মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

রঙে রঙে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে সাতক্ষীরায় দোল উৎসবের আনন্দধারা

সাতক্ষীরায় বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে ফাল্গুনি দোল উৎসব। শহরের ঐতিহ্যবাহী মায়ের বাড়ি প্রাঙ্গণে সকাল থেকেই ভিড় করেন ভক্ত, দর্শনার্থী ও নানা বয়সী মানুষ। আবিরের রঙে রাঙিয়ে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান তারা।

মঙ্গলবার (৩মার্চ) সকাল থেকে সারাদিন উৎসব ঘিরে বাঙালিয়ানায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা; চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা।

উৎসবে আসা ডা. সুশংকর রায় জানান. দোল মূলত বসন্তের আগমনী উৎসব। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, অসুর রাজা হিরণ্যকশিপুর অত্যাচার থেকে ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষার স্মরণে এই উৎসবের প্রচলন। আগুনে দগ্ধ হয়েও প্রহ্লাদ বেঁচে যান, আর ধ্বংস হয় অন্যায় ও অহংকারের প্রতীক হোলিকা। সেই থেকেই ‘অশুভের বিনাশ ও শুভের জয়’ এই বার্তাই বহন করে দোল বা হোলি। সময়ের পরিক্রমায় এটি শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো বাংলাদেশেও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে দোল বা হোলি উদযাপিত হয়।

শিক্ষক অতনু বোস সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাতক্ষীরার মায়ের বাড়ি প্রাঙ্গণে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস আর তরুণদের নাচ-গানে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পরিবেশ। কেউ বন্ধুদের সঙ্গে রঙ খেলায় মেতে ওঠেন, কেউবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। পল্লব দাশ বলেনম হোলি কেবল রঙের উৎসব নয় এটি ভালোবাসা, ঐক্য ও সহমর্মিতার প্রতীক। এ দিন সব ভেদাভেদ ভুলে মানুষ একে অপরের কাছাকাছি আসে।

ডা. নিপা রায় জানান, উৎসব উপলক্ষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় বিভিন্ন প্রস্তুতি। প্রাঙ্গণ সাজানো হয় রঙিন ব্যানার ও আলোকসজ্জায়। দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় গান, কীর্তন ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যা উৎসবে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নেন। অনেকে বলেন, এমন আয়োজন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান উপস্থিতি চোখে না পড়লেও আয়োজকদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সার্বিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। স্বেচ্ছাসেবকরা উৎসবস্থলে দায়িত্ব পালন করেন। ফলে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

অনন্যা দাশ বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এক সুতোয় গাঁথার বার্তা দিয়ে শেষ হয় হোলির এই আয়োজন। রঙের উচ্ছ্বাসে মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় সাতক্ষীরা; সম্প্রীতির বন্ধনে আরও দৃঢ় হয় সামাজিক সম্পর্ক।

একই রকম সংবাদ সমূহ

২০২৭ সালের হজে যেতে পারবেন না যারা

২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর)।বিস্তারিত পড়ুন

পবিত্র মক্কা শরিফে ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা

পবিত্র নগরী মক্কা আল-মুকাররমাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার খবরের ঘটনায় তীব্র নিন্দাবিস্তারিত পড়ুন

৯ কারণে বাতিল হতে পারে ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানি ও উৎসব ভাতা

দেশের মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • ইমাম-মুয়াজ্জিন-খাদেম-পুরোহিতরা ৩ ক্যাটাগরিতে মাসিক সম্মানী পাবেন
  • ‘৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার’ : ধর্মমন্ত্রী
  • মদিনার সব মসজিদে এখন থেকে নারীদের জন্য থাকবে নামাজের স্থান
  • ২০২৭ সালেও দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধপ্রবণতা কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
  • মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু, ৭ শ্রেণির ব্যক্তিকে অযোগ্য ঘোষণা
  • ওমরাহ ভিসার মেয়াদ ১ বছরে উন্নীত করলো সৌদি আরব
  • দেশে প্রথম জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা, বিজয়ীদের জন্য ২ লাখ টাকা পুরস্কার
  • শুরু হলো ২০২৭ সালের হজের প্রাক-নিবন্ধন
  • যতটুকু আমার প্রাপ্য তাও গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছি : সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা
  • পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৬ কোটি টাকা