সোমবার, মে ২০, ২০২৪

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

না ফেরার দেশে ‘সংবাদ’ এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুনীরুজ্জামান

দৈনিক ‘সংবাদ’ এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খন্দকার মুনীরুজ্জামান আর নেই।

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ৭টা ২০ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, খন্দকার মুনীরুজ্জামান সম্প্রতি জ্বরে আক্রান্ত হন। এরপর তার করোনা পরীক্ষা করা হয়। টেস্টে পজিটিভ হওয়ার পর তিনি শান্তিনগরের নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হলে রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৯৭০ সালে সিপিবির মুখপত্র সাপ্তাহিক একতায় সাংবাদিকতা শুরু করেন খন্দকার মুনীরুজ্জমান। তিনি প্রায় এক যুগ ধরে দেশের প্রাচীন পত্রিকা দৈনিক সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে দৈনিক সংবাদের সম্পাদকীয় বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা অবস্থায় বাম রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

সাংবাদিক বুলবুল আহসান তার ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লিখেছেন, মুনীর ভাই ছবি হয়ে গেলেন, সকাল ৭.৪০, না ফেরার দেশে।

সাংবাদিক শাহ মুহাম্মদ মুতাসিম বিল্লাহ বিষয়টি তার ফেসবুকে লিখেছেন, আমাদের প্রিয় মুনীর ভাই আর নেই। রফিক ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, মুনীর ভাই করোনায় আক্রান্ত হয়ে সকালে চলে গেলেন। তিনি ছিলেন দেশের প্রথিতযশা সাংবাদিক, মুক্তচিন্তার প্রতীক, অত্যন্ত সজ্জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতী সন্তান মুনীরুজ্জামান।

তিনি আরও লিখেছেন, তার মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-এর পক্ষ থেকে সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মুহাম্মদ মুতাসিম বিল্লাহ গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

দৈনিক সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক খন্দকার মুনীরুজ্জামান মুনীরের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো পৃথক শোকবার্তায় মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) এ শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন তারা।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৭টা ২০ মিনিটে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। মুনীরুজ্জামান করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই সপ্তাহ আগে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, খন্দকার মুনীরুজ্জামান জ্বরে আক্রান্ত হন। এরপর পরীক্ষায় তার করোনা পজিটিভ এলে তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হলে গত ৩১ অক্টোবর রাতে তাকে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

খন্দকার মুনীরুজ্জামান ১৯৪৮ সালে ১২ মার্চ ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময় সাংবাদিকতায় যুক্ত হন। একই সময়ে তিনি বাম রাজনীতির দীক্ষা নেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করেছেন। দৈনিক সংবাদে তিনি সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। পরে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হন। তিনি দীর্ঘদিন কমিউনিস্ট পার্টির ঢাকা জেলা কমিটির সম্পাদক ছিলেন।

খন্দকার মুনীরুজ্জামান সাংবাদিকতা ছাড়াও কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, চিত্র সমালোচনা এবং নিয়মিত কলাম লিখতেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

‘বঙ্গবন্ধু কন্যার লড়াইয়ের গল্প বিশ্বের কাছে তুলে ধরাই হোক অঙ্গীকার’

বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লড়াইয়ের গল্প গোটা বিশ্বের কাছে তুলে ধরাইবিস্তারিত পড়ুন

দুই দিনের মধ্যে সাগরে লঘুচাপ, বাড়তে পারে বৃষ্টি

আগামী দুই দিনের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গেবিস্তারিত পড়ুন

এমপি আনোয়ারুল আজিমের সর্বশেষ অবস্থান ভারতের মুজাফফরাবাদ: ডিবিপ্রধান

ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারকে আরবিস্তারিত পড়ুন

  • কলকাতায় ডাক্তার দেখাতে বেরিয়ে আর ফেরেননি বাংলাদেশি এমপি আনোয়ারুল আজিম
  • ভারতে গিয়ে নিখোঁজ এমপি আনার!, খুঁজে পেতে ডিবিতে মেয়ে
  • অস্তিত্ব জানান দিতেই বিএনপির লিটলেট বিতরণ: ওবায়দুল কাদের
  • ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ যেসব অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে
  • ২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক গড় আয়ু পাঁচ বছর বাড়বে
  • বিমানবন্দরে যাত্রীর শরীরে মিললো সাড়ে চার কোটি টাকার সোনা
  • সৌদিতে চলতি বছরে প্রথম বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু
  • প্রধানমন্ত্রী চান বাংলাদেশের সকল মানুষ এক ছাতার নিচে বাস করবে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী
  • চাপ আসলেও সংবিধানের বাইরে যাবে না আওয়ামী লীগ: ওবায়দুল কাদের
  • বেনাপোলে বন্ধ থাকবে পাঁচ দিন আমদানি-রপ্তানি, তিন দিন যাতায়াত
  • ৬ তারিখে বাজেট দেবো, বাস্তবায়নও করবো: প্রধানমন্ত্রী
  • রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়া ১০ হাজারের বেশি বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাজ্য