অঙ্গসংগঠনগুলো ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিতে পারে বিএনপি


ঈদুল ফিতরের পর থেকেই অঙ্গসংগঠনগুলো ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিতে পারে বিএনপি। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন থাকায় দলীয় নেতারা সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলছেন।
তাদের মতে, দুর্বল সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে নির্বাচনে গেলে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো সুযোগ নিতে পারে। তাই নির্বাচন সামনে রেখে মূল দল ও অঙ্গসংগঠনগুলোকে নতুন নেতৃত্বে পুনর্গঠন করাই এখন বিএনপির বড় চ্যালেঞ্জ।
দলীয় নেতারা বলছেন, আপাতত সরকারের কার্যক্রম পরিচালনাই শীর্ষ নেতৃত্বের প্রধান অগ্রাধিকার। তাই চলতি বছর জাতীয় কাউন্সিল হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠনের চিন্তা রয়েছে দলটির।
সাম্প্রতিক এক বৈঠকে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে দ্রুত সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা যান ৩০ ডিসেম্বর। তিনি টানা ৪১ বছর দলটির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেন। নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি শক্ত হাতে দল পরিচালনা করেছেন।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত থেকে পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হন তারেক রহমান। দলের শীর্ষ পদে থেকেই প্রথমবার নির্বাচনে সাফল্য দেখিয়েছেন তিনি। দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয় এনে জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন। বর্তমানে সরকার পরিচালনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারেক রহমান।
এদিকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অথবা স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলে মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির পদ শূন্য হতে পারে-এমন আলোচনা রয়েছে বিএনপির মধ্যে।
আবার তাদের মধ্যে কাউকে সংসদ উপনেতাও করা হতে পারে।
এ দুই পদে নিয়োগ হয়ে গেলেও স্থায়ী কমিটির পদ শূন্য হবে। এছাড়া সংসদের স্পিকার হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দলে তার কোনো পদ থাকছে না।
সব মিলিয়ে স্থায়ী কমিটিতেও অন্যদের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি নির্বাহী কমিটিতেও কিছু পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, দলের জাতীয় কাউন্সিল নিয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। সরকার গঠনের পর আমরা নানা কাজে ব্যস্ত। সংসদীয় কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হওয়ার পর হয়তো সাংগঠনিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার রাজনৈতিক উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করতে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর পুনর্গঠন কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার নির্দেশনা দেন।
সূত্র বলছে, ঈদের পর এ লক্ষ্যে কাজ শুরু করার কথা বলেছেন তিনি।
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এ বছর না হলে আগামী বছরের শুরুতে দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে পারে। এদিকে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর পুনর্গঠন নিয়েও আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ঈদুল ফিতরের পরপরই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। ইতোমধ্যে বিএনপি কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন দলটির হাইকমান্ড।
যুগান্তর
কলারোয়া নিউজে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। (Unauthorized use of news, image, information, etc published by kalaroa News is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.)
একই রকম সংবাদ সমূহ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আ.লীগের উত্থাপিত প্রশ্ন নাকচ জাতিসংঘের
বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থাবিস্তারিত পড়ুন

ডিএনডি বাঁধ নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩বিস্তারিত পড়ুন

বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়
যাত্রীদের বাড়তি চাপ ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় ২০ মিনিটবিস্তারিত পড়ুন

