শনিবার, অক্টোবর ৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফল নিয়ে স্ক্রলের বিশ্লেষণ

১০৫ আসনেই বিজেপির জয়ে এসআইআরের ‘প্রভাব’

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ঐতিহাসিক জয়ে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর) বা ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে ভোটের ফল প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই।
এ নিয়ে নানা মহলে যখন নানামুখী আলোচনা ও বিশ্লেষণ চলছে, সেই মুহূর্তে সংবাদ মাধ্যম ‘স্ক্রল’-এর এক বিশ্লেষণ বলছে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জয় পেয়েছে এমন ১০৫টি আসনেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটারের মোট সংখ্যা দলটির জয়ের ব্যবধানের চেয়েও বেশি।
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, এই ১০৫টি আসনের মধ্যে ৮৬টি আসনেই বিজেপি এর আগে কখনো জয়লাভ করেনি।

গত এপ্রিলের শেষ দিকে দুই দফায় ভোট গ্রহণের পর গত সোমবার প্রকাশিত হয় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল। এতে দেখা গেছে, ২৯৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর বা ভোটার তালিকা সংশোধনে প্রায় ৯১ লাখ নাম বাদ পড়ে। এটি রাজ্যের মোট ভোটারের প্রায় ১২ শতাংশ। স্ক্রল-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই ৯১ লাখ ভোটারের মধ্যে অন্তত ২৭ লাখ ভোটারের ভাগ্য এখনো বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিবেচনাধীন। নির্বাচনি ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানবিরোধী হাওয়া বা ‘অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি’ কাজ করেছে। এর ফলে তৃণমূল কংগ্রেস গতবারের ২১৫টি আসন থেকে নেমে মাত্র ৮০টি আসনে এসে ঠেকেছে। তবে এই পরাজয়ের পেছনে এসআইআর প্রক্রিয়াটি বড় ভূমিকা পালন করে থাকতে পারে। ভারতের নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত ফলাফল এবং কলকাতাভিত্তিক পাবলিক পলিসি রিসার্চ সংস্থা ‘সাবার ইনস্টিটিউট’-এর তথ্যের ভিত্তিতে স্ক্রল দেখিয়েছে যে, বিজেপি যে ১০৫টি আসনে জিতেছে, সেখানে জয়ের ব্যবধানের চেয়ে ভোটার ছাঁটাইয়ের পরিমাণ ছিল বেশি। এই ১০৫টি আসন বিজেপির মোট জয়ের প্রায় ৫০ শতাংশ।

উদাহরণ হিসেবে বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস আসনের কথা বলা যেতে পারে। ২০২১ সালের নির্বাচনেও বিজেপি এখানে জিতেছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এখানে বিজেপির চেয়ে ৯ হাজার ভোটে এগিয়ে যায়। এরপর এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই কেন্দ্র থেকে ৭ হাজার ৫১৫ জন ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়। গত সোমবারের ফলাফলে দেখা গেছে, বিজেপি এই আসনে মাত্র ৯০০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছে। এমনকি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ভবানীপুর আসনে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে হেরেছেন, যেখানে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল ৫১ হাজারেরও বেশি নাম।

স্ক্রলের এই বিশ্লেষণ ইঙ্গিত দেয়, তৃণমূলের ১২৯টি আসন ছিনিয়ে নিয়ে বিজেপির এই বিশাল জয়ের পেছনে ভোটার তালিকার এই বড় পরিবর্তনটি একটি শক্তিশালী প্রভাবক হিসেবে কাজ করে থাকতে পারে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি: ইন্টারনেট বন্ধ, সাতশ’র বেশি আটক

ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও গণহারে ভোটারের নামবিস্তারিত পড়ুন

১২০ শতাংশ নিশ্চিত ভারত-বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে: দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হবে, এটা ১২০ শতাংশ নিশ্চিত বলেবিস্তারিত পড়ুন

ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির

বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে এবং উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে নয়াদিল্লিরবিস্তারিত পড়ুন

  • ভারত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযানের জন্য প্রস্তুত: রাজনাথ সিং
  • নাশকতার নির্দেশনা ভারতীয় নম্বর থেকে, বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভিডিও পাঠালে ১০ হাজার
  • বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ফ্রিতে সাংবাদিকতা শেখাবে ভারত
  • দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম, অনুমোদন দিল ভারত
  • কলকাতা নিউমার্কেট এলাকার ৮০০ রুপির ঘর এখন ৩ হাজার
  • নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে প্রদীপ না জ্বালানোয় জরিমানা
  • ইন্দিরা পেরেছিলেন, দল-প্রতীক হারিয়ে মমতা কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন?
  • ‘নিজের ফাঁদেই আটকা ভারত’: বাংলাদেশকে পাকিস্তান না ভাবার সতর্কবার্তা শেখর গুপ্তের
  • ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের বিলে সই করলেন ট্রাম্প
  • দিল্লিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে শেখ হাসিনার সরাসরি বৈঠক!
  • কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের তিরস্কার করলেন ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা
  • নভেম্বরে ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান