ: মাহদী আমিন
  • ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে তারা সঠিক মর্যাদা দিয়ে ইনভাইট করেনি: স্পিকার
  • ৭০ কিলোমিটারজুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার
  • হামের টিকা পেয়েছে এক কোটি ৯৭ লাখের বেশি শিশু
  • শিল্প-কলকারখানায় ‘আগের মতো’ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর