রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে লিখতে বাধ্য করা যাবে না বৈবাহিক অবস্থা

ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৈবাহিক অবস্থা লেখা বাধ্যতামূলক করা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রিটের রুল আংশিক মঞ্জুর করে বৃহস্পতিবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খাইরুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে আজ রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অনিক আর হক। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত, তিনি নিশ্চিত করেছেন রায়ের বিষয়টি।

২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘মেয়েটি এখন কী করবে?’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী ফারিহা ফেরদৌস ওনাহিদ সুলতানা জেনি।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৬ জুন দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় ধর্ষণের শিকার হন মেয়েটি। ধর্ষকের সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে দেওয়ার জন্য গ্রামের লোকজন চাপ দিতে থাকেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে এ নিয়ে সালিসও হয়।

কিন্তু সেখানে অভিযুক্ত যুবক সবকিছু অস্বীকার করেন। সালিস ভেঙে যায়। প্রতিপক্ষের হুমকির মুখে মেয়ের পরিবার মামলা করতে পারে না। একপর্যায়ে সন্তানসম্ভবা হলে মেয়েটিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়।

তখন ওসিসি থেকেই ধর্ষণ মামলা করা হয়। মামলার পর পুলিশ আসামিকে গ্রেফতার করে। এরপর ওই যুবক, মেয়ে এবং তার সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় প্রমাণ হয় ওই যুবকই শিশুটির বাবা। আদালতে মামলার বিচার শুরু হয়।

আদালত ওই মেয়েটিকে ‘মহিলা সহায়তা কর্মসূচির’ রাজশাহী বিভাগীয় আবাসনকেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সেখানে থাকা অবস্থায় মেয়েটির এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা চলাকালে ২০১৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেয়েটি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।

আবাসনকেন্দ্রে থাকতেই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৪.১৯ পেয়ে এসএসসি পাস করেন। পরে সেখানেই থেকে এইচএসসি পরীক্ষাও অংশ নেন। পরবর্তীতে আইনজীবী আশুরা খাতুন এবং জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়কারী দিল সেতারার সহযোগিতায় মেয়েটিকে বাড়িতে রেখে আসেন। এরই মধ্যে পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। এবার জিপিএ-৩.১৭ পেয়ে উত্তীর্ণ হন তিনি।

এদিকে ২০১৭ সালের ৩০ মে আদালতের রায়ে ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। আদালতের রায়ে সন্তানের দায়ভার বাবাকে নিতে বলা হয়েছে। সেসঙ্গে বাবার ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সন্তান হওয়ার কারণে বিবাহিত না হলেও তাকে ফেলা হয়েছে বিবাহিত নারীর কাতারে। তিনি নার্সিং কলেজের ফরমই পূরণ করতে পারবেন না। বিয়ে না করলেও তার সন্তান রয়েছে। তাকে এখন বিবাহিত নারী হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। অথবা ফরমে তাকে স্বামী পরিত্যক্তা লিখতে হবে। মেয়েটি কোনো দলেই পড়েন না।

এ অবস্থায় রিটের পর হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর রুল জারি করেন। রুলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে বৈবাহিক অবস্থা জানতে চাওয়া কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না এবং এ বিষয়ে একটি অর্থপূর্ণ নীতিমালা কেন করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন। এছাড়াও মেয়েটিকে অবিলম্বে নার্সিং কলেজে ভর্তি করতে নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় দেন হাইকোর্ট।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নতুন পে-স্কেল : কার বেতন কত

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন-ভাতা কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। শনিবার (১৯বিস্তারিত পড়ুন

১ জুলাই থেকেই কার্যকর হবে নতুন পে স্কেল, যেভাবে বকেয়া পাবেন চাকরিজীবীরা

সরকারি কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬-এর গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। নতুন এবিস্তারিত পড়ুন

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন বেতন কবে, যা বলছে মন্ত্রণালয়

সরকারি চাকরিজীবীদের বহু প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন স্কেলের প্রজ্ঞাপন অবশেষে জারি করেছেবিস্তারিত পড়ুন

  • নতুন পে-স্কেল: এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়ে নেই কোনো নির্দেশনা
  • ২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ: সেতুমন্ত্রী
  • অপচয় রোধ করে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
  • বিরোধী দলের কারণেই কেউ কেউ ডিসেম্বরে আসতে চায়: পানিসম্পদমন্ত্রী
  • নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপনে কার বেতন কত হলো
  • নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি
  • ২০২৭ সালের হজে যেতে পারবেন না যারা
  • এলজিইডির মাস্টাররোল কর্মীদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন
  • ইউপি নির্বাচন : জামানত বেড়ে ৫ গুণ, পেতে হবে ১৫ শতাংশ ভোট
  • নভেম্বরে ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • একাত্তরের ভূমিকা মেনে নিয়েছে জামায়াত : আইনমন্ত্রী
  • সার্ককে ফের সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ