রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

দায়িত্ব গ্রহণের দ্বিতীয় দিনে সচিবালয়ে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি দেশের তিন বাহিনী প্রধানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে মিলিত হন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এটিই তার প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্ম-পরিকল্পনা বিষয়ক বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান। এই সাক্ষাতে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদারে তিন বাহিনী প্রধানের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। সকালে তিনি জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালকদের সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলেন।

এসব বৈঠকে দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয় থেকে একযোগে এই উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকগুলো বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারমূলক অবস্থানকে স্পষ্ট করছে।

নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশাসনিক সভায় মনোনিবেশ করেন। বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে আয়োজিত একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করেন।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ন্যায্যমূল্যে খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করার আইনি ও কারিগরি কাঠামো চূড়ান্ত করা হচ্ছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন।

বিকেলেও প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক সূচিতে রয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সভা। দুপুর ২টায় তিনি ‘সবুজ বিপ্লব’ ও পরিবেশ রক্ষায় ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি নিয়ে আরেকটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় বসবেন। দখল হয়ে যাওয়া জলাশয় উদ্ধার এবং কৃষি সেচ ব্যবস্থা উন্নত করতে এই কর্মসূচিটি নতুন সরকারের একটি মেগা প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দ্বিতীয় দিনের এই নিরবচ্ছিন্ন কর্মতৎপরতা থেকে এটি প্রতীয়মান হয় যে, নবগঠিত এই সরকার দেশি-বিদেশি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং জনকল্যাণমূলক কাজে শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রমী ভূমিকা পালন করছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা: এলজিআরডি মন্ত্রী

‘গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নবিস্তারিত পড়ুন

রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতিতে মেধা, দক্ষতা ও সততাকেবিস্তারিত পড়ুন

সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে নিতে চাই : আন্দালিভ রহমান

দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম কর্মদিবসে সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয় বরং সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়েবিস্তারিত পড়ুন

  • বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান
  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদন শুরু, মানতে হবে ১৪ দফা নির্দেশনা
  • শাহজালালে ৭ কেজি কুশ জব্দ, গ্রেফতার ভারতীয় নাগরিক
  • ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম গড়তে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • জহির উদ্দিন স্বপনের পদত্যাগ, হলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা
  • মন্ত্রিসভায় রদবদল: কে কোন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বে
  • জ্বালানি সংকট রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী
  • দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, সেপ্টেম্বরে পে স্কেলের গেজেট
  • অনৈতিক সম্পর্কের কথা জেনে ফেলায় প্রলোভন দেখান এমপি গাজী নজরুল
  • মানবাধিকার ও ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং বিষয়ে ঢাকায় তিন দিনের আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন
  • শপথ নিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
  • শপথ নিলেন নতুন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রী