বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বাজেটে জনআকাঙ্খার প্রতিফলন নেই: বাংলাদেশ কংগ্রেস

বাজেটে জনআকাঙ্খার প্রতিফলন নেই বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ কংগ্রেস।

গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে দলটির চেয়ারম্যান কাজী রেজাউল হোসেন ও মহাসচিব এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম বলেছেন, এতদিন ধরে সীমাহীন দুর্নীতি ও টাকা পাচারের কারণে যে অর্থনৈতিক সংকট তৈরী হয়েছে তার খেসারত দিতে জনগণের ঘাড়ে চাপানো হয়েছে এই অসম বাজেট।

মন্ত্রী-এমপি ও সরকারী কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব প্রদান এবং বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ ফিরিয়ে আনার কোন পরিকল্না নেই এই বাজেটে। বাজেটে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী ও উৎপাদনমুখী প্রকল্প গ্রহনের চেয়ে অলস প্রকল্প গ্রহনের প্রতি বেশী গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

বাজেট পরবর্তী প্রকল্পভিত্তিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জনসমক্ষে তুলে ধরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক কোন ঘোষণা নেই এবারও। সুতরাং এটি একটি গতানুগতিক বাজেট। পুরান বাজেট সামান্য এডিট করে প্রস্তুত করা হয়েছে এই বাজেট। এখানে তেমন কোন নতুনত্ব নেই।

এ্যাডঃ কাজী রেজাউল হোসেন বলেন, একটি জিনিসের দাম বাড়িয়ে অন্য একটির দাম কমানো সঠিক পদ্ধতি নয়। এতে বাজার আরও অস্থির হয় এবং দ্রব্যমূল্যের সমন্বয়হীনতা বাড়ে। বাজেটের লক্ষ্য হতে হবে বাজার তথা দ্রব্যমূল্যকে স্থিতিশীল রাখা। কিন্তু এবারকার বাজেট বাজারে আগুন ধরাবে। দেশী-বিদেশী ঋণের বোঝা টানতে বাড়তি রাজস্ব আহরণের জন্য এবার বাড়ানো হচ্ছে পরোক্ষ কর এবং সরকারি সেবা ও পণ্যের দাম। ভর্তুকি কমাতে হবে বলে বাড়বে গ্যাস-বিদ্যুতের দামও যার প্রভাব পড়বে উৎপাদন ব্যবস্থায়। ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়বে হু হু করে।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ্যাডঃ ইয়ারুল ইসলাম বলেন, দেশের আদালতগুলিতে লক্ষ লক্ষ্ মামলা প্রতি বছর স্তুপ হয়ে হচ্ছে। বিচারক সংকট ও অবকাঠামোগত সমস্যায় মামলা নিষ্পত্তি হয় কম। প্রতিদিন যে পরিমাণ মামলা নিষ্পত্তি হয় তার কয়েকগুণ নতুন মামলা যোগ হয়। বিচার বিভাগের এই মহাসংকট নিরসনে বাজেটে কোন দিক নির্দেশনা নেই। দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উন্নত মানের সেবা না থাকায় মানুষ বিদেশনির্ভর হচ্ছে দিন দিন। এতে প্রতিবছর বিদেশে বিপুল অংকের টাকা চলে যায়। এই দুটি খাতে বরাদ্দ বাড়লেও সেবার মানোন্নয়নে কোন কার্যকর পরিকল্পনা রাখা হয়নি বাজেটে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অতীতে প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনের বছরে ক্ষমতাসীন সরকার ভোট বান্ধব বাজেট পেশ করে। জনগণকে খুশী করতে নানা খাতে কর ছাড় ও প্রাপ্তির মাত্রা বেশী থাকে। এবার সেটা করা হয়নি। ফলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কেননা জনগণের ভোট সরকারের প্রয়োজন আছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে না।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বিদ্যুৎ খাতে নয়-ছয় করেছে আওয়ামী লীগ সরকার : রিজভী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ইনডেমনিটিবিস্তারিত পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখছি না: নাহিদ ইসলাম

স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে এখন পর্যন্ত তেমন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে নাবিস্তারিত পড়ুন

সরকার অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ স্থানীয় নির্বাচন উপহার দেবে : মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সরকার শান্তিপূর্ণ, অবাধ, সুষ্ঠু ওবিস্তারিত পড়ুন

  • ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে ইসি : সিইসি
  • ভোটের জন্য নয়, মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে রাজনীতি করে বিএনপি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
  • দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী
  • ৭ নভেম্বর বিএনপির কর্মসূচিতে থাকছে যেসব আয়োজন
  • মিষ্টির সংরক্ষিত আসনে নতুন প্রার্থী মনোনয়ন বিএনপির
  • স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে কাউকে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ নেই : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
  • শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে কয়েক দফা আবেদন জানানো হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট বা পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন
  • ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে রাজনীতি করতে চায় বিএনপি: মীর শাহে আলম
  • এনসিপির পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি প্রকাশ, নতুন দায়িত্বে হাসনাত-সারজিসরা
  • বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আ.লীগের মধ্যে নয়, আমাদের মধ্যেও আছে: মীর শাহে আলম