শনিবার, জুলাই ১৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বিপ্লব ও জয় নামে লুকিয়ে ছিলেন কলকাতায়

মাসুদের সঙ্গে যোগাযোগের সূত্রে ধরা মোজাফফর

ওয়ান ইলেভেনের বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হতো মো. মোজাফফর হোসেনের। বিভিন্ন অপারেটরের নম্বর ও অ্যাপে দুজনের কথোপকথনের সূত্র ধরেই শনাক্ত করা হয় ৪৫ বছর ধরে পলাতক মোজাফফরকে। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যায় জড়িত এই সেনা কর্মকর্তার অবস্থান শনাক্তের পর গত বুধবার রাতে বনানীর ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৪ মার্চ রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। তিনি গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ফারুকের সঙ্গেও যোগাযোগ হতো মোজাফফরের। গ্রেপ্তার মাসুদের ব্যবহৃত ফোনের ডিজিটাল ফরেনসিক ও তার পিএসের কল রেকর্ড ধরে শনাক্ত করা হয় মোজাফফরকে। মাসুদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত চলমান আছে। তদন্ত কাজে সহায়তা করছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও আইটি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা। তিনি কালবেলাকে বলেন, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে বিভিন্ন ছদ্মনামে কথা বলতেন মোজাফফর। মাসুদ গ্রেপ্তারের পর তার পিএস ফারুকের সঙ্গেও কথা হতো। একটি বেসরকারি মোবাইল অপারেটরের একাধিক নম্বর থেকে কথা বলতেন মোজাফফর। যে নম্বরগুলো বেনামে রেজিস্টার করা। বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে কল করা হতো। লোকেশন গোপন করার জন্য ব্যবহার করত ভিপিএন। সন্দেহভাজন নম্বরগুলো নিয়ে আরও বিস্তারিত কাজ করতে গিয়ে ‘জন ডো’ বলে একটি নাম পাওয়া যায়। পরবর্তী আরও বিশ্লেষণ করে মোজাফফরকে ট্রেস করা সম্ভব হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোজাফফরের মেয়ে একটি বেসরকারি মোবাইল সিম অপারেটরে চাকরি করেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনিই বাবাকে নামে-বেনামে রেজিস্ট্রেশন করা নম্বরগুলো দিয়ে সহায়তা করেছেন।

এদিকে মোজাফফর গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে জানা গেছে, ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রায় ১৫ বছর আত্মগোপনে ছিলেন। সেখানে তিনি বিপ্লব সরকার ও জয় ব্যানার্জি এই দুই ছদ্মনাম ধারণ করেন। গ্রেপ্তারের পর তার দাবি, এরপর থেকে দেশেই ছিলেন।

গত বুধবার মধ্যরাতে বনানীর একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপি ডিবির একটি দল। এরপর বৃহস্পতিবার পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মোজাফফরকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর ডিবি ও সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, প্রথম জাতীয় রক্ষীবাহিনীতে (জেআরবি) কমিশন পেয়েছিলেন এবং ১৯৮১ সালে ২৪ পদাতিক ডিভিশনে কর্মরত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতায় আত্মগোপন করেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন। এদিকে মোজাফফরকে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে গতকাল শুক্রবার কক্সবাজারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফরকে সেনা হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। যে আইনে এ হত্যার বিচার করা হয়েছিল সে আইনেই তার বিচার করা যায়। বিষয়টি সেনাবাহিনী খতিয়ে দেখছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বাস্তবতা

রাষ্ট্র পরিচালনার ইতিহাসে একটি পুরোনো সত্য বারবার ফিরে আসে, যে মানুষ কাজবিস্তারিত পড়ুন

১৫০ দিনেই সব মন্ত্রণালয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি: মাহদী আমিন

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম পাঁচ মাসেই সব মন্ত্রণালয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিবিস্তারিত পড়ুন

ঢাকায় আরও ৫০ স্পটে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীর আরও ৫০টি স্পটে অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট ব্যবস্থা দ্রুত সময়ের মধ্যে চালুরবিস্তারিত পড়ুন

  • অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান আতিকুর রহমান রুমনের
  • চীনের সঙ্গে জিও পলিটিকাল ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে: মির্জা ফখরুল
  • আশুলিয়ায় ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে যুবকের আঙুল বিচ্ছিন্ন
  • নতুন নয়, বিদ্যমান কারিকুলামই পরিমার্জন করা হচ্ছে: মাহদী আমিন
  • প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ জন
  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন, কাউন্সিল ও সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে বিএনপির জোর
  • বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ৯ বন্যা
  • প্রবাসী কার্ড চালু হচ্ছে চলতি মাসেই, মিলবে যেসব সুবিধা
  • জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
  • আমাদের কঠিন সময়ে পরম সহানুভূতিশীল ছিলেন জমির উদ্দিন: জামায়াত আমির
  • সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার জমির উদ্দিন মারা গেছেন